ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জর্ডান নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত ইসরাইলের, দাবি নেতানিয়াহুর

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের গাজায় নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘যা কিছু দরকার সবটুকু’ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দখলদার দেশটির নেতা বলেছেন, তাদের ভূমি জর্ডান নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অঞ্চলে শাসন তারাই করবে।

মূলত কয়েকটি প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এমন মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। আন্তর্জাতিক আদালতে ‘দোষী সাব্যস্ত’ হওয়া এই নেতা বলেছেন, তিনি বা তার দেশ কোনোভাবেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অনুমোদন দেবে না।

ইসরাইলের টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘শুনেছি, আমি নাকি গাজায় একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেব—এটা কখনো ঘটেনি এবং ভবিষ্যতেও ঘটবে না।

নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরাইল ‘জর্ডান নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত’ পুরো এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে এবং এই নীতি গাজা উপত্যকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নেতানিয়াহু বলেন, এটি ইসরাইলের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতিফলন এবং এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।

নেতানিয়াহুর চাওয়া গাজায় থাকা হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্র করা এবং সেখানে সামরিকভাবে মুক্ত করা। ইসরাইলের দখলদার প্রধানমন্ত্রী হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি দখল করতে শক্তি প্রয়োগ করতে হয়, তবে তিনি সর্বোচ্চটা ব্যবহার করবেন। হামাসের অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস ও ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন।

নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেন, এসব লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজায় কোনো পুনর্গঠন কাজের অনুমতি দেওয়া হবে না।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যে শুনছি যে সামরিকমুক্তকরণের আগেই গাজার পুনর্গঠনের অনুমতি দেওয়া হবে—এটা হবে না। নিরাপত্তাই সবার আগে।

গাজায় বিদেশি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাও নাকচ করে দেন নেতানিয়াহু, ‘গাজায় তুরস্ক ও কাতারের সেনা আনা হবে বলে শুনছি—এটাও হবে না।’ তিনি জানান, কোনো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী গাজায় মোতায়েন করা হবে না। ইসরাইল গাজা ও পুরো অঞ্চলে পূর্ণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

জর্ডান নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত ইসরাইলের, দাবি নেতানিয়াহুর

আপডেট সময় ০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের গাজায় নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘যা কিছু দরকার সবটুকু’ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দখলদার দেশটির নেতা বলেছেন, তাদের ভূমি জর্ডান নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অঞ্চলে শাসন তারাই করবে।

মূলত কয়েকটি প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এমন মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। আন্তর্জাতিক আদালতে ‘দোষী সাব্যস্ত’ হওয়া এই নেতা বলেছেন, তিনি বা তার দেশ কোনোভাবেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অনুমোদন দেবে না।

ইসরাইলের টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘শুনেছি, আমি নাকি গাজায় একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেব—এটা কখনো ঘটেনি এবং ভবিষ্যতেও ঘটবে না।

নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরাইল ‘জর্ডান নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত’ পুরো এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে এবং এই নীতি গাজা উপত্যকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নেতানিয়াহু বলেন, এটি ইসরাইলের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতিফলন এবং এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।

নেতানিয়াহুর চাওয়া গাজায় থাকা হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্র করা এবং সেখানে সামরিকভাবে মুক্ত করা। ইসরাইলের দখলদার প্রধানমন্ত্রী হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি দখল করতে শক্তি প্রয়োগ করতে হয়, তবে তিনি সর্বোচ্চটা ব্যবহার করবেন। হামাসের অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস ও ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন।

নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেন, এসব লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজায় কোনো পুনর্গঠন কাজের অনুমতি দেওয়া হবে না।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যে শুনছি যে সামরিকমুক্তকরণের আগেই গাজার পুনর্গঠনের অনুমতি দেওয়া হবে—এটা হবে না। নিরাপত্তাই সবার আগে।

গাজায় বিদেশি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাও নাকচ করে দেন নেতানিয়াহু, ‘গাজায় তুরস্ক ও কাতারের সেনা আনা হবে বলে শুনছি—এটাও হবে না।’ তিনি জানান, কোনো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী গাজায় মোতায়েন করা হবে না। ইসরাইল গাজা ও পুরো অঞ্চলে পূর্ণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।