ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শুরুতে নেমে ২০ ওভারে ১৭৪ রান করে রাজশাহী। জবাবে ১১১ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস।

এটা রাজশাহীর দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা। এর আগে বিপিএলের ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এদিকে, বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তিনবার শিরোপা জিতেছে ঢাকা। রাজশাহীর সমান দুবার করে চ্যাম্পিয়ন হয় বরিশাল। আর একবার শিরোপা জিতেছে রংপুর রাইডার্স।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী। তানজিদের ঝড় ও সাহিবজাদার ধৈর্য্যশীল ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন ফারহান।

দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে নামা কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫ বলে ২৪ রান করেন উইলিয়ামসন।

এদিকে আপনতালে খেলতে থাকেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপিএলের এবারের আসরে এটা চতুর্থ সেঞ্চুরি। আর বিপিএলের ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন তানজিদ। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।

শেষ পর্যন্ত তানজিদের ইনিংস থামে ১০০ রানে। মাত্র ৬২ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ছয়টি চার ও সাতটি ছয়ে সাজানো। আর দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। এদিকে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের সফল বোলার শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম। দুজনই দুটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলীয় ১৮ রানের মাথায় সাজঘরের ফেরেন দুই ব্যাটার। ১০ বলে ৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। আর ২ বল খেলে রানের খাতায় খুলতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়। এরদিকে হাসান নেওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ৭ বলে ১১ রান।

চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে নামেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাহিদুজ্জামান। তাকে নিয়ে কিছুক্ষণ লড়াই চালিয়ে মির্জা বেগ। কিন্তু দুজনের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে ম্যাচটি চট্টগ্রামের হাতের নাগালের বাইরে চলে যায়। ১৩ বলে ১১ রান করে আউট হন জাহিদুজ্জামান। আর আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৩৯ রান করেন মির্জা বেগ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

আপডেট সময় ০৯:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শুরুতে নেমে ২০ ওভারে ১৭৪ রান করে রাজশাহী। জবাবে ১১১ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস।

এটা রাজশাহীর দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা। এর আগে বিপিএলের ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এদিকে, বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তিনবার শিরোপা জিতেছে ঢাকা। রাজশাহীর সমান দুবার করে চ্যাম্পিয়ন হয় বরিশাল। আর একবার শিরোপা জিতেছে রংপুর রাইডার্স।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী। তানজিদের ঝড় ও সাহিবজাদার ধৈর্য্যশীল ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন ফারহান।

দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে নামা কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫ বলে ২৪ রান করেন উইলিয়ামসন।

এদিকে আপনতালে খেলতে থাকেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপিএলের এবারের আসরে এটা চতুর্থ সেঞ্চুরি। আর বিপিএলের ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন তানজিদ। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।

শেষ পর্যন্ত তানজিদের ইনিংস থামে ১০০ রানে। মাত্র ৬২ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ছয়টি চার ও সাতটি ছয়ে সাজানো। আর দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। এদিকে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের সফল বোলার শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম। দুজনই দুটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলীয় ১৮ রানের মাথায় সাজঘরের ফেরেন দুই ব্যাটার। ১০ বলে ৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। আর ২ বল খেলে রানের খাতায় খুলতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়। এরদিকে হাসান নেওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ৭ বলে ১১ রান।

চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে নামেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাহিদুজ্জামান। তাকে নিয়ে কিছুক্ষণ লড়াই চালিয়ে মির্জা বেগ। কিন্তু দুজনের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে ম্যাচটি চট্টগ্রামের হাতের নাগালের বাইরে চলে যায়। ১৩ বলে ১১ রান করে আউট হন জাহিদুজ্জামান। আর আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৩৯ রান করেন মির্জা বেগ।