ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নিবন্ধন করেও টিকা না পাওয়াদের এবারের ক্যাম্পেইনে অগ্রাধিকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে আবারও টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। দীর্ঘদিন টিকা পেতে নিবন্ধন করেও যারা টিকা পাননি এবারের ক্যাম্পেইনে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রোববার দুপুরে দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকা কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, যারা অনেকদিন নিবন্ধন করেছেন কিন্তু টিকা পাননি এবং অপেক্ষায় আছেন, তাদের অবশ্যই আমরা অগ্রাধিকার দেব। আপনারা জানেন, প্রথমদিকে নিবন্ধন একেবারে অনেকগুলো হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে আমাদের একটি জট তৈরি হয়েছিল। কোনো কোনো দিন ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের নিবন্ধন হয়েছিল। এখন আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা আছে, এখন আর জট থাকবে না।

এর আগে গত ৭ আগস্ট থেকে প্রথম ধাপে গণটিকা দেওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার। সেসময় পাঁচ দিনের জন্য চলে এ কার্যক্রম। তবে টিকার সংকটের কারণে সেই কার্যক্রম আর চালু রাখতে পারেনি সরকার। সেসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রত্যাশিত টিকা পেলে গণটিকা কর্মসূচি নিয়ে ভাবা হবে।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে গণটিকাদান কর্মসূচি চলবে। এবারে গণটিকাদান কর্মসূচির প্রতিদিন ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার টার্গেট ধরা হয়েছে। এই টার্গেট পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের কর্মসূচি চলবে। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে টিকা দেওয়া হবে।

এর পাশাপাশি নিয়মিত চলমান কর্মসূচিও চলবে বলে জানান জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, বর্তমানে নিয়মিত কর্মসূচিতেও প্রতিদিন ছয় লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।

এবারের টিকাদান কর্মসূচিকে ‘গ্রাম-গঞ্জ’ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, সেখানে দরিদ্র জনগোষ্ঠী রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকে বয়স্ক রয়েছেন, হার্ড টু রিচ এলাকায়- যারা সবসময় টিকাদান কেন্দ্রে আসতেও পারে না, তাদের জন্য এবারের টিকাদান কর্মসূচি চলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নিবন্ধন করেও টিকা না পাওয়াদের এবারের ক্যাম্পেইনে অগ্রাধিকার

আপডেট সময় ০৪:৫০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে আবারও টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। দীর্ঘদিন টিকা পেতে নিবন্ধন করেও যারা টিকা পাননি এবারের ক্যাম্পেইনে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রোববার দুপুরে দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকা কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, যারা অনেকদিন নিবন্ধন করেছেন কিন্তু টিকা পাননি এবং অপেক্ষায় আছেন, তাদের অবশ্যই আমরা অগ্রাধিকার দেব। আপনারা জানেন, প্রথমদিকে নিবন্ধন একেবারে অনেকগুলো হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে আমাদের একটি জট তৈরি হয়েছিল। কোনো কোনো দিন ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের নিবন্ধন হয়েছিল। এখন আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা আছে, এখন আর জট থাকবে না।

এর আগে গত ৭ আগস্ট থেকে প্রথম ধাপে গণটিকা দেওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার। সেসময় পাঁচ দিনের জন্য চলে এ কার্যক্রম। তবে টিকার সংকটের কারণে সেই কার্যক্রম আর চালু রাখতে পারেনি সরকার। সেসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রত্যাশিত টিকা পেলে গণটিকা কর্মসূচি নিয়ে ভাবা হবে।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে গণটিকাদান কর্মসূচি চলবে। এবারে গণটিকাদান কর্মসূচির প্রতিদিন ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার টার্গেট ধরা হয়েছে। এই টার্গেট পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের কর্মসূচি চলবে। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে টিকা দেওয়া হবে।

এর পাশাপাশি নিয়মিত চলমান কর্মসূচিও চলবে বলে জানান জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, বর্তমানে নিয়মিত কর্মসূচিতেও প্রতিদিন ছয় লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।

এবারের টিকাদান কর্মসূচিকে ‘গ্রাম-গঞ্জ’ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, সেখানে দরিদ্র জনগোষ্ঠী রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকে বয়স্ক রয়েছেন, হার্ড টু রিচ এলাকায়- যারা সবসময় টিকাদান কেন্দ্রে আসতেও পারে না, তাদের জন্য এবারের টিকাদান কর্মসূচি চলবে।