ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

খোলাবাজারে ডলারের দাম রেকর্ড ১১৫ টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে খোলাবাজারে ডলারের ১১৫ টাকা ছুঁয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ২৭ জুলাই খোলাবাজারে ডলারের দর উঠেছিল ১১২ টাকা।

সোমবার খোলাবাজারে প্রতি ডলার ১০৮ থেকে ১০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছিল। সেখান থেকে বাড়তে-বাড়তে তা ১১৫ টাকায় পৌঁছে।

খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকের আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্সেও ডলারের দরও বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, খোলাবাজার থেকে যে কেউ ডলার কিনতে পারেন। ব্যাংক থেকে কিনতে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট করতে হয়। যে কারণে অনেকে এখন খোলাবাজার থেকে ডলার কিনে শেয়ারবাজারের মতো বিনিয়োগ করছেন, যা অবৈধ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত ডলারের জোগান দেওয়া হচ্ছে। তারপরও ব্যাংক আর খোলাবাজারে ডলারের ব্যবধান অস্বাভাবিক। এখানে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশে ডলার সংকট তীব্র হয়ে উঠছে। খরচ কমানোর নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও কাটছে না এ সংকট। ব্যাংকগুলোতে ডলারের ঘাটতি এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে কোনো কোনো ব্যাংক থেকে এলসি খোলা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বড় কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারলেও ছোট ব্যাংকগুলোর পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

খোলাবাজারে ডলারের দাম রেকর্ড ১১৫ টাকা

আপডেট সময় ০৫:৫২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে খোলাবাজারে ডলারের ১১৫ টাকা ছুঁয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ২৭ জুলাই খোলাবাজারে ডলারের দর উঠেছিল ১১২ টাকা।

সোমবার খোলাবাজারে প্রতি ডলার ১০৮ থেকে ১০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছিল। সেখান থেকে বাড়তে-বাড়তে তা ১১৫ টাকায় পৌঁছে।

খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকের আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্সেও ডলারের দরও বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, খোলাবাজার থেকে যে কেউ ডলার কিনতে পারেন। ব্যাংক থেকে কিনতে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট করতে হয়। যে কারণে অনেকে এখন খোলাবাজার থেকে ডলার কিনে শেয়ারবাজারের মতো বিনিয়োগ করছেন, যা অবৈধ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত ডলারের জোগান দেওয়া হচ্ছে। তারপরও ব্যাংক আর খোলাবাজারে ডলারের ব্যবধান অস্বাভাবিক। এখানে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশে ডলার সংকট তীব্র হয়ে উঠছে। খরচ কমানোর নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও কাটছে না এ সংকট। ব্যাংকগুলোতে ডলারের ঘাটতি এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে কোনো কোনো ব্যাংক থেকে এলসি খোলা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বড় কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারলেও ছোট ব্যাংকগুলোর পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে।