ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল: খন্দকার মোশাররফ ৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে নতুন বার্তা পিসিবির ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী

যে ৮টি কথা আপনার সন্তানকে কখনোই বলা উচিত নয়

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সন্তান লালন পালনে প্রতিটি বাবা মাকে থাকতে হয় সর্তক। বাবা মার একটুখানি ভুল তাদের মধ্যে সৃষ্টি করতে পারে দূরত্ব। বড়দের তুলনায় বাচ্চারা বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকে। আপনি হয়তো বাচ্চার ভালোর জন্য তাকে বকা দিচ্ছেন, ভাবছেন একটু বকা দিলে তো কোন ক্ষতি নেই। এই একটু বকা আপনার বাচ্চার মনে খুব খারাপ প্রভাব ফেলছে। এটি তার ব্যক্তিত্বে অনেকখানি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শুধু ব্যক্তিত্বে নয় এটি আপনাদের সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এমন কিছু কথা আছে যা বাচ্চাদের সামনে বলা উচিত নয়। অথচ অসাবধান হয়ে আমরা প্রায় সময়ই এইরকম কথা বাচ্চাদেরকে বলে থাকি। এই কথাগুলো আপনার বাড়ন্ত শিশুকে বলা থেকে বিরত থাকুন।
১। আমাকে একা থাকতে দাও
এটা সত্য প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু সময় কাটানোর প্রয়োজন হয়। জীবনে এমন কোন এক সময় আসে, যখন সবাই একা একা থাকতে চায়। কিন্তু তাই বলে সন্তানকে সরাসরি বলবেন না, “আমাকে একা থাকতে দাও”। এটি তাদের মধ্যে নিরপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। সে মনে করে আপনি হয়তো আর তাকে ভালোবাসেন না।
২। তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না

প্রতিটি মানুষের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আপনার সন্তানেও এর ব্যতিক্রম নয়। সব কাজ সে করতে পারবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। যদি কোন কাজে ব্যর্থ হয়, তার মানে এই নয় যে তার দ্বারা কোন কাজ হবে না। তাকে সান্ত্বনা দিন। তার সমস্যা খুঁজে বের করে সমাধান করুন।
৪। তোমার ভাই বা আপুর মত হতে পারো না?

আপনার সন্তানকে তার ভাইবোন বা কাজিনের সাথে তুলনা করবেন না। প্রতিটি সন্তানই স্বতন্ত্র। আপনার এইরূপ তুলনা তার ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে। নিজের ভেতর হীনমন্যতা সৃষ্টি হয়।
৫। থাম! না হলে তোমাকে মারব

এই কথাটি প্রায় সব বাবা মায়েরা তার সন্তানদের বলে থাকেন। আপনি সন্তানকে মারেন কিংবা না মারেন এই কথাটি তার মনে বিদ্রোহী মনোভাব সৃষ্টি করে। শুধু তাই নয় এটি বাচ্চাদেরকে জেদী করে তোলে।
৬। তুমি কোন কাজ ঠিকমত করতে পারো না

একজন বাচ্চার ক্ষমতা সীমিত থাকে। সে সব কাজ নিখুঁত করার চেষ্টা করে। কিন্তু সবসময় তা পারফেক্ট নাও হতে পারে। তারমানে এই নয় তাকে দিয়ে কোন কাজ হবে না।
৭। তুমি খুব মোটা/শুকনো

কোন শিশুকে তার স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা উচিত নয়। এটি তার মধ্যে নিজের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে। তার শরীরের গঠন নিয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
৮। তুমি না জন্মালে ভাল হত

রাগ করে হোক অথবা অন্য যে কোন কারণেই হোক সন্তানকে এই ধরণের কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। এই একটি কথা আপনার প্রতি সন্তানের ঘৃণা তৈরির জন্য যথেষ্ট।

প্রতিটি বাবা মা তার সন্তানকে ভালোবাসে। আপনিও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু অনেক সময় আমরা এমন সব কথা বলে ফেলি যা সন্তানের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করলে এই ধরণের কথা বলা থেকে বিরত থাকা সম্ভব। মনে রাখবেন সন্তানের সাথে একবার সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেলে তা স্বাভাবিক করা সম্ভব হয় না

