ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হিজাব না পরায় ইরানে তরুণীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানে হিজাব না পরায় মাহশা আমিনি (২২) নামে এক তরুণীকে আটক করে দেশটির ‘নৈতিক’ পুলিশ। এর পর তাদের হেফাজতে ‘হঠাৎ অসুস্থ’ হয়ে পড়েন ওই তরুণী।

এ ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি কোমায় চলে যান। পরে হাসপাতালেই শুক্রবার তার মৃত্যু হয়। খবর বিবিসির।

বৃহস্পতিবার তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করার পর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মারা যান তিনি।

এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ, হিজাব না পরার অপরাধে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে পুলিশ।

ইরানের স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পড়াশোনার সুবাদে ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশে থাকতেন তিনি।

মাহশা তার পরিবারের সঙ্গে তেহরান ঘুরতে আসেন। তখন কঠোর ড্রেস কোড না মানায় তাকে আটক করে ইরানি পুলিশের বিশেষ ইউনিট।

১৯৭৯ সালে দেশটিতে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই নারীদের জন্য ড্রেস কোড কঠোর করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

হিজাব না পরায় ইরানে তরুণীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:২২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানে হিজাব না পরায় মাহশা আমিনি (২২) নামে এক তরুণীকে আটক করে দেশটির ‘নৈতিক’ পুলিশ। এর পর তাদের হেফাজতে ‘হঠাৎ অসুস্থ’ হয়ে পড়েন ওই তরুণী।

এ ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি কোমায় চলে যান। পরে হাসপাতালেই শুক্রবার তার মৃত্যু হয়। খবর বিবিসির।

বৃহস্পতিবার তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করার পর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মারা যান তিনি।

এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ, হিজাব না পরার অপরাধে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে পুলিশ।

ইরানের স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পড়াশোনার সুবাদে ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশে থাকতেন তিনি।

মাহশা তার পরিবারের সঙ্গে তেহরান ঘুরতে আসেন। তখন কঠোর ড্রেস কোড না মানায় তাকে আটক করে ইরানি পুলিশের বিশেষ ইউনিট।

১৯৭৯ সালে দেশটিতে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই নারীদের জন্য ড্রেস কোড কঠোর করা হয়।