ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মিথ্যা মামলা দিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তা এখন নিজেরাই আসামি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিথ্যা মামলা ও সাক্ষী দিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তা এখন নিজেরাই আসামি হয়েছেন।শুল্ক পরিশোধের কাগজ থাকার পরও এক কিশোরকে আসামি করে স্বর্ণ চোরাচালানের মিথ্যা মামলা করা ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পালটা মামলা করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের এক বিচারক।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) ফেরদৌস আরা চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম জুয়েল দেবের আদালতে এই মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- পতেঙ্গা থানার সাবেক এসআই আনোয়ার হোসেন ও এসআই সুবীর পাল। তাদের মধ্যে একজন কিশোরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী আর আরেকজন তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন।পরে হাকিম আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এই দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি খন্দকার আরিফুল আলম বলেন, ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন পতেঙ্গা থানার এসআই আনোয়ার হোসেন। মামলায় শুল্ক না দিয়ে দুটি স্বর্ণের বার পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

তদন্ত শেষে এসআই সুবীর পাল ওই বছর অক্টোবরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) ফেরদৌস আরার আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেন। মামলার বিচারে বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্যও দেন।চলতি বছরের ৪ সেপ্টেম্বর বিচারক ফেরদৌস আরা মামলাটি খারিজ করে দিয়ে বলেন, শুল্ক পরিশোধের কাগজ থাকার পরও মিথ্যা মামলা করেছিল পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্যও ছিল মিথ্যা।

পরে বিচারক ফেরদৌস আরা মঙ্গলবার নিজে বাদী হয়ে ওই দুই পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল রাত পৌনে ১০টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন বাটারফ্লাই পার্কের সামনে তল্লাশি চৌকি থেকে দুটি স্বর্ণের বারসহ শিশুটিকে আটক করা হয়।

শিশুটির মা কুমিল্লার বাসিন্দা নারগিস আক্তার জানান, তার স্কুলপড়ুয়া ছেলে সেদিন পতেঙ্গায় বেড়াতে গিয়েছিল। তার চাচা বাহারাইন থেকে তাদের প্রতিবেশী এএইচএম সুমনের মাধ্যমে কিছু জিনিসপত্র পাঠায়। বিদেশ থেকে চাচার ফোন পেয়ে তার ছেলে সেদিন বিমানবন্দরে গিয়েছিল। তখন সুমন তাকে একটি প্যাকেট দেয়। সেটি নিয়ে ফেরার পথে তার ছেলেকে আটক করে পুলিশ পতেঙ্গা থানায় নিয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডি-৮ জোটে বাণিজ্যিক চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ বাংলাদেশের

মিথ্যা মামলা দিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তা এখন নিজেরাই আসামি

আপডেট সময় ০৭:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিথ্যা মামলা ও সাক্ষী দিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তা এখন নিজেরাই আসামি হয়েছেন।শুল্ক পরিশোধের কাগজ থাকার পরও এক কিশোরকে আসামি করে স্বর্ণ চোরাচালানের মিথ্যা মামলা করা ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পালটা মামলা করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের এক বিচারক।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) ফেরদৌস আরা চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম জুয়েল দেবের আদালতে এই মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- পতেঙ্গা থানার সাবেক এসআই আনোয়ার হোসেন ও এসআই সুবীর পাল। তাদের মধ্যে একজন কিশোরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী আর আরেকজন তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন।পরে হাকিম আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এই দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি খন্দকার আরিফুল আলম বলেন, ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন পতেঙ্গা থানার এসআই আনোয়ার হোসেন। মামলায় শুল্ক না দিয়ে দুটি স্বর্ণের বার পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

তদন্ত শেষে এসআই সুবীর পাল ওই বছর অক্টোবরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) ফেরদৌস আরার আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেন। মামলার বিচারে বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্যও দেন।চলতি বছরের ৪ সেপ্টেম্বর বিচারক ফেরদৌস আরা মামলাটি খারিজ করে দিয়ে বলেন, শুল্ক পরিশোধের কাগজ থাকার পরও মিথ্যা মামলা করেছিল পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্যও ছিল মিথ্যা।

পরে বিচারক ফেরদৌস আরা মঙ্গলবার নিজে বাদী হয়ে ওই দুই পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল রাত পৌনে ১০টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন বাটারফ্লাই পার্কের সামনে তল্লাশি চৌকি থেকে দুটি স্বর্ণের বারসহ শিশুটিকে আটক করা হয়।

শিশুটির মা কুমিল্লার বাসিন্দা নারগিস আক্তার জানান, তার স্কুলপড়ুয়া ছেলে সেদিন পতেঙ্গায় বেড়াতে গিয়েছিল। তার চাচা বাহারাইন থেকে তাদের প্রতিবেশী এএইচএম সুমনের মাধ্যমে কিছু জিনিসপত্র পাঠায়। বিদেশ থেকে চাচার ফোন পেয়ে তার ছেলে সেদিন বিমানবন্দরে গিয়েছিল। তখন সুমন তাকে একটি প্যাকেট দেয়। সেটি নিয়ে ফেরার পথে তার ছেলেকে আটক করে পুলিশ পতেঙ্গা থানায় নিয়ে যায়।