ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৩।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) এ ভূমিকম্প হয়। খবর সিএনএন। পর্যবেক্ষকেরা ভূমিকম্পের পর বিপজ্জনক সুনামি ঢেউয়ের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল থেকে ১ হাজার কিলোমিটার উপকূল জুড়ে বিপজ্জনক ঢেউ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।

ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম। এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইন্দোনেশিয়ায় ঘন ঘন ভূমিকম্প হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। কারণ দেশটি রিং অব ফায়ার এবং আল্পাইড বেল্টের সংযোগস্থলে অবস্থিত। আগ্নেয়গিরি এবং ভূমিকম্প অঞ্চল হিসেবেও এটির পরিচিতি রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে সুমাত্রা উপকূলে ৯.১ মাত্রার এক ভূমিকম্প ও এরপরের সুনামিতে এ অঞ্চলজুড়ে দুই লাখ ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

আপডেট সময় ১২:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৩।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) এ ভূমিকম্প হয়। খবর সিএনএন। পর্যবেক্ষকেরা ভূমিকম্পের পর বিপজ্জনক সুনামি ঢেউয়ের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল থেকে ১ হাজার কিলোমিটার উপকূল জুড়ে বিপজ্জনক ঢেউ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।

ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম। এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইন্দোনেশিয়ায় ঘন ঘন ভূমিকম্প হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। কারণ দেশটি রিং অব ফায়ার এবং আল্পাইড বেল্টের সংযোগস্থলে অবস্থিত। আগ্নেয়গিরি এবং ভূমিকম্প অঞ্চল হিসেবেও এটির পরিচিতি রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে সুমাত্রা উপকূলে ৯.১ মাত্রার এক ভূমিকম্প ও এরপরের সুনামিতে এ অঞ্চলজুড়ে দুই লাখ ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।