ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টেলরের আত্মজীবনীতে বর্ণবাদের অভিযোগ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কয়েক মাস পর লেখা নতুন আত্মজীবনী ‘রস টেলর ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’ গ্রন্থে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের এক করুণ চিত্রের কথা তুলে ধরেছেন রস টেলর, যা বিস্মিত করেছে পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে। মায়ের দিক থেকে আদিবাসী হওয়ায় তিনি অন্য খেলোয়াড়দের বর্ণবাদী মন্তব্যের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন, অন্য খেলোয়াড়রাও তাদের জাতিসত্তা নিয়ে সতীর্থদের কাছে উপহাসের শিকার হতেন।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডে প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে আত্মজীবনীর একাংশে টেলর লিখেছেন, নিউজিল্যান্ডে ক্রিকেটে শ্বেতাঙ্গদেরই প্রাধান্য। ভ্যানিলা লাইন-আপে দীর্ঘ সময় আমিই ব্যতিক্রম ছিলাম নিজের ‘ব্রাউন ফেস’ নিয়ে। এর যে নানা চ্যালেঞ্জও ছিল তাও জানিয়েছেন টেলর। বর্ণবৈষম্য থাকায় সতীর্থ ও দর্শকদের কাছেও অনেক অ-শ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটারকে নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। টেলর এমনও দাবি করেছেন, তাকে অনেকেই নিউজিল্যান্ডের নাগরিক না ভেবে, অন্য দেশের মনে করতেন।

গত এপ্রিলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে গেছেন এই কিউই কিংবদন্তি। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি) আজ জানিয়েছে, টেলরের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

সতীর্থদের কাছ থেকেই বর্ণবাদের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কোন পর্যায়ের খেলায়, তা নির্দিষ্ট করে বলেননি। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে টেলর জানিয়েছেন, ‘ড্রেসিংরুমের টিপ্পনি অনেকভাবেই চাপ বিস্তার করত। এক সতীর্থই আমাকে বলত, রস, তুমি অর্ধেক ভালো মানুষ। কিন্তু কোন অর্ধেকটা ভালো? আমি কী বোঝাচ্ছি সেটা তুমি জানো না। কিন্তু আমি বুঝে নিতাম। জাতিগত বিষয় নিয়ে এমন সব কথা অন্য খেলোয়াড়দেরও মেনে নিতে হয়েছে। একজন পাকেহা (নিউজিল্যান্ডের সাদা চামড়ার মানুষ) এসব শুনে ভাবত, ওহ, এসব তো স্রেফ ঠাট্টা–মশকরা। কিন্তু তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা সাদা চামড়ার মানুষ হিসেবে, আর এসব কথা তাদের শুনতে হয় না। তাই কোনো প্রতিবাদ হতো না, কেউ শুধরে দিত না। ’

টেলরের বর্ণবাদের শিকার হওয়ার ঘটনা শুনে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের এক মুখপাত্র গণমাধ্যমটিকে বলেছেন, ‘রস এই ধরনের আচরণের শিকার হওয়ায় আমরা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে অবশ্যই রসের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। ’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

টেলরের আত্মজীবনীতে বর্ণবাদের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:৪১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কয়েক মাস পর লেখা নতুন আত্মজীবনী ‘রস টেলর ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’ গ্রন্থে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের এক করুণ চিত্রের কথা তুলে ধরেছেন রস টেলর, যা বিস্মিত করেছে পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে। মায়ের দিক থেকে আদিবাসী হওয়ায় তিনি অন্য খেলোয়াড়দের বর্ণবাদী মন্তব্যের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন, অন্য খেলোয়াড়রাও তাদের জাতিসত্তা নিয়ে সতীর্থদের কাছে উপহাসের শিকার হতেন।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডে প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে আত্মজীবনীর একাংশে টেলর লিখেছেন, নিউজিল্যান্ডে ক্রিকেটে শ্বেতাঙ্গদেরই প্রাধান্য। ভ্যানিলা লাইন-আপে দীর্ঘ সময় আমিই ব্যতিক্রম ছিলাম নিজের ‘ব্রাউন ফেস’ নিয়ে। এর যে নানা চ্যালেঞ্জও ছিল তাও জানিয়েছেন টেলর। বর্ণবৈষম্য থাকায় সতীর্থ ও দর্শকদের কাছেও অনেক অ-শ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটারকে নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। টেলর এমনও দাবি করেছেন, তাকে অনেকেই নিউজিল্যান্ডের নাগরিক না ভেবে, অন্য দেশের মনে করতেন।

গত এপ্রিলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে গেছেন এই কিউই কিংবদন্তি। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি) আজ জানিয়েছে, টেলরের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

সতীর্থদের কাছ থেকেই বর্ণবাদের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কোন পর্যায়ের খেলায়, তা নির্দিষ্ট করে বলেননি। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে টেলর জানিয়েছেন, ‘ড্রেসিংরুমের টিপ্পনি অনেকভাবেই চাপ বিস্তার করত। এক সতীর্থই আমাকে বলত, রস, তুমি অর্ধেক ভালো মানুষ। কিন্তু কোন অর্ধেকটা ভালো? আমি কী বোঝাচ্ছি সেটা তুমি জানো না। কিন্তু আমি বুঝে নিতাম। জাতিগত বিষয় নিয়ে এমন সব কথা অন্য খেলোয়াড়দেরও মেনে নিতে হয়েছে। একজন পাকেহা (নিউজিল্যান্ডের সাদা চামড়ার মানুষ) এসব শুনে ভাবত, ওহ, এসব তো স্রেফ ঠাট্টা–মশকরা। কিন্তু তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা সাদা চামড়ার মানুষ হিসেবে, আর এসব কথা তাদের শুনতে হয় না। তাই কোনো প্রতিবাদ হতো না, কেউ শুধরে দিত না। ’

টেলরের বর্ণবাদের শিকার হওয়ার ঘটনা শুনে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের এক মুখপাত্র গণমাধ্যমটিকে বলেছেন, ‘রস এই ধরনের আচরণের শিকার হওয়ায় আমরা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে অবশ্যই রসের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। ’