ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নরকেও কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক হবে না’, ট্রাম্পে কে পাল্টা জবাব ট্রুডোর

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

কানাডার অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১ তম অঙ্গরাজ্য হতে চায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার একীভূত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেছেন তিনি।

সোমবার ট্রুডোর পদত্যাগের খবরে আবারও কানাডাকে ৫১তম মার্কিন অঙ্গরাজ্য করার প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প।

এই আবহে এবার নিজের কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন ট্রুডো। কানাডার মার্কিন অঙ্গরাজ্য হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই জবাব দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ট্রুডো লিখেন, ‘কানাডার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নরকেও নেই’।

কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে পরিণত করতে ‘অর্থনৈতিক শক্তি’ ব্যবহারের হুশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

জবাবে ট্রুডো আরও লিখেন, ‘আমাদের দুই দেশের শ্রমিক এবং সম্প্রদায় একে অপরের সবচেয়ে বড় ব্যবসা এবং নিরাপত্তা অংশীদার হয়ে উপকৃত হয়’।

এদিকে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জোলি এই নিয়ে বলেছেন, ‘কানাডা কখনও এই ক্ষেত্রে পিছু হটবে না’।

জোলির অভিযোগ, কানাডার চরিত্র বুঝতে পারেননি ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি খুবই শক্তিশালী। আমাদের মানুষরা খুবই শক্তিশালী। আমরা এই ধরনের কোনও হুমকির মুখে পড়ে কোনও ভাবেই পিছু পা হব না’।

গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প নির্বাচনে জেতার পরই তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন ট্রুডো। সেই সময় ট্রুডোকে গভর্নর বলে সম্বোধন করেছিলেন ট্রাম্প। মূলত বাণিজ্য ও অভিবাসন সমস্যা নিয়ে ট্রুডোর প্রশাসনের ওপর নাখোশ ছিলেন ট্রাম্প।

এছাড়া কানাডার ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রয়োগের ঘোষণাও দেন ট্রাম্প। সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে উল্টো অপমান হজম করেন ট্রুডো। এসময় ট্রুডোকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এবং কানাডার টিকে থাকতে যে ভর্তুকির দরকার তার ভার আর বইতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র। যদি কানাডা অঙ্গরাজ্য হতে চায়, তাহলে নীতি পাল্টাবেন ট্রাম্প।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নরকেও কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক হবে না’, ট্রাম্পে কে পাল্টা জবাব ট্রুডোর

আপডেট সময় ১২:২০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

কানাডার অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১ তম অঙ্গরাজ্য হতে চায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার একীভূত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেছেন তিনি।

সোমবার ট্রুডোর পদত্যাগের খবরে আবারও কানাডাকে ৫১তম মার্কিন অঙ্গরাজ্য করার প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প।

এই আবহে এবার নিজের কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন ট্রুডো। কানাডার মার্কিন অঙ্গরাজ্য হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই জবাব দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ট্রুডো লিখেন, ‘কানাডার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নরকেও নেই’।

কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে পরিণত করতে ‘অর্থনৈতিক শক্তি’ ব্যবহারের হুশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

জবাবে ট্রুডো আরও লিখেন, ‘আমাদের দুই দেশের শ্রমিক এবং সম্প্রদায় একে অপরের সবচেয়ে বড় ব্যবসা এবং নিরাপত্তা অংশীদার হয়ে উপকৃত হয়’।

এদিকে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জোলি এই নিয়ে বলেছেন, ‘কানাডা কখনও এই ক্ষেত্রে পিছু হটবে না’।

জোলির অভিযোগ, কানাডার চরিত্র বুঝতে পারেননি ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি খুবই শক্তিশালী। আমাদের মানুষরা খুবই শক্তিশালী। আমরা এই ধরনের কোনও হুমকির মুখে পড়ে কোনও ভাবেই পিছু পা হব না’।

গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প নির্বাচনে জেতার পরই তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন ট্রুডো। সেই সময় ট্রুডোকে গভর্নর বলে সম্বোধন করেছিলেন ট্রাম্প। মূলত বাণিজ্য ও অভিবাসন সমস্যা নিয়ে ট্রুডোর প্রশাসনের ওপর নাখোশ ছিলেন ট্রাম্প।

এছাড়া কানাডার ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রয়োগের ঘোষণাও দেন ট্রাম্প। সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে উল্টো অপমান হজম করেন ট্রুডো। এসময় ট্রুডোকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এবং কানাডার টিকে থাকতে যে ভর্তুকির দরকার তার ভার আর বইতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র। যদি কানাডা অঙ্গরাজ্য হতে চায়, তাহলে নীতি পাল্টাবেন ট্রাম্প।