ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়নের আলামত পেয়েছে এইচআরডাব্লিউ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হত্যা-ধর্ষণ-উচ্ছেদের বিপুল আলামত পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ)। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ৪টি ক্ষেত্র শনাক্ত করেছে সংস্থাটি।

সোমবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নকে মানবতাবিরোধী অপরাধ আখ্যা দিয়েছে এইচআরডাব্লিউ। সেনাবাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রগুলো হলো ক) কোনো জনগোষ্ঠীকে স্থানান্তরিত ও বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য করা, খ) হত্যা, গ) ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন সন্ত্রাস এবং ঘ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) রোম স্ট্যাচুর দৃষ্টিতে নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড করা।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গুরুতরভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনী যে নিপীড়ন চালিয়েছে তা আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। ক’দিন আগে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী এখনো বাংলাদেশসংলগ্ন সীমান্তে স্থলমাইন পুঁতে রাখছে বলে প্রমাণ হাজির করে এইচআরডাব্লিউ।

প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ, স্বাধীন সংবাদকর্মীর প্রতিবেদন আর এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোকচিত্রর তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা জানায়, গত কয়েক সপ্তাহেও অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। এই মাইনের ব্যবহার আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিল পুলিশ

রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়নের আলামত পেয়েছে এইচআরডাব্লিউ

আপডেট সময় ০১:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হত্যা-ধর্ষণ-উচ্ছেদের বিপুল আলামত পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ)। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ৪টি ক্ষেত্র শনাক্ত করেছে সংস্থাটি।

সোমবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নকে মানবতাবিরোধী অপরাধ আখ্যা দিয়েছে এইচআরডাব্লিউ। সেনাবাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রগুলো হলো ক) কোনো জনগোষ্ঠীকে স্থানান্তরিত ও বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য করা, খ) হত্যা, গ) ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন সন্ত্রাস এবং ঘ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) রোম স্ট্যাচুর দৃষ্টিতে নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড করা।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গুরুতরভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনী যে নিপীড়ন চালিয়েছে তা আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। ক’দিন আগে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী এখনো বাংলাদেশসংলগ্ন সীমান্তে স্থলমাইন পুঁতে রাখছে বলে প্রমাণ হাজির করে এইচআরডাব্লিউ।

প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ, স্বাধীন সংবাদকর্মীর প্রতিবেদন আর এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোকচিত্রর তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা জানায়, গত কয়েক সপ্তাহেও অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। এই মাইনের ব্যবহার আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ।