ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর পা ভেঙে দিলো আ.লীগ সমর্থকরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিনসহ তিনজনকে তুলে নিয়ে বেদম মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে নৌকার প্রার্থী নুরুল আমিনের ছেলেসহ তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এসময় চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিক, তার ছেলে ফেরদৌস হাসান মাহি, কর্মী রেদোয়ান হোসেনসহ তিনজন আহত হন।

আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত সালাউদ্দিন মানিককে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার বাম পাও ভেঙে দেয়া হয়।

সোমবার বিকাল তিনটার দিকে আহমদ মিয়া বাজারের নুরখা এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে নৌকার প্রার্থী নুরুল আমিনের ছেলে জুয়েলের নেতৃত্বে ১০/১৫ জনের একদল যুবক মানিকসহ তিনজনকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিক জানান, বিকাল তিনটার দিকে কুশাখালী ইউনিয়নের আহমদ মিয়া বাজারের নুর খা এলাকায় গণসংযোগ করছিলেন। এসময় বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিনের ছেলে জুয়েল হোসেন, ভাতিজা রাসেল ইসলাম, আফছার উদ্দিন, আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে নৌকার সমর্থকরা তিনটি সিএনজি নিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করে মানিকের গণসংযোগে বাধা দেয় এবং মারধর করে। এক পর্যায়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিকসহ তিনজনকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। পরে নলডগী এলাকা বেদম মারধর করে এবং মানিকের বাম পা ভেঙে দেয়া হয়। এসময় মানিকের ছেলে ফেরদৌস হাসান মাহি ও কর্মী রেদোয়ান হোসেনও আহত হয়। পরে পুলিশ এসে সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায়। সালাউদ্দিন মানিক এর আগেও এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। এর আগে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে অভিযুক্ত নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন, তাদের কোন মারধর করা হয়নি। নিজেরাই এ ঘটনা ঘটিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে এ নাটক সাজিয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি একে ফজলুল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে নলডগী এলাকা থেকে সালাউদ্দিন মানিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার স্বপন কুমার ভৌমিক জানান, এ বিষয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিক আহত হওয়ার খবর শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর পা ভেঙে দিলো আ.লীগ সমর্থকরা

আপডেট সময় ১০:০৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিনসহ তিনজনকে তুলে নিয়ে বেদম মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে নৌকার প্রার্থী নুরুল আমিনের ছেলেসহ তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এসময় চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিক, তার ছেলে ফেরদৌস হাসান মাহি, কর্মী রেদোয়ান হোসেনসহ তিনজন আহত হন।

আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত সালাউদ্দিন মানিককে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার বাম পাও ভেঙে দেয়া হয়।

সোমবার বিকাল তিনটার দিকে আহমদ মিয়া বাজারের নুরখা এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে নৌকার প্রার্থী নুরুল আমিনের ছেলে জুয়েলের নেতৃত্বে ১০/১৫ জনের একদল যুবক মানিকসহ তিনজনকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিক জানান, বিকাল তিনটার দিকে কুশাখালী ইউনিয়নের আহমদ মিয়া বাজারের নুর খা এলাকায় গণসংযোগ করছিলেন। এসময় বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিনের ছেলে জুয়েল হোসেন, ভাতিজা রাসেল ইসলাম, আফছার উদ্দিন, আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে নৌকার সমর্থকরা তিনটি সিএনজি নিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করে মানিকের গণসংযোগে বাধা দেয় এবং মারধর করে। এক পর্যায়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিকসহ তিনজনকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। পরে নলডগী এলাকা বেদম মারধর করে এবং মানিকের বাম পা ভেঙে দেয়া হয়। এসময় মানিকের ছেলে ফেরদৌস হাসান মাহি ও কর্মী রেদোয়ান হোসেনও আহত হয়। পরে পুলিশ এসে সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায়। সালাউদ্দিন মানিক এর আগেও এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। এর আগে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে অভিযুক্ত নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন, তাদের কোন মারধর করা হয়নি। নিজেরাই এ ঘটনা ঘটিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে এ নাটক সাজিয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি একে ফজলুল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে নলডগী এলাকা থেকে সালাউদ্দিন মানিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার স্বপন কুমার ভৌমিক জানান, এ বিষয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন মানিক আহত হওয়ার খবর শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।