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল: খন্দকার মোশাররফ

যে ৮টি কথা আপনার সন্তানকে কখনোই বলা উচিত নয়

আপডেট সময় ১০:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সন্তান লালন পালনে প্রতিটি বাবা মাকে থাকতে হয় সর্তক। বাবা মার একটুখানি ভুল তাদের মধ্যে সৃষ্টি করতে পারে দূরত্ব। বড়দের তুলনায় বাচ্চারা বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকে। আপনি হয়তো বাচ্চার ভালোর জন্য তাকে বকা দিচ্ছেন, ভাবছেন একটু বকা দিলে তো কোন ক্ষতি নেই। এই একটু বকা আপনার বাচ্চার মনে খুব খারাপ প্রভাব ফেলছে। এটি তার ব্যক্তিত্বে অনেকখানি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শুধু ব্যক্তিত্বে নয় এটি আপনাদের সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এমন কিছু কথা আছে যা বাচ্চাদের সামনে বলা উচিত নয়। অথচ অসাবধান হয়ে আমরা প্রায় সময়ই এইরকম কথা বাচ্চাদেরকে বলে থাকি। এই কথাগুলো আপনার বাড়ন্ত শিশুকে বলা থেকে বিরত থাকুন।
১। আমাকে একা থাকতে দাও
এটা সত্য প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু সময় কাটানোর প্রয়োজন হয়। জীবনে এমন কোন এক সময় আসে, যখন সবাই একা একা থাকতে চায়। কিন্তু তাই বলে সন্তানকে সরাসরি বলবেন না, “আমাকে একা থাকতে দাও”। এটি তাদের মধ্যে নিরপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। সে মনে করে আপনি হয়তো আর তাকে ভালোবাসেন না।
২। তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না

প্রতিটি মানুষের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আপনার সন্তানেও এর ব্যতিক্রম নয়। সব কাজ সে করতে পারবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। যদি কোন কাজে ব্যর্থ হয়, তার মানে এই নয় যে তার দ্বারা কোন কাজ হবে না। তাকে সান্ত্বনা দিন। তার সমস্যা খুঁজে বের করে সমাধান করুন।
৪। তোমার ভাই বা আপুর মত হতে পারো না?

আপনার সন্তানকে তার ভাইবোন বা কাজিনের সাথে তুলনা করবেন না। প্রতিটি সন্তানই স্বতন্ত্র। আপনার এইরূপ তুলনা তার ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে। নিজের ভেতর হীনমন্যতা সৃষ্টি হয়।
৫। থাম! না হলে তোমাকে মারব

এই কথাটি প্রায় সব বাবা মায়েরা তার সন্তানদের বলে থাকেন। আপনি সন্তানকে মারেন কিংবা না মারেন এই কথাটি তার মনে বিদ্রোহী মনোভাব সৃষ্টি করে। শুধু তাই নয় এটি বাচ্চাদেরকে জেদী করে তোলে।
৬। তুমি কোন কাজ ঠিকমত করতে পারো না

একজন বাচ্চার ক্ষমতা সীমিত থাকে। সে সব কাজ নিখুঁত করার চেষ্টা করে। কিন্তু সবসময় তা পারফেক্ট নাও হতে পারে। তারমানে এই নয় তাকে দিয়ে কোন কাজ হবে না।
৭। তুমি খুব মোটা/শুকনো

কোন শিশুকে তার স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা উচিত নয়। এটি তার মধ্যে নিজের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে। তার শরীরের গঠন নিয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
৮। তুমি না জন্মালে ভাল হত

রাগ করে হোক অথবা অন্য যে কোন কারণেই হোক সন্তানকে এই ধরণের কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। এই একটি কথা আপনার প্রতি সন্তানের ঘৃণা তৈরির জন্য যথেষ্ট।

প্রতিটি বাবা মা তার সন্তানকে ভালোবাসে। আপনিও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু অনেক সময় আমরা এমন সব কথা বলে ফেলি যা সন্তানের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করলে এই ধরণের কথা বলা থেকে বিরত থাকা সম্ভব। মনে রাখবেন সন্তানের সাথে একবার সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেলে তা স্বাভাবিক করা সম্ভব হয় না