ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে (রাত ৩টায়) নিজেদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তারা তাদের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘অনাকাঙ্খিত ও নিরাপত্তাজনিত কারণবশত আলেশা মার্ট-এর সমস্ত অফিসিয়াল কার্যক্রম আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। গতকাল (১ ডিসেম্বর, বুধবার) আমাদের অফিসে কতিপয় লােক দ্বারা অফিস কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তােলা এবং বল প্রয়ােগের চেষ্টার কারণে আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছি। উল্লেখ্য যে, বলপ্রয়ােগকারীরা আমাদের কাস্টমার নয়, তাদের পেমেন্ট সিডিউল ছিল না এমনকি এসএমএস পায়নি। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পাওয়ার পরই পুনরায় আমাদের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ পরিস্থিতির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আলেশা মার্ট-এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’

তবে এ বিষয়ে আলেশা মার্টের ঊর্ধ্বতন কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি।

আলেশা মার্টের বনানীতে একটি কর্পোরেট এবং একটি রেজিস্ট্রার্ড অফিস রয়েছে। এছাড়াও তেজগাঁওয়ের নাসরিন টাওয়ারে তাদের আরেকটি অফিস রয়েছে। সেখান থেকেই গ্রাহকদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

২০২১ সালের ১ জানুয়ারি অনলাইনে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে আলেশা মার্ট। অন্যান্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টে বিশেষ মূল্যছাড়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির ৫ দফা ক্যাম্পেইন চালানো হয়। এসব ক্যাম্পেইনে ৪৫ হাজার গ্রাহক পণ্যের অর্ডার দেন। চার দফায় ক্যাম্পেইনের পণ্য ডেলিভারিও দেওয়া হয়। তবে পঞ্চম দফায় সাত হাজার ৩০০ গ্রাহকের অর্ডারের মোটরসাইকেল দিতে পারেনি আলেশা মার্ট। এসব অর্ডারের বিপরীতে গ্রাহকদের অন্তত ২০০ কোটি টাকা আটকে গেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটিতে।

ইভ্যালিসহ ইকমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এরই অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা অনুসন্ধান শুরু করলে ক্রেতাদের টাকা ফেরত দিতে সময় নেয় অলেশা মার্ট। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির বনানীর প্রধান কার্যালয়ে কাস্টমার কেয়ার কার্যক্রম বন্ধ হলে শীর্ষ কর্তারা গা ঢাকা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় ০১:২১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে (রাত ৩টায়) নিজেদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তারা তাদের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘অনাকাঙ্খিত ও নিরাপত্তাজনিত কারণবশত আলেশা মার্ট-এর সমস্ত অফিসিয়াল কার্যক্রম আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। গতকাল (১ ডিসেম্বর, বুধবার) আমাদের অফিসে কতিপয় লােক দ্বারা অফিস কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তােলা এবং বল প্রয়ােগের চেষ্টার কারণে আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছি। উল্লেখ্য যে, বলপ্রয়ােগকারীরা আমাদের কাস্টমার নয়, তাদের পেমেন্ট সিডিউল ছিল না এমনকি এসএমএস পায়নি। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পাওয়ার পরই পুনরায় আমাদের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ পরিস্থিতির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আলেশা মার্ট-এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’

তবে এ বিষয়ে আলেশা মার্টের ঊর্ধ্বতন কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি।

আলেশা মার্টের বনানীতে একটি কর্পোরেট এবং একটি রেজিস্ট্রার্ড অফিস রয়েছে। এছাড়াও তেজগাঁওয়ের নাসরিন টাওয়ারে তাদের আরেকটি অফিস রয়েছে। সেখান থেকেই গ্রাহকদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

২০২১ সালের ১ জানুয়ারি অনলাইনে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে আলেশা মার্ট। অন্যান্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টে বিশেষ মূল্যছাড়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির ৫ দফা ক্যাম্পেইন চালানো হয়। এসব ক্যাম্পেইনে ৪৫ হাজার গ্রাহক পণ্যের অর্ডার দেন। চার দফায় ক্যাম্পেইনের পণ্য ডেলিভারিও দেওয়া হয়। তবে পঞ্চম দফায় সাত হাজার ৩০০ গ্রাহকের অর্ডারের মোটরসাইকেল দিতে পারেনি আলেশা মার্ট। এসব অর্ডারের বিপরীতে গ্রাহকদের অন্তত ২০০ কোটি টাকা আটকে গেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটিতে।

ইভ্যালিসহ ইকমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এরই অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা অনুসন্ধান শুরু করলে ক্রেতাদের টাকা ফেরত দিতে সময় নেয় অলেশা মার্ট। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির বনানীর প্রধান কার্যালয়ে কাস্টমার কেয়ার কার্যক্রম বন্ধ হলে শীর্ষ কর্তারা গা ঢাকা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।