ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে জবাব দেবে ইউরোপ: জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে ইউরোপও তার জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস। তবে তার আগে শান্তি আলোচনা চালানোর পক্ষে তিনি।

চ্যান্সেলর হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে প্যারিস ও ব্রাসেলসে গেছেন ওলাফ শলৎস। ফরাসী প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ ছাড়াও বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে।

শলৎস এমন এক সময়ে চ্যান্সেলরের দায়িত্ব নিয়েছেন যখন ইউক্রেন সীমান্তে মস্কোর সৈন্য সমাবেশ নিয়ে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। গত সপ্তাহে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছরের শুরুতে ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনীর হামলা চালাতে পারে।

এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে সতর্ক করেছেন। এমন অবস্থায় প্যারিসে শলৎস-মাক্রোঁ বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই এই ইস্যুটি প্রাধান্য পেয়েছে। রাশিয়া সত্যিই ইউক্রেনে হামলা চালালে ইউরোপীয় ইউনিয়নও যে বসে থাকবে না সেই অবস্থান ব্যক্ত করেন শলৎস।

তিনি বলেন, ‘‘যদি সীমান্ত লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে এটা পরিষ্কার যে জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্য অনেক দেশ এর জবাব দেবে।’’

তবে তার আগে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষপাতী শলৎস। নরম্যান্ডিতে জার্মানি, ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের আলোচনার একটি ভালো ভিত্তি আছে যা পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন, উদাহরণস্বরূপ নরম্যান্ডি আলোচনার কথা উল্লেখ করা যায়।’’

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়া ইস্যুতে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়ানোর পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেছে ফরাসী প্রেসিডেন্টও।

যেকোনো পরিস্থিতিতে জার্মানি ও ফ্রান্স যেন অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে একই অবস্থানে থাকে তার উপর জোর দেন শলৎস৷ মাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি ব্রাসেলসে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে তিনি ইউরোপের ঐক্য ধরে রাখার উপর জোর দেন। ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ও ইউরোপীয়ান কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

রাশিয়া ছাড়াও তাদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে ছিল ইরানের পরমাণু চুক্তি, নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন নিয়ে মতবিরোধ ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক। এইসব বিষয়ে ইইউর একক কৌশল নির্ধারণে জোর দেন শলৎস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে জবাব দেবে ইউরোপ: জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর

আপডেট সময় ১০:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে ইউরোপও তার জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস। তবে তার আগে শান্তি আলোচনা চালানোর পক্ষে তিনি।

চ্যান্সেলর হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে প্যারিস ও ব্রাসেলসে গেছেন ওলাফ শলৎস। ফরাসী প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ ছাড়াও বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে।

শলৎস এমন এক সময়ে চ্যান্সেলরের দায়িত্ব নিয়েছেন যখন ইউক্রেন সীমান্তে মস্কোর সৈন্য সমাবেশ নিয়ে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। গত সপ্তাহে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছরের শুরুতে ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনীর হামলা চালাতে পারে।

এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে সতর্ক করেছেন। এমন অবস্থায় প্যারিসে শলৎস-মাক্রোঁ বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই এই ইস্যুটি প্রাধান্য পেয়েছে। রাশিয়া সত্যিই ইউক্রেনে হামলা চালালে ইউরোপীয় ইউনিয়নও যে বসে থাকবে না সেই অবস্থান ব্যক্ত করেন শলৎস।

তিনি বলেন, ‘‘যদি সীমান্ত লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে এটা পরিষ্কার যে জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্য অনেক দেশ এর জবাব দেবে।’’

তবে তার আগে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষপাতী শলৎস। নরম্যান্ডিতে জার্মানি, ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের আলোচনার একটি ভালো ভিত্তি আছে যা পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন, উদাহরণস্বরূপ নরম্যান্ডি আলোচনার কথা উল্লেখ করা যায়।’’

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়া ইস্যুতে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়ানোর পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেছে ফরাসী প্রেসিডেন্টও।

যেকোনো পরিস্থিতিতে জার্মানি ও ফ্রান্স যেন অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে একই অবস্থানে থাকে তার উপর জোর দেন শলৎস৷ মাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি ব্রাসেলসে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে তিনি ইউরোপের ঐক্য ধরে রাখার উপর জোর দেন। ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ও ইউরোপীয়ান কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

রাশিয়া ছাড়াও তাদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে ছিল ইরানের পরমাণু চুক্তি, নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন নিয়ে মতবিরোধ ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক। এইসব বিষয়ে ইইউর একক কৌশল নির্ধারণে জোর দেন শলৎস।