ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফকে গুলি করে হত্যা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

লিবিয়ার প্রয়াত শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

লিবিয়ায় দায়িত্বরত আল-জাজিরার প্রতিনিধি আহমেদ খলিফা জানান, গত এক দশক ধরে সাইফ আল-ইসলাম দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে অবস্থান করছিলেন। সেখানেই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৫৩ বছর বয়সী সাইফ আল-ইসলামের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে বা কোন পরিস্থিতিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো অস্পষ্ট। লিবিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

পাশ্চাত্যে শিক্ষিত ও সুবক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি তাঁর বাবার শাসনামলে লিবিয়ার দমনমূলক শাসনের একটি প্রগতিশীল মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ২০০০ সালের শুরুর দিক থেকে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

সাইফ ২০০৮ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বিশ্ব শাসনের সংস্কারে নাগরিক সমাজের ভূমিকা।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের আগে সাইফ আল-ইসলামকে দেশটির দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ২০১১ সালে বিদ্রোহীরা গাদ্দাফিকে হত্যার পর সাইফ জিনতানে বন্দী হন। পরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় ২০১৭ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পান। তবে মুক্তির পরও তিনি জিনতান এলাকাতেই বসবাস করছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৩৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

লিবিয়ার প্রয়াত শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

লিবিয়ায় দায়িত্বরত আল-জাজিরার প্রতিনিধি আহমেদ খলিফা জানান, গত এক দশক ধরে সাইফ আল-ইসলাম দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে অবস্থান করছিলেন। সেখানেই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৫৩ বছর বয়সী সাইফ আল-ইসলামের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে বা কোন পরিস্থিতিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো অস্পষ্ট। লিবিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

পাশ্চাত্যে শিক্ষিত ও সুবক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি তাঁর বাবার শাসনামলে লিবিয়ার দমনমূলক শাসনের একটি প্রগতিশীল মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ২০০০ সালের শুরুর দিক থেকে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

সাইফ ২০০৮ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বিশ্ব শাসনের সংস্কারে নাগরিক সমাজের ভূমিকা।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের আগে সাইফ আল-ইসলামকে দেশটির দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ২০১১ সালে বিদ্রোহীরা গাদ্দাফিকে হত্যার পর সাইফ জিনতানে বন্দী হন। পরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় ২০১৭ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পান। তবে মুক্তির পরও তিনি জিনতান এলাকাতেই বসবাস করছিলেন।