ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তুরস্কে ফিরেই ‘হুমকি’ দিলেন এরদোগান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ইরানের রাজধানী তেহরানে বৈঠক করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

ইরান যাওয়ার আগ মুহূর্তে এরদোগান বলে গিয়েছিলেন, যদি ফিনল্যান্ড-সুইডেন তুরস্কের দাবি না মানে তাহলে তাদের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার অনুমোদন দেবে না তুরস্ক।

বুধবার ইরানে ফিরে সেই একই হুমকি দিয়েছেন এরদোগান। তিনি পুনরায় বলেছেন, তুরস্কের শর্ত পূরণ না হলে কোনোভাবেই ফিনল্যান্ড-সুইডেন ন্যাটোর সদস্যপদ পাবে না।

তাছাড়া স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের দেশ ও ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত বড় কিছু দেশের কঠোর সমালোচনা করেছেন এরদোগান। তিনি বলেছেন, এসব দেশ জঙ্গিবাদের বড় মদদদাতা।

তাদের জঙ্গিবাদ নিয়ে কথা বলার আর কোনো অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন এরদোগান।

তিনি বলেন, আমরা খোলাখুলিভাবে এবং পরিস্কারভাবে ফিনল্যান্ড-সুইডেনকে আমাদের শর্তের কথা জানিয়েছি। তখন ন্যাটো সেক্রেটারি জেনারেলও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন আমরা পিকেকে/পিওয়াইডি/ওয়াইপিজে এবং ফেতোকে অফিসিয়ালি জঙ্গি হিসেবে বিবেচনা করি এবং তাদের এসব সংগঠনের সদস্যদের ফেরত দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তারা তাদের সংসদেও জঙ্গিদের স্থান দেয়। যদি ফিনল্যান্ড-সুইডেন তাদের কথা না রাখে তাহলে ন্যাটোতে তাদের বিষয়টি আমাদের ইতিবাচক হিসেবে দেখা সম্ভব না।

এরদোগান এরপর ইউরোপের দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো বর্তমানে জঙ্গিদের আতুরঘর। এরমধ্যে রয়েছে নরওয়ে, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্য।

বর্তমানে জঙ্গিবাদ নিয়ে কথা বলার কোনো অধিকার পশ্চিমাদের নেই, যোগ করেন এরদোগান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তুরস্কে ফিরেই ‘হুমকি’ দিলেন এরদোগান

আপডেট সময় ০৯:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ইরানের রাজধানী তেহরানে বৈঠক করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

ইরান যাওয়ার আগ মুহূর্তে এরদোগান বলে গিয়েছিলেন, যদি ফিনল্যান্ড-সুইডেন তুরস্কের দাবি না মানে তাহলে তাদের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার অনুমোদন দেবে না তুরস্ক।

বুধবার ইরানে ফিরে সেই একই হুমকি দিয়েছেন এরদোগান। তিনি পুনরায় বলেছেন, তুরস্কের শর্ত পূরণ না হলে কোনোভাবেই ফিনল্যান্ড-সুইডেন ন্যাটোর সদস্যপদ পাবে না।

তাছাড়া স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের দেশ ও ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত বড় কিছু দেশের কঠোর সমালোচনা করেছেন এরদোগান। তিনি বলেছেন, এসব দেশ জঙ্গিবাদের বড় মদদদাতা।

তাদের জঙ্গিবাদ নিয়ে কথা বলার আর কোনো অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন এরদোগান।

তিনি বলেন, আমরা খোলাখুলিভাবে এবং পরিস্কারভাবে ফিনল্যান্ড-সুইডেনকে আমাদের শর্তের কথা জানিয়েছি। তখন ন্যাটো সেক্রেটারি জেনারেলও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন আমরা পিকেকে/পিওয়াইডি/ওয়াইপিজে এবং ফেতোকে অফিসিয়ালি জঙ্গি হিসেবে বিবেচনা করি এবং তাদের এসব সংগঠনের সদস্যদের ফেরত দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তারা তাদের সংসদেও জঙ্গিদের স্থান দেয়। যদি ফিনল্যান্ড-সুইডেন তাদের কথা না রাখে তাহলে ন্যাটোতে তাদের বিষয়টি আমাদের ইতিবাচক হিসেবে দেখা সম্ভব না।

এরদোগান এরপর ইউরোপের দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো বর্তমানে জঙ্গিদের আতুরঘর। এরমধ্যে রয়েছে নরওয়ে, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্য।

বর্তমানে জঙ্গিবাদ নিয়ে কথা বলার কোনো অধিকার পশ্চিমাদের নেই, যোগ করেন এরদোগান।