ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

২০ মাস পর করোনায় মৃত্যুশূন্য বাংলাদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে গত এক দিনে মহামারি করোনাভাইরাসে কারও মৃত্যু হয়নি। এর ফলে ২০ মাস পর প্রথমবারের মতো মৃত্যুহীন থাকলো বাংলাদেশ। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় দেশে।

শনিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত এক দিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৫ হাজার ১০৭ জনের। এতে শনাক্ত হন ১৭৮ জন, যাতে শনাক্তে হার ১.১৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত ১ কোটি ৭ লাখ ৬ হাজার ৬৬২টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৯ জন, যাতে মোট শনাক্তের হার ১৪.৭০ শতাংশ।

এছাড়া, গত এক দিনে সুস্থ হয়েছেন ১৯০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬ জন। এদিকে দেশে গত এক দিনে কেউ মারা না যাওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা (২৭ হাজার ৯৪৬) আগেরটাই থাকলো।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। আর এর ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। এরপর কয়েক মাস মৃত্যু ও শনাক্ত ঊর্ধ্বগতিতে থাকার পর গত বছরের শেষ দিকে এসে তা অনেকটা কমে যায়। চলতি বছরের প্রথম তিন মাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে ছিল করোনা পরিস্থিতি। তবে মার্চের শেষ দিক থেকে দেশে বাড়তে থাকে করোনার প্রকোপ। এটাকে বিশেষজ্ঞরা করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা বলে জানান।

গত এপ্রিল মাস থেকে বাড়তে থাকা করোনার প্রকোপ চরম আকার ধারণ করে জুলাইয়ে। এই মাসে এক দিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া দিনে শনাক্তের সংখ্যাও ১৫ হাজার ছাড়ায়। তবে আগস্টের শেষ দিক থেকে করোনার প্রকোপ কমতে থাকে। সেপ্টেম্বর মাস পুরোটাই করোনার প্রকোপ নিম্নমুখী ছিল। অক্টোবরেও তা অব্যাহত রয়েছে।

দেশে করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে সংস্থাটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে। যেকোনো সময় করোনা আবার জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

২০ মাস পর করোনায় মৃত্যুশূন্য বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে গত এক দিনে মহামারি করোনাভাইরাসে কারও মৃত্যু হয়নি। এর ফলে ২০ মাস পর প্রথমবারের মতো মৃত্যুহীন থাকলো বাংলাদেশ। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় দেশে।

শনিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত এক দিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৫ হাজার ১০৭ জনের। এতে শনাক্ত হন ১৭৮ জন, যাতে শনাক্তে হার ১.১৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত ১ কোটি ৭ লাখ ৬ হাজার ৬৬২টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৯ জন, যাতে মোট শনাক্তের হার ১৪.৭০ শতাংশ।

এছাড়া, গত এক দিনে সুস্থ হয়েছেন ১৯০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬ জন। এদিকে দেশে গত এক দিনে কেউ মারা না যাওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা (২৭ হাজার ৯৪৬) আগেরটাই থাকলো।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। আর এর ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। এরপর কয়েক মাস মৃত্যু ও শনাক্ত ঊর্ধ্বগতিতে থাকার পর গত বছরের শেষ দিকে এসে তা অনেকটা কমে যায়। চলতি বছরের প্রথম তিন মাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে ছিল করোনা পরিস্থিতি। তবে মার্চের শেষ দিক থেকে দেশে বাড়তে থাকে করোনার প্রকোপ। এটাকে বিশেষজ্ঞরা করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা বলে জানান।

গত এপ্রিল মাস থেকে বাড়তে থাকা করোনার প্রকোপ চরম আকার ধারণ করে জুলাইয়ে। এই মাসে এক দিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া দিনে শনাক্তের সংখ্যাও ১৫ হাজার ছাড়ায়। তবে আগস্টের শেষ দিক থেকে করোনার প্রকোপ কমতে থাকে। সেপ্টেম্বর মাস পুরোটাই করোনার প্রকোপ নিম্নমুখী ছিল। অক্টোবরেও তা অব্যাহত রয়েছে।

দেশে করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে সংস্থাটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে। যেকোনো সময় করোনা আবার জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।