ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরানি হামলার শঙ্কা, ইসরায়েলি বাহিনীতে হাই এলার্ট

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

উত্তেজনার পারদ নামছে না কিছুতেই। এখনও ইসরায়েল দাবি করছে, যেকোনো সময় ইরানি ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। আর সে কারণেই ইসরায়েলি বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

সোমবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়াশিংটন তেহরানে হামলা চালালে ইরান পাল্টা আঘাত হিসেবে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, এমন শঙ্কা থেকেই এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম কানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কায় দেশটি গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নর্দান কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল রাফি মিলো এক সাক্ষাৎকারে জানান, যেকোনো মার্কিন হামলার জবাবে তেহরান ইসরায়েলে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আরব উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী মোতায়েন করা হলেও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনও কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে তুঙ্গে উঠেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং তিনটি ডেস্ট্রয়ার বর্তমানে ওমান উপসাগরের পথে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, মধ্যপ্রাচ্যের দিকে একটি বিশাল মার্কিন নৌবহর অগ্রসর হচ্ছে এবং ওয়াশিংটন ইরানের পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে।

মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে সামরিক পদক্ষেপসহ সব ধরনের বিকল্পই তাদের টেবিলে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, যেকোনো মার্কিন হামলার ‘দ্রুত ও ব্যাপক’ জবাব দেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইরানি হামলার শঙ্কা, ইসরায়েলি বাহিনীতে হাই এলার্ট

আপডেট সময় ০৮:২৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

উত্তেজনার পারদ নামছে না কিছুতেই। এখনও ইসরায়েল দাবি করছে, যেকোনো সময় ইরানি ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। আর সে কারণেই ইসরায়েলি বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

সোমবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়াশিংটন তেহরানে হামলা চালালে ইরান পাল্টা আঘাত হিসেবে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, এমন শঙ্কা থেকেই এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম কানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কায় দেশটি গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নর্দান কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল রাফি মিলো এক সাক্ষাৎকারে জানান, যেকোনো মার্কিন হামলার জবাবে তেহরান ইসরায়েলে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আরব উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী মোতায়েন করা হলেও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনও কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে তুঙ্গে উঠেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং তিনটি ডেস্ট্রয়ার বর্তমানে ওমান উপসাগরের পথে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, মধ্যপ্রাচ্যের দিকে একটি বিশাল মার্কিন নৌবহর অগ্রসর হচ্ছে এবং ওয়াশিংটন ইরানের পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে।

মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে সামরিক পদক্ষেপসহ সব ধরনের বিকল্পই তাদের টেবিলে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, যেকোনো মার্কিন হামলার ‘দ্রুত ও ব্যাপক’ জবাব দেওয়া হবে।