ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে ক্ষোভ ঝাড়লেন হাসনাত আব্দুল্লাহ উন্নয়নমূলক কাজে ইউনিয়নভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে: ডেপুটি স্পিকার দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব সংস্কৃতিচর্চায় শিক্ষার্থীদের উগ্র চিন্তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায় : ববি হাজ্জাজ সংকট না থাকলে রাস্তায় তেলের জন্য ৩ কিমি লম্বা লাইন কেন, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, আর দেশে বাড়ছে: জামায়াত আমির অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ সোমবার থেকে সারা দেশে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু

তাসকিনে রাঙা দিনে হেসেখেলে জিতল রাজশাহী

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পথ তৈরি করে রেখেছিলেন তাসকিন আহমেদ। বিপিএলে ইতিহাস গড়া বোলিংয়ের দিনে ঢাকা ক্যাপিটালসের লাগাম টেনেছিলেন। ব্যাটিংয়ে বাকি কাজ সিদ্ধ হস্তে সেরেছেন এনামুল হক বিজয়। দুর্বার রাজশাহীকে দাপুটে জয় এনে দিতে তাণ্ডব চালিয়েছিলেন রায়ান বার্ল। তাতেই ঢাকা পেয়েছে টানা দুই হারের স্বাদ, রাজশাহী পেয়েছে ৭ উইকেটের বড় জয়।

মিরপুর শেরই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক ম্যাচ হেরে নেমেছিল দুদল। আসরের শুরুর ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের সামনে মুখ ধুবড়ে পড়েছিল ঢাকা। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে লড়াই চালিয়েও পেরে ওঠেনি রাজশাহী। আজ ভুল করেনি এনামুল ব্রিগেড। ঢাকার ১৭৫ রানের লক্ষ্য পার করেছে অনেকটা হেসেখেলে। ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তোলার দিনে বলও থেকেছে ১১টি বাকি।

বৃহস্পতিবার টসভাগ্য পক্ষে আসেনি এনামুলের। তবে ব্যাটিংয়ে ঠিকই রাজ করেছেন। বোলিংয়ে তাসকিনের তাণ্ডব চালানো দিনে ব্যাট হাতে আলো কেড়েছেন রাজশাহীর অধিনায়ক। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে করেছেন ৭৩ রান। এনামুল ৪৬ বলের ইনিংস সাজিয়েছেন ৯ চার ও ৩ ছয়ে। অধিনায়কের সঙ্গে অপরপাশে তাণ্ডব চালিয়েছেন জিম্বাবুয়ের হার্ডহিটার ব্যাটার বার্ল। তিনিও পান ফিফটির দেখা। খেলেন ৫৫ রানের ইনিংস।

অবশ্য ইনিংসের গোড়াপত্তন ভালো হয়নি রাজশাহীর। প্রথম ম্যাচের মতো এদিনও ব্যর্থ হন জিসান আলম। শূন্য রানে জিসান ফেরার আগে মোহাম্মদ হারিসকে প্রথম ওভারেই ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ৫ বলে হারিস আনেন ১২ রান। বরিশালের বিপক্ষে তাণ্ডব চালানো ইয়াসির আলীর ব্যাটও বেশিক্ষণ চলেনি। ২০ বলে ইয়াসির ২২ রানে ফেরার পর আর ভুল করেনি রাজশাহী। বাকি পথ অবিচ্ছিন্ন ১০৬ রানের জুটিতে পারি দেন এনামুল ও বার্ল।

ম্যাচের আগের গল্পে প্রায় পুরোটা জুড়ে তাসকিন। কখনও গতিতে পরাস্ত করেছেন, কখনও দেগেছেন বাউন্সার। ঢাকার ব্যাটারদের কখনও ইয়র্কার ছুঁড়ে উপড়ে দিয়েছেন স্টাম্প। তবে তাসকিনের তোপ জারি ছিল শুরু এবং শেষে। বাকি সময়ে ঠিকই রান তুলে নিয়েছিল ঢাকা। দেড়শ ছাড়িয়ে দুইশ’র পথে হাঁটা ঢাকাকে অবশ্য অল্পতেই বেধে রেখেছিলেন তাসকিন। ১৯ রান খরচায় নেন ৭টি উইকেট। বাকিদের সবাই ছিলেন যথেষ্ট খরুচে।

তাসকিনে রাঙা দিনটিতে ব্যাট হাতে ঢাকার শাহদাত হোসেন দিপু। ৫০ রান করতে তরুণ এই ব্যাটার খরচ করেন ৪১ বল। ঢাকার হয়ে দিনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে তিনে নামা স্টিফেন ইসকিনজির ব্যাটে। ২৯ বলে এই বিদেশি ক্রিকেটার ৬ চার ও ২ ছক্কায় সাজান ইনিংস। বাকিদের কেউই রাখতে পারেননি মান। লিটন দাস ফিরেছিলেন শূন্য রানে। অধিনায়ক পেরেরা করেন ২১ রান। এরপর শেষদিকে তোপ দাগেন তাসকিন। বনেন বিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। তার বোলিংয়ে রাঙা দিনটিতে সহজ জয়ও পায় রাজশাহী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের

তাসকিনে রাঙা দিনে হেসেখেলে জিতল রাজশাহী

আপডেট সময় ০৫:১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পথ তৈরি করে রেখেছিলেন তাসকিন আহমেদ। বিপিএলে ইতিহাস গড়া বোলিংয়ের দিনে ঢাকা ক্যাপিটালসের লাগাম টেনেছিলেন। ব্যাটিংয়ে বাকি কাজ সিদ্ধ হস্তে সেরেছেন এনামুল হক বিজয়। দুর্বার রাজশাহীকে দাপুটে জয় এনে দিতে তাণ্ডব চালিয়েছিলেন রায়ান বার্ল। তাতেই ঢাকা পেয়েছে টানা দুই হারের স্বাদ, রাজশাহী পেয়েছে ৭ উইকেটের বড় জয়।

মিরপুর শেরই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক ম্যাচ হেরে নেমেছিল দুদল। আসরের শুরুর ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের সামনে মুখ ধুবড়ে পড়েছিল ঢাকা। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে লড়াই চালিয়েও পেরে ওঠেনি রাজশাহী। আজ ভুল করেনি এনামুল ব্রিগেড। ঢাকার ১৭৫ রানের লক্ষ্য পার করেছে অনেকটা হেসেখেলে। ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তোলার দিনে বলও থেকেছে ১১টি বাকি।

বৃহস্পতিবার টসভাগ্য পক্ষে আসেনি এনামুলের। তবে ব্যাটিংয়ে ঠিকই রাজ করেছেন। বোলিংয়ে তাসকিনের তাণ্ডব চালানো দিনে ব্যাট হাতে আলো কেড়েছেন রাজশাহীর অধিনায়ক। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে করেছেন ৭৩ রান। এনামুল ৪৬ বলের ইনিংস সাজিয়েছেন ৯ চার ও ৩ ছয়ে। অধিনায়কের সঙ্গে অপরপাশে তাণ্ডব চালিয়েছেন জিম্বাবুয়ের হার্ডহিটার ব্যাটার বার্ল। তিনিও পান ফিফটির দেখা। খেলেন ৫৫ রানের ইনিংস।

অবশ্য ইনিংসের গোড়াপত্তন ভালো হয়নি রাজশাহীর। প্রথম ম্যাচের মতো এদিনও ব্যর্থ হন জিসান আলম। শূন্য রানে জিসান ফেরার আগে মোহাম্মদ হারিসকে প্রথম ওভারেই ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ৫ বলে হারিস আনেন ১২ রান। বরিশালের বিপক্ষে তাণ্ডব চালানো ইয়াসির আলীর ব্যাটও বেশিক্ষণ চলেনি। ২০ বলে ইয়াসির ২২ রানে ফেরার পর আর ভুল করেনি রাজশাহী। বাকি পথ অবিচ্ছিন্ন ১০৬ রানের জুটিতে পারি দেন এনামুল ও বার্ল।

ম্যাচের আগের গল্পে প্রায় পুরোটা জুড়ে তাসকিন। কখনও গতিতে পরাস্ত করেছেন, কখনও দেগেছেন বাউন্সার। ঢাকার ব্যাটারদের কখনও ইয়র্কার ছুঁড়ে উপড়ে দিয়েছেন স্টাম্প। তবে তাসকিনের তোপ জারি ছিল শুরু এবং শেষে। বাকি সময়ে ঠিকই রান তুলে নিয়েছিল ঢাকা। দেড়শ ছাড়িয়ে দুইশ’র পথে হাঁটা ঢাকাকে অবশ্য অল্পতেই বেধে রেখেছিলেন তাসকিন। ১৯ রান খরচায় নেন ৭টি উইকেট। বাকিদের সবাই ছিলেন যথেষ্ট খরুচে।

তাসকিনে রাঙা দিনটিতে ব্যাট হাতে ঢাকার শাহদাত হোসেন দিপু। ৫০ রান করতে তরুণ এই ব্যাটার খরচ করেন ৪১ বল। ঢাকার হয়ে দিনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে তিনে নামা স্টিফেন ইসকিনজির ব্যাটে। ২৯ বলে এই বিদেশি ক্রিকেটার ৬ চার ও ২ ছক্কায় সাজান ইনিংস। বাকিদের কেউই রাখতে পারেননি মান। লিটন দাস ফিরেছিলেন শূন্য রানে। অধিনায়ক পেরেরা করেন ২১ রান। এরপর শেষদিকে তোপ দাগেন তাসকিন। বনেন বিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। তার বোলিংয়ে রাঙা দিনটিতে সহজ জয়ও পায় রাজশাহী।