ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ পেয়েছেন ২০ রাষ্ট্রদূত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ ও নৃশংসতা চালিয়েছে । পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নিরীহ রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি। তাই আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকারের অনুমতি নিয়ে মঙ্গলবার ২০ রাষ্ট্রদূত রাখাইন রাজ্য পরিদর্শন করেছেন। বিদেশি কূটনীতিকরা প্রথমবারের মতো সফরে যান।

পরিদর্শন শেষে এক বিবৃতিতে তারা জানান, তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো পরিদর্শনকালে ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বসতবাড়ির বাসিন্দারা অন্য কোথাও পালিয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, স্পেন, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কূটনীতিকরা এই সফরে অংশ নেন।

বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূতরা বলেন, আমরা দেখেছি গ্রামগুলো পুড়ে গেছে এবং সেখানে কোনো মানুষজন নেই। সেখানকার সহিংসতা অবশ্যই থামাতে হবে।

কূটনীতিকরা বলেন, আমরা ওই সফরে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখেছি এবং আমরা আরেকবার আহ্বান জানাচ্ছি সেখানে যেন মানুষ নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি ওই রাজ্যে জীবনরক্ষাকারী সেবা পৌঁছাতে হবে এবং অন্য রাজ্যের সাথে কোনো বৈষম্য রাখা যাবে না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সেনাবাহিনীর উচিত কোনো ধরনের বৈষম্য না করে রাখাইন রাজ্যের সব মানুষের জান-মাল রক্ষা করা। তারা বলেন, এই সহিংসতার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা তদন্ত হওয়া উচিত। কূটনীতিকরা ‘ইউএন ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন’কে রাখাইন রাজ্য পরিদর্শনের অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ পেয়েছেন ২০ রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ১২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ ও নৃশংসতা চালিয়েছে । পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নিরীহ রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি। তাই আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকারের অনুমতি নিয়ে মঙ্গলবার ২০ রাষ্ট্রদূত রাখাইন রাজ্য পরিদর্শন করেছেন। বিদেশি কূটনীতিকরা প্রথমবারের মতো সফরে যান।

পরিদর্শন শেষে এক বিবৃতিতে তারা জানান, তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো পরিদর্শনকালে ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বসতবাড়ির বাসিন্দারা অন্য কোথাও পালিয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, স্পেন, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কূটনীতিকরা এই সফরে অংশ নেন।

বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূতরা বলেন, আমরা দেখেছি গ্রামগুলো পুড়ে গেছে এবং সেখানে কোনো মানুষজন নেই। সেখানকার সহিংসতা অবশ্যই থামাতে হবে।

কূটনীতিকরা বলেন, আমরা ওই সফরে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখেছি এবং আমরা আরেকবার আহ্বান জানাচ্ছি সেখানে যেন মানুষ নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি ওই রাজ্যে জীবনরক্ষাকারী সেবা পৌঁছাতে হবে এবং অন্য রাজ্যের সাথে কোনো বৈষম্য রাখা যাবে না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সেনাবাহিনীর উচিত কোনো ধরনের বৈষম্য না করে রাখাইন রাজ্যের সব মানুষের জান-মাল রক্ষা করা। তারা বলেন, এই সহিংসতার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা তদন্ত হওয়া উচিত। কূটনীতিকরা ‘ইউএন ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন’কে রাখাইন রাজ্য পরিদর্শনের অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানান।