ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, কিন্তু নির্বাচনের ট্রেন উঠে গেছে ট্র্যাকের মধ্যে। এখন এটাকে ট্র্যাকচ্যূত একমাত্র একটা পক্ষই করতে পারে। আর সেটা হলো রাজনীতিবিদ ও তাদের মনোনীত প্রার্থীরা। তারা যদি সদাচরণ করে তাহলে মনে হয় নির্বাচন নিয়ে কোন ঝুঁকি থাকবে না, শঙ্কা থাকবে না।

সোমবার নগরীর সদর রোডের বিডিএস মিলনায়তনে সুজন বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

সুজন সম্পাদক আরও বলেন, তোরা যে যা বলিস ভাই আমার এমপি হওয়া চাই ওই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসলে আমরা আশা করতে পারি একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। আর আমাদের ট্রেনটা রেলস্টেশনে পৌঁছাবে।

জুলাই অভ্যুত্থান আকাঙ্ক্ষা, সংস্কার ও নির্বাচনী ইশতেহার শীর্ষক বিভাগীয় সংলাপের উদ্দেশ্যে বর্ণনায় বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি বড় বাঁধা হচ্ছে আমাদের নির্বাচনী অঙ্গন অপরিচ্ছন্ন। নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিরা প্রবেশ করেছে। সুস্পষ্টভাবে বলতে গেলে আমাদের নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে। একই সাথে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনও কলুষিত। যত অন্যায় অবিচার হয় তা রাজনৈতিক ছত্রছায়া হয়। আর বড় বড় দুর্নীতি হয় বড় বড় আমলা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের জোকস সাজসে। তাই নির্বাচনী অঙ্গনকে পরিষ্কার করা দরকার। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গনকেও পরিচ্ছন্ন করা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচনী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে যে দুর্বৃত্ত তার চালিকাশক্তি হচ্ছে কালো টাকা। এই টাকার প্রভাব ও আমাদের দুরীভূত করা দরকার। এটা দুরীভূত করতে হলে নির্বাচনী অঙ্গন, রাজনৈতিক অঙ্গন পরিচ্ছন্ন করতে হলে অনেকগুলো সংস্কার দরকার। অনেকগুলো আইনি কাঠামোতে পরিবর্তন আনা দরকার।

নির্বাচন কমিশন নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে গঠন করা হয়েছে সাংবিধানিক স্বাধীনভাবে। আর এর দায়িত্ব হচ্ছে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। কিন্তু অতীতে দেখা গেছে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্বভাবে গঠন করা হয়েছে। তারা আমাদের নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দিয়েছে। গত ১৬ বছর আমরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এর জন্য আমাদের নির্বাচন কমিশনের সংস্কার দরকার, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী ও কার্যকর করা দরকার। তাহলেই সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ সুগম হবে।
আয়োজিত সংলাপে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন দলের মনোনীত প্রার্থী, নাগরিক সমাজ, সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম

আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, কিন্তু নির্বাচনের ট্রেন উঠে গেছে ট্র্যাকের মধ্যে। এখন এটাকে ট্র্যাকচ্যূত একমাত্র একটা পক্ষই করতে পারে। আর সেটা হলো রাজনীতিবিদ ও তাদের মনোনীত প্রার্থীরা। তারা যদি সদাচরণ করে তাহলে মনে হয় নির্বাচন নিয়ে কোন ঝুঁকি থাকবে না, শঙ্কা থাকবে না।

সোমবার নগরীর সদর রোডের বিডিএস মিলনায়তনে সুজন বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

সুজন সম্পাদক আরও বলেন, তোরা যে যা বলিস ভাই আমার এমপি হওয়া চাই ওই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসলে আমরা আশা করতে পারি একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। আর আমাদের ট্রেনটা রেলস্টেশনে পৌঁছাবে।

জুলাই অভ্যুত্থান আকাঙ্ক্ষা, সংস্কার ও নির্বাচনী ইশতেহার শীর্ষক বিভাগীয় সংলাপের উদ্দেশ্যে বর্ণনায় বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি বড় বাঁধা হচ্ছে আমাদের নির্বাচনী অঙ্গন অপরিচ্ছন্ন। নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিরা প্রবেশ করেছে। সুস্পষ্টভাবে বলতে গেলে আমাদের নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে। একই সাথে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনও কলুষিত। যত অন্যায় অবিচার হয় তা রাজনৈতিক ছত্রছায়া হয়। আর বড় বড় দুর্নীতি হয় বড় বড় আমলা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের জোকস সাজসে। তাই নির্বাচনী অঙ্গনকে পরিষ্কার করা দরকার। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গনকেও পরিচ্ছন্ন করা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচনী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে যে দুর্বৃত্ত তার চালিকাশক্তি হচ্ছে কালো টাকা। এই টাকার প্রভাব ও আমাদের দুরীভূত করা দরকার। এটা দুরীভূত করতে হলে নির্বাচনী অঙ্গন, রাজনৈতিক অঙ্গন পরিচ্ছন্ন করতে হলে অনেকগুলো সংস্কার দরকার। অনেকগুলো আইনি কাঠামোতে পরিবর্তন আনা দরকার।

নির্বাচন কমিশন নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে গঠন করা হয়েছে সাংবিধানিক স্বাধীনভাবে। আর এর দায়িত্ব হচ্ছে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। কিন্তু অতীতে দেখা গেছে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্বভাবে গঠন করা হয়েছে। তারা আমাদের নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দিয়েছে। গত ১৬ বছর আমরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এর জন্য আমাদের নির্বাচন কমিশনের সংস্কার দরকার, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী ও কার্যকর করা দরকার। তাহলেই সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ সুগম হবে।
আয়োজিত সংলাপে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন দলের মনোনীত প্রার্থী, নাগরিক সমাজ, সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।