ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের কাছে দ্বিতীয় স্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ: বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে কেমিক্যাল কারখানায় আগুন, ফায়ার ফাইটারসহ আহত ৫ দেশে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস

ছাত্রীর সন্তান কোলে নিয়ে ক্লাস নিলেন রাবি অধ্যাপক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছাত্রীর শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে ক্লাস করিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়ার সময় এক ছাত্রীর কন্যা সন্তানকে কোলে তুলে নেন ওই অধ্যাপক।

শিশুটিকে কোলে নিয়ে ক্লাস করানোর ছবি ফেসবুকে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ গ্রুপে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আপলোড করার পর সেটি ভাইরাল হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় শিক্ষকের প্রশংসা করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান ডায়াসের ওপর দাঁড়িয়ে এক ছাত্রীর কন্যা শিশুকে কোলে নিয়ে পাঠদান করছেন। পরম মমতায় শিশুটি কচি হাতে তার বুক আঁকড়ে আছে।

আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা জানান, করোনার পরিস্থিতিতে দীর্ঘ বন্ধের সময় অনেক ছাত্রীর বিয়ে হয়ে যায়। এর মধ্যে কয়েকজন সন্তানের জননীও হয়েছেন। তেমনই একজন হলেন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মারুফা তাসনিম। বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘প্রাইভেট ইন্টারন্যাশনাল ল’ কোর্সের ক্লাস করতে সন্তানকে নিয়ে আসেন তিনি। ছোট শিশুটি বারবার নড়াচড়া করলে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয় ওই ছাত্রীর। এ সময় শিশুকে নিজ কোলে তুলে নিয়ে পাঠদান চলমান রাখেন অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান।

এ ব্যাপারে অধ্যাপক আনিসুর রহমান বলেন, ছবিটি যে ফেসবুকে ছড়িয়ে গেছে তা আমার জানা নেই। বৃহস্পতিবার আমার ক্লাসে তিনজন ছাত্রী তাদের সন্তান নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে প্রথম বেঞ্চে বসা ওই শিক্ষার্থীর সন্তান আমার দিকে বারবার আসতে চাচ্ছিল। এতে শিক্ষার্থীর মনযোগ কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। যে কারণে আমি নিজে তার সন্তানকে কোলে নিয়ে ক্লাস চলমান রাখি। করোনা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ক্লাসে আসছেন, এটি আমাদের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। আশা করি, সশরীরে আমরা দ্রুত সব ক্লাস নিয়ে সিলেবাস শেষ করতে পারবো। এতে শিক্ষার্থীদের করোনাকালীন সময়ের যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কিছুটা কমবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

ছাত্রীর সন্তান কোলে নিয়ে ক্লাস নিলেন রাবি অধ্যাপক

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছাত্রীর শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে ক্লাস করিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়ার সময় এক ছাত্রীর কন্যা সন্তানকে কোলে তুলে নেন ওই অধ্যাপক।

শিশুটিকে কোলে নিয়ে ক্লাস করানোর ছবি ফেসবুকে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ গ্রুপে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আপলোড করার পর সেটি ভাইরাল হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় শিক্ষকের প্রশংসা করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান ডায়াসের ওপর দাঁড়িয়ে এক ছাত্রীর কন্যা শিশুকে কোলে নিয়ে পাঠদান করছেন। পরম মমতায় শিশুটি কচি হাতে তার বুক আঁকড়ে আছে।

আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা জানান, করোনার পরিস্থিতিতে দীর্ঘ বন্ধের সময় অনেক ছাত্রীর বিয়ে হয়ে যায়। এর মধ্যে কয়েকজন সন্তানের জননীও হয়েছেন। তেমনই একজন হলেন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মারুফা তাসনিম। বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘প্রাইভেট ইন্টারন্যাশনাল ল’ কোর্সের ক্লাস করতে সন্তানকে নিয়ে আসেন তিনি। ছোট শিশুটি বারবার নড়াচড়া করলে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয় ওই ছাত্রীর। এ সময় শিশুকে নিজ কোলে তুলে নিয়ে পাঠদান চলমান রাখেন অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান।

এ ব্যাপারে অধ্যাপক আনিসুর রহমান বলেন, ছবিটি যে ফেসবুকে ছড়িয়ে গেছে তা আমার জানা নেই। বৃহস্পতিবার আমার ক্লাসে তিনজন ছাত্রী তাদের সন্তান নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে প্রথম বেঞ্চে বসা ওই শিক্ষার্থীর সন্তান আমার দিকে বারবার আসতে চাচ্ছিল। এতে শিক্ষার্থীর মনযোগ কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। যে কারণে আমি নিজে তার সন্তানকে কোলে নিয়ে ক্লাস চলমান রাখি। করোনা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ক্লাসে আসছেন, এটি আমাদের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। আশা করি, সশরীরে আমরা দ্রুত সব ক্লাস নিয়ে সিলেবাস শেষ করতে পারবো। এতে শিক্ষার্থীদের করোনাকালীন সময়ের যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কিছুটা কমবে।