ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে জবাব দেবে ইউরোপ: জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে ইউরোপও তার জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস। তবে তার আগে শান্তি আলোচনা চালানোর পক্ষে তিনি।

চ্যান্সেলর হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে প্যারিস ও ব্রাসেলসে গেছেন ওলাফ শলৎস। ফরাসী প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ ছাড়াও বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে।

শলৎস এমন এক সময়ে চ্যান্সেলরের দায়িত্ব নিয়েছেন যখন ইউক্রেন সীমান্তে মস্কোর সৈন্য সমাবেশ নিয়ে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। গত সপ্তাহে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছরের শুরুতে ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনীর হামলা চালাতে পারে।

এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে সতর্ক করেছেন। এমন অবস্থায় প্যারিসে শলৎস-মাক্রোঁ বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই এই ইস্যুটি প্রাধান্য পেয়েছে। রাশিয়া সত্যিই ইউক্রেনে হামলা চালালে ইউরোপীয় ইউনিয়নও যে বসে থাকবে না সেই অবস্থান ব্যক্ত করেন শলৎস।

তিনি বলেন, ‘‘যদি সীমান্ত লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে এটা পরিষ্কার যে জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্য অনেক দেশ এর জবাব দেবে।’’

তবে তার আগে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষপাতী শলৎস। নরম্যান্ডিতে জার্মানি, ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের আলোচনার একটি ভালো ভিত্তি আছে যা পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন, উদাহরণস্বরূপ নরম্যান্ডি আলোচনার কথা উল্লেখ করা যায়।’’

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়া ইস্যুতে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়ানোর পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেছে ফরাসী প্রেসিডেন্টও।

যেকোনো পরিস্থিতিতে জার্মানি ও ফ্রান্স যেন অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে একই অবস্থানে থাকে তার উপর জোর দেন শলৎস৷ মাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি ব্রাসেলসে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে তিনি ইউরোপের ঐক্য ধরে রাখার উপর জোর দেন। ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ও ইউরোপীয়ান কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

রাশিয়া ছাড়াও তাদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে ছিল ইরানের পরমাণু চুক্তি, নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন নিয়ে মতবিরোধ ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক। এইসব বিষয়ে ইইউর একক কৌশল নির্ধারণে জোর দেন শলৎস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে জবাব দেবে ইউরোপ: জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর

আপডেট সময় ১০:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া সীমান্ত লঙ্ঘন করলে ইউরোপও তার জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস। তবে তার আগে শান্তি আলোচনা চালানোর পক্ষে তিনি।

চ্যান্সেলর হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে প্যারিস ও ব্রাসেলসে গেছেন ওলাফ শলৎস। ফরাসী প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ ছাড়াও বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে।

শলৎস এমন এক সময়ে চ্যান্সেলরের দায়িত্ব নিয়েছেন যখন ইউক্রেন সীমান্তে মস্কোর সৈন্য সমাবেশ নিয়ে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। গত সপ্তাহে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছরের শুরুতে ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনীর হামলা চালাতে পারে।

এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে সতর্ক করেছেন। এমন অবস্থায় প্যারিসে শলৎস-মাক্রোঁ বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই এই ইস্যুটি প্রাধান্য পেয়েছে। রাশিয়া সত্যিই ইউক্রেনে হামলা চালালে ইউরোপীয় ইউনিয়নও যে বসে থাকবে না সেই অবস্থান ব্যক্ত করেন শলৎস।

তিনি বলেন, ‘‘যদি সীমান্ত লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে এটা পরিষ্কার যে জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্য অনেক দেশ এর জবাব দেবে।’’

তবে তার আগে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষপাতী শলৎস। নরম্যান্ডিতে জার্মানি, ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের আলোচনার একটি ভালো ভিত্তি আছে যা পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন, উদাহরণস্বরূপ নরম্যান্ডি আলোচনার কথা উল্লেখ করা যায়।’’

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়া ইস্যুতে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়ানোর পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেছে ফরাসী প্রেসিডেন্টও।

যেকোনো পরিস্থিতিতে জার্মানি ও ফ্রান্স যেন অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে একই অবস্থানে থাকে তার উপর জোর দেন শলৎস৷ মাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি ব্রাসেলসে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে তিনি ইউরোপের ঐক্য ধরে রাখার উপর জোর দেন। ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ও ইউরোপীয়ান কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

রাশিয়া ছাড়াও তাদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে ছিল ইরানের পরমাণু চুক্তি, নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন নিয়ে মতবিরোধ ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক। এইসব বিষয়ে ইইউর একক কৌশল নির্ধারণে জোর দেন শলৎস।