ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মেয়েকে হত্যার পর থানায় অভিযোগ বাবার, উল্টো নিজেই ধরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ বছরের শিশু কন্যা ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্ত আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে এলিট ফোর্সটি।

বুধবার সকালে র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজের সাত দিন গত ১৪ নভেম্বর কুমিল্লার দেবিদ্বারের এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর গ্রামের নজরুল মাস্টারের বাড়ির সামনের একটি ঝোঁপ থেকে বাজারের ব্যাগে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা নিজেই থানায় অভিযোগ করেন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, শিশু ফাহিমা ৭ নভেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ ও মাইকিং করে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আমির হোসেন ১১ নভেম্বর থানায় উপস্থিত হয়ে নিজেই নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা দল ও র‍্যাব-১১ এর একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাবা আমির হোসেনসহ অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুপুরে কারওয়ান বাজার র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করে বিস্তারিত বলা হবে বলে জানান কমান্ডার মঈন। এদিকে ঘটনার সময় স্থানীয় কাচিসাইর গ্রামের গৃহবধূ

আমেনা বেগম নামে গণমাধ্যমে জানান, শিশুটির চেহারা বিকৃত ছিল। আর শরীর ফোলা ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত ছিল এবং কানের লতিগুলো ছেঁড়া ছিল।

নিহতের মা হোছনা আক্তার ও দাদা জহিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের পর জানিয়েছিলেন শিশুটির কানে এক জোড়া স্বর্ণের রিং ছিল, সেগুলো ছিনিয়ে নিতেই কেউ কানের লতি ছিঁড়ে ফেলে এবং তাদের চিনে ফেলার ভয়ে তাকে হত্যা করতে পারে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু র‌্যাবের অভিযানে শিশুটির বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমির পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মেয়েকে হত্যার পর থানায় অভিযোগ বাবার, উল্টো নিজেই ধরা

আপডেট সময় ১২:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ বছরের শিশু কন্যা ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্ত আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে এলিট ফোর্সটি।

বুধবার সকালে র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজের সাত দিন গত ১৪ নভেম্বর কুমিল্লার দেবিদ্বারের এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর গ্রামের নজরুল মাস্টারের বাড়ির সামনের একটি ঝোঁপ থেকে বাজারের ব্যাগে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা নিজেই থানায় অভিযোগ করেন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, শিশু ফাহিমা ৭ নভেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ ও মাইকিং করে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আমির হোসেন ১১ নভেম্বর থানায় উপস্থিত হয়ে নিজেই নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা দল ও র‍্যাব-১১ এর একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাবা আমির হোসেনসহ অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুপুরে কারওয়ান বাজার র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করে বিস্তারিত বলা হবে বলে জানান কমান্ডার মঈন। এদিকে ঘটনার সময় স্থানীয় কাচিসাইর গ্রামের গৃহবধূ

আমেনা বেগম নামে গণমাধ্যমে জানান, শিশুটির চেহারা বিকৃত ছিল। আর শরীর ফোলা ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত ছিল এবং কানের লতিগুলো ছেঁড়া ছিল।

নিহতের মা হোছনা আক্তার ও দাদা জহিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের পর জানিয়েছিলেন শিশুটির কানে এক জোড়া স্বর্ণের রিং ছিল, সেগুলো ছিনিয়ে নিতেই কেউ কানের লতি ছিঁড়ে ফেলে এবং তাদের চিনে ফেলার ভয়ে তাকে হত্যা করতে পারে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু র‌্যাবের অভিযানে শিশুটির বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমির পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিলেন।