ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

লাইভে এসে কান্না, ক্ষমা চাইলেন মেয়র আব্বাস

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে পাপ হবে—এমন মন্তব্যের জেরে প্রথমবার ফেসবুক লাইভে এলেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বিতর্কিত মেয়র আব্বাস আলী। তবে তিনি কোথায় আছেন, তা কেউ জানেন না।

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে আসেন আব্বাস। কথা বলেন ১৯ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড। লাইভে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে অকপটে স্বীকার করেন তার ওই মন্তব্যের কথা।

দোষ স্বীকার করে মেয়র আব্বাস বলেন, অনেকদিন আগে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন একটি ঘরোয়া বৈঠকে। সেখানকার তোলপাড় করা এক মিনিট ৫১ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন আব্বাস।

তিনি বলেন, এই অডিও ক্লিপটা নিয়ে আজকে সারা বাংলাদেশে তোলপাড় চলছে। তবে আমি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করিনি। আমি বঙ্গবন্ধুকে প্রচন্ড ভালোবাসি এবং তার আদর্শকে ধারণ করে চলি। তার সম্পর্কে কোনো কথা বলার সুযোগ নেই। কিন্তু ম্যুরাল নিয়ে আমার কিছু বক্তব্য ছিল। আজকে এই বিষয়টি আমি সবার কাছে তাই স্পষ্ট করতে চাই।

আব্বার আলী বলেন, কাটাখালী মাদ্রাসার বড় হুজুরের আপত্তির কারণে তিনি রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের কাটাখালী পৌরসভা গেট নির্মাণস্থলে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ থেকে সরে আসেন। তবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল সেখানে নির্মাণ করার কথা তিনি এর অনেক আগেই তার ফেসবুকে প্রচার করেছিলেন।

মেয়ের বলেন, আমি একজন মুসলমান। তাই একজন আল্লাহওয়ালা লোকের কথা শুনে আমি আমার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি। এটা আমার যদি ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আমি ক্ষমা চাই। তবে এর জন্য আমাকে নানা ধরনের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। যে শাস্তি আমি সহ্য করতে পারছি না। বাড়িতে আমার মা অসুস্থ।

আব্বাস আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আমার পরিবারকে নানাভাবে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আর ছোট একটি ভুলের কারণে আমার বিরুদ্ধে এত ষড়যন্ত্র কেন করা হচ্ছে, তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমি তুলে ধরব আগামী ফেসবুক লাইভে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

লাইভে এসে কান্না, ক্ষমা চাইলেন মেয়র আব্বাস

আপডেট সময় ০৭:৪০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে পাপ হবে—এমন মন্তব্যের জেরে প্রথমবার ফেসবুক লাইভে এলেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বিতর্কিত মেয়র আব্বাস আলী। তবে তিনি কোথায় আছেন, তা কেউ জানেন না।

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে আসেন আব্বাস। কথা বলেন ১৯ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড। লাইভে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে অকপটে স্বীকার করেন তার ওই মন্তব্যের কথা।

দোষ স্বীকার করে মেয়র আব্বাস বলেন, অনেকদিন আগে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন একটি ঘরোয়া বৈঠকে। সেখানকার তোলপাড় করা এক মিনিট ৫১ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন আব্বাস।

তিনি বলেন, এই অডিও ক্লিপটা নিয়ে আজকে সারা বাংলাদেশে তোলপাড় চলছে। তবে আমি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করিনি। আমি বঙ্গবন্ধুকে প্রচন্ড ভালোবাসি এবং তার আদর্শকে ধারণ করে চলি। তার সম্পর্কে কোনো কথা বলার সুযোগ নেই। কিন্তু ম্যুরাল নিয়ে আমার কিছু বক্তব্য ছিল। আজকে এই বিষয়টি আমি সবার কাছে তাই স্পষ্ট করতে চাই।

আব্বার আলী বলেন, কাটাখালী মাদ্রাসার বড় হুজুরের আপত্তির কারণে তিনি রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের কাটাখালী পৌরসভা গেট নির্মাণস্থলে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ থেকে সরে আসেন। তবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল সেখানে নির্মাণ করার কথা তিনি এর অনেক আগেই তার ফেসবুকে প্রচার করেছিলেন।

মেয়ের বলেন, আমি একজন মুসলমান। তাই একজন আল্লাহওয়ালা লোকের কথা শুনে আমি আমার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি। এটা আমার যদি ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আমি ক্ষমা চাই। তবে এর জন্য আমাকে নানা ধরনের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। যে শাস্তি আমি সহ্য করতে পারছি না। বাড়িতে আমার মা অসুস্থ।

আব্বাস আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আমার পরিবারকে নানাভাবে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আর ছোট একটি ভুলের কারণে আমার বিরুদ্ধে এত ষড়যন্ত্র কেন করা হচ্ছে, তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমি তুলে ধরব আগামী ফেসবুক লাইভে।