ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মেয়েকে হত্যার পর থানায় অভিযোগ বাবার, উল্টো নিজেই ধরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ বছরের শিশু কন্যা ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্ত আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে এলিট ফোর্সটি।

বুধবার সকালে র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজের সাত দিন গত ১৪ নভেম্বর কুমিল্লার দেবিদ্বারের এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর গ্রামের নজরুল মাস্টারের বাড়ির সামনের একটি ঝোঁপ থেকে বাজারের ব্যাগে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা নিজেই থানায় অভিযোগ করেন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, শিশু ফাহিমা ৭ নভেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ ও মাইকিং করে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আমির হোসেন ১১ নভেম্বর থানায় উপস্থিত হয়ে নিজেই নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা দল ও র‍্যাব-১১ এর একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাবা আমির হোসেনসহ অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুপুরে কারওয়ান বাজার র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করে বিস্তারিত বলা হবে বলে জানান কমান্ডার মঈন। এদিকে ঘটনার সময় স্থানীয় কাচিসাইর গ্রামের গৃহবধূ

আমেনা বেগম নামে গণমাধ্যমে জানান, শিশুটির চেহারা বিকৃত ছিল। আর শরীর ফোলা ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত ছিল এবং কানের লতিগুলো ছেঁড়া ছিল।

নিহতের মা হোছনা আক্তার ও দাদা জহিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের পর জানিয়েছিলেন শিশুটির কানে এক জোড়া স্বর্ণের রিং ছিল, সেগুলো ছিনিয়ে নিতেই কেউ কানের লতি ছিঁড়ে ফেলে এবং তাদের চিনে ফেলার ভয়ে তাকে হত্যা করতে পারে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু র‌্যাবের অভিযানে শিশুটির বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমির পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উত্তোলনে নতুন রেকর্ড গড়ল জিটিসি

মেয়েকে হত্যার পর থানায় অভিযোগ বাবার, উল্টো নিজেই ধরা

আপডেট সময় ১২:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাঁচ বছরের শিশু কন্যা ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্ত আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে এলিট ফোর্সটি।

বুধবার সকালে র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজের সাত দিন গত ১৪ নভেম্বর কুমিল্লার দেবিদ্বারের এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর গ্রামের নজরুল মাস্টারের বাড়ির সামনের একটি ঝোঁপ থেকে বাজারের ব্যাগে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা নিজেই থানায় অভিযোগ করেন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, শিশু ফাহিমা ৭ নভেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ ও মাইকিং করে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আমির হোসেন ১১ নভেম্বর থানায় উপস্থিত হয়ে নিজেই নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা দল ও র‍্যাব-১১ এর একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাবা আমির হোসেনসহ অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুপুরে কারওয়ান বাজার র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করে বিস্তারিত বলা হবে বলে জানান কমান্ডার মঈন। এদিকে ঘটনার সময় স্থানীয় কাচিসাইর গ্রামের গৃহবধূ

আমেনা বেগম নামে গণমাধ্যমে জানান, শিশুটির চেহারা বিকৃত ছিল। আর শরীর ফোলা ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত ছিল এবং কানের লতিগুলো ছেঁড়া ছিল।

নিহতের মা হোছনা আক্তার ও দাদা জহিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের পর জানিয়েছিলেন শিশুটির কানে এক জোড়া স্বর্ণের রিং ছিল, সেগুলো ছিনিয়ে নিতেই কেউ কানের লতি ছিঁড়ে ফেলে এবং তাদের চিনে ফেলার ভয়ে তাকে হত্যা করতে পারে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু র‌্যাবের অভিযানে শিশুটির বাবা আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমির পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিলেন।