ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিএনপির এমপি হারুনের ৫ বছরের সাজা হাইকোর্টেও বহাল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্নীতি মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদের পাঁচ বছরের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই মামলায় চ্যানেল-৯ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এনায়েতুর রহমান বাপ্পীরও সাজা বহাল আছে।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর হারুন অর রশিদকে পাঁচ বছরের দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রি করে আত্মসাতের ঘটনায় দুদকের দায়ের করা মামলায় তাকে এ সাজা দেওয়া হয়। এ মামলায় আরও দুজনকে সাজা দেয়া হয়েছিল। তারা হলেন-ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমান বাপ্পী ও গাড়ি ব্যবসায়ী ইশতিয়াক সাদেক।

এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করেন এমপি হারুন। ওই বছরের ২৮ অক্টোবার আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের বেঞ্চ হারুনকে ৬ মাসের জামিন দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্ক মুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুন অর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা হয় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়। মামলার বাদী হলেন- পুলিশের উপপরিদর্শক ইউনুস আলী। মামলাটি তদন্ত করে হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোনায়েম হোসেন। পরে আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে হারুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২০ আগস্ট বিচার শুরু করেন। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর হারুন অর রশীদকে পাঁচ বছরের দণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বিএনপির এমপি হারুনের ৫ বছরের সাজা হাইকোর্টেও বহাল

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্নীতি মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদের পাঁচ বছরের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই মামলায় চ্যানেল-৯ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এনায়েতুর রহমান বাপ্পীরও সাজা বহাল আছে।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর হারুন অর রশিদকে পাঁচ বছরের দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রি করে আত্মসাতের ঘটনায় দুদকের দায়ের করা মামলায় তাকে এ সাজা দেওয়া হয়। এ মামলায় আরও দুজনকে সাজা দেয়া হয়েছিল। তারা হলেন-ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমান বাপ্পী ও গাড়ি ব্যবসায়ী ইশতিয়াক সাদেক।

এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করেন এমপি হারুন। ওই বছরের ২৮ অক্টোবার আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের বেঞ্চ হারুনকে ৬ মাসের জামিন দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্ক মুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুন অর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা হয় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়। মামলার বাদী হলেন- পুলিশের উপপরিদর্শক ইউনুস আলী। মামলাটি তদন্ত করে হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোনায়েম হোসেন। পরে আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে হারুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২০ আগস্ট বিচার শুরু করেন। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর হারুন অর রশীদকে পাঁচ বছরের দণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।