ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দাড়ি কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো তালেবান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দিন যত গড়াচ্ছে আফগানিস্তানে পুরনো সব বিধি-নিষেধগুলোকে ফিরিয়ে আনছে তালেবান। আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে এবার সেলুনে গিয়ে দাড়ি কাটায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালেবান।

দেশটির নাপিতদের কড়া ভাষায় বলে দেওয়া হয়েছে। তাদের কেউ যেন শেভ কিংবা দাড়ি ছাঁটার কোন কাজ না করেন।
তালেবানের ধর্মীয় পুলিশের মতে, দাড়ি শেভ করা ইসলামিক আইনের লঙ্ঘন। আর এই কাজটি যে করবে তাকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানায়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নাপিতরাও একই ধরনের নির্দেশ পেয়েছেন বলে তারা দাবি করছেন। আর হেলমান্দ প্রদেশের সেলুনগুলোতে হঠাৎ করেই তালেবানের নির্দেশিকাসংবলিত একটি পোস্টার টানিয়ে দেওয়া হয়।

এই পোস্টারে বলা হয়, চুল-দাড়ি কাটায় সেলুনে কাজ করা নাপিতদের অবশ্যই ইসলামি শরিয়া আইন মেনে চলতে হবে। এ ব্যাপারে কারো দ্বিমতের অধিকার নেই।

কাবুলের এক নাপিত বিবিসিকে বলেন, যোদ্ধারা (তালেবান) মাঝেমধ্যে আসছেন। আর দাড়ি ছাঁটা বন্ধ করার নির্দেশ দিচ্ছেন। দেশটির এক অফিসার এমনও বলেছেন, নির্দেশ অমান্যকারীদের ধরতে গোপনে অনুসন্ধান চালানো হবে।

কাবুলের সবচেয়ে বড় সেলুনটির এক নাপিত জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি তাকে ফোন করেছিলেন। চুল-দাড়ি কাটায় আমেরিকান স্টাইল বন্ধ করাসহ দাড়ি শেভ কিংবা ছোট না করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রথমবার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়ও তালেবানরা আফগানদের চুল-দাড়ি কাটায় এ ধরনের নির্দেশ জারি করেছিল। সেসময় প্রাপ্তবয়স্ক আফগানদের মুখে দাড়ি না থাকা ছিল একটি বিরল ঘটনা। তবে, মার্কিন বাহিনী থাকা অবস্থায় অসংখ্য তালেবানের মধ্যে নিয়মিত শেভ কিংবা নানা স্টাইলে দাড়ি ছেঁটে রাখার অভ্যাস গড়ে উঠেছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দাড়ি কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো তালেবান

আপডেট সময় ০১:২৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দিন যত গড়াচ্ছে আফগানিস্তানে পুরনো সব বিধি-নিষেধগুলোকে ফিরিয়ে আনছে তালেবান। আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে এবার সেলুনে গিয়ে দাড়ি কাটায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালেবান।

দেশটির নাপিতদের কড়া ভাষায় বলে দেওয়া হয়েছে। তাদের কেউ যেন শেভ কিংবা দাড়ি ছাঁটার কোন কাজ না করেন।
তালেবানের ধর্মীয় পুলিশের মতে, দাড়ি শেভ করা ইসলামিক আইনের লঙ্ঘন। আর এই কাজটি যে করবে তাকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানায়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নাপিতরাও একই ধরনের নির্দেশ পেয়েছেন বলে তারা দাবি করছেন। আর হেলমান্দ প্রদেশের সেলুনগুলোতে হঠাৎ করেই তালেবানের নির্দেশিকাসংবলিত একটি পোস্টার টানিয়ে দেওয়া হয়।

এই পোস্টারে বলা হয়, চুল-দাড়ি কাটায় সেলুনে কাজ করা নাপিতদের অবশ্যই ইসলামি শরিয়া আইন মেনে চলতে হবে। এ ব্যাপারে কারো দ্বিমতের অধিকার নেই।

কাবুলের এক নাপিত বিবিসিকে বলেন, যোদ্ধারা (তালেবান) মাঝেমধ্যে আসছেন। আর দাড়ি ছাঁটা বন্ধ করার নির্দেশ দিচ্ছেন। দেশটির এক অফিসার এমনও বলেছেন, নির্দেশ অমান্যকারীদের ধরতে গোপনে অনুসন্ধান চালানো হবে।

কাবুলের সবচেয়ে বড় সেলুনটির এক নাপিত জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি তাকে ফোন করেছিলেন। চুল-দাড়ি কাটায় আমেরিকান স্টাইল বন্ধ করাসহ দাড়ি শেভ কিংবা ছোট না করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রথমবার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়ও তালেবানরা আফগানদের চুল-দাড়ি কাটায় এ ধরনের নির্দেশ জারি করেছিল। সেসময় প্রাপ্তবয়স্ক আফগানদের মুখে দাড়ি না থাকা ছিল একটি বিরল ঘটনা। তবে, মার্কিন বাহিনী থাকা অবস্থায় অসংখ্য তালেবানের মধ্যে নিয়মিত শেভ কিংবা নানা স্টাইলে দাড়ি ছেঁটে রাখার অভ্যাস গড়ে উঠেছিল।