ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিমের দাম কমার উপায় জানালেন ওমর সানী

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

নিত্য পণ্যের বাজারে আগুন। এক এক করে বাড়ছে সব জিনিসপত্রের দাম। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে সবকিছু। মাছ, মাংস কিনতে না পেরে যেসব নিম্ন আয়ের মানুষ ব্রয়লার মুরগির ডিম দিয়ে চারটা ভাত খাচ্ছিলেন, আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে সেই পণ্যটির দামও।

বাজার দর বলছে, এক হালি (৪টা) ডিম কিনতে এখন ৫৫ টাকা খরচা করতে হচ্ছে। ডজন (১২টা) ১৬০-১৬৫ টাকা। সেক্ষেত্রে কেউ একটা ডিম কিনতে গেলে তাকে ১৫ টাকা গুণতে হচ্ছে। পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের দাবি, মুরগীর খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে ডিমের দাম।

এই যখন অবস্থা তখন ডিমের দাম কীভাবে কমতে পারে, সেই উপায় বাতলে দিলেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী।

দুপুরে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে এই অভিনেতা লিখেছেন, ‘এক দিন বা এক সপ্তাহ নয়, এক বছর ডিম না খেলেও মানুষ মরে যাবে না। ডিম পচনশীল দ্রব্য, এটা এক সপ্তাহ কেনা বন্ধ করে দিন, দেখবেন এর দাম কমে গেছে। চলেন তাই করি।’

এই পোস্টে অনেকে নেতিবাচক কমেন্ট করেছেন। ওমর সানীর মতো একজন তারকা এমন পোস্ট দিয়ে ব্যবসায়ীদের লোকসানের মুখে ফেলে দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন তারা। কেউ আবার অভিনেতার পোস্টকে দায়িত্বহীন বলে উল্লেখ করেছেন।

রেজাওয়ানুল হক রাজু নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘প্রিয় অভিনেতা আগে একটা ডিমের উৎপাদন খরচ জানুন তারপর না হয় এমন পোস্ট দিয়েন। খামারিদের কথা চিন্তা করুন। আপনাদের মতো সমাজে পরিচিত লোকদের কাছ থেকে এমন দায়িত্বহীন পোস্ট আসা করি না। আগে যেখানে লেয়ার মুরগীর ফিডের দাম ছিল ১৮০০ টাকা বস্তা, সেটা এখন বেড়ে হয়েছে ২৮৯০ টাকা।

জবাবে ওমর সানী লিখেছেন, ‘সিন্ডিকেটের কাছে দেশ জিম্মি। দাম বাড়লেই পণ্য বয়কট। উচিত শিক্ষা দিন! আপনাদের কেনার মধ্যে কমফোর্টেবল হতে হবে, অবশ্যই আপনাদের লাভ চাই আমরা!’ অনেকে আবার ওমর সানীর ওই পোস্টটির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ডিমের দাম কমার উপায় জানালেন ওমর সানী

আপডেট সময় ১০:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

নিত্য পণ্যের বাজারে আগুন। এক এক করে বাড়ছে সব জিনিসপত্রের দাম। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে সবকিছু। মাছ, মাংস কিনতে না পেরে যেসব নিম্ন আয়ের মানুষ ব্রয়লার মুরগির ডিম দিয়ে চারটা ভাত খাচ্ছিলেন, আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে সেই পণ্যটির দামও।

বাজার দর বলছে, এক হালি (৪টা) ডিম কিনতে এখন ৫৫ টাকা খরচা করতে হচ্ছে। ডজন (১২টা) ১৬০-১৬৫ টাকা। সেক্ষেত্রে কেউ একটা ডিম কিনতে গেলে তাকে ১৫ টাকা গুণতে হচ্ছে। পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের দাবি, মুরগীর খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে ডিমের দাম।

এই যখন অবস্থা তখন ডিমের দাম কীভাবে কমতে পারে, সেই উপায় বাতলে দিলেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী।

দুপুরে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে এই অভিনেতা লিখেছেন, ‘এক দিন বা এক সপ্তাহ নয়, এক বছর ডিম না খেলেও মানুষ মরে যাবে না। ডিম পচনশীল দ্রব্য, এটা এক সপ্তাহ কেনা বন্ধ করে দিন, দেখবেন এর দাম কমে গেছে। চলেন তাই করি।’

এই পোস্টে অনেকে নেতিবাচক কমেন্ট করেছেন। ওমর সানীর মতো একজন তারকা এমন পোস্ট দিয়ে ব্যবসায়ীদের লোকসানের মুখে ফেলে দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন তারা। কেউ আবার অভিনেতার পোস্টকে দায়িত্বহীন বলে উল্লেখ করেছেন।

রেজাওয়ানুল হক রাজু নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘প্রিয় অভিনেতা আগে একটা ডিমের উৎপাদন খরচ জানুন তারপর না হয় এমন পোস্ট দিয়েন। খামারিদের কথা চিন্তা করুন। আপনাদের মতো সমাজে পরিচিত লোকদের কাছ থেকে এমন দায়িত্বহীন পোস্ট আসা করি না। আগে যেখানে লেয়ার মুরগীর ফিডের দাম ছিল ১৮০০ টাকা বস্তা, সেটা এখন বেড়ে হয়েছে ২৮৯০ টাকা।

জবাবে ওমর সানী লিখেছেন, ‘সিন্ডিকেটের কাছে দেশ জিম্মি। দাম বাড়লেই পণ্য বয়কট। উচিত শিক্ষা দিন! আপনাদের কেনার মধ্যে কমফোর্টেবল হতে হবে, অবশ্যই আপনাদের লাভ চাই আমরা!’ অনেকে আবার ওমর সানীর ওই পোস্টটির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।