ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউ’র কার্যকর সহায়তার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইইউ’র পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশন (এইচআরভিপি)’র ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জন্য প্রচুর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে।
বোরেল রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান এবং আশ্বাস দেন যে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে ইইউ বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপিকে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিলের বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং ইইউকে প্রতিশ্রুতি পূরণের অনুরোধ জানান।

ড. মোমেন অভিযোজন ব্যবস্থার জন্য জলবায়ু অর্থায়নের ৫০ শতাংশ বরাদ্দের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

তিনি নদী ভাঙন, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা এবং খরার কারণে লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়া এবং প্রচলিত চাকরি হারানো জলবায়ু অভিবাসী মানুষের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

ড. মোমেন উপকূলীয় অঞ্চলে এবং নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় উঁচু ও প্রশস্ত বেড়িবাঁধ তৈরির প্রয়োজনীয়তাও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি রাস্তাঘাট, সৌর প্যানেল ও বায়ুকলসহ বাঁধ তৈরিতে ইইউ থেকে পাবলিক ফান্ডিং এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বোরেল বলেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপির সাথে একমত পোষণ করে প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে প্রযুক্তি হস্তান্তর কামনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউ’র কার্যকর সহায়তার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০১:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইইউ’র পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশন (এইচআরভিপি)’র ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জন্য প্রচুর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে।
বোরেল রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান এবং আশ্বাস দেন যে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে ইইউ বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপিকে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিলের বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং ইইউকে প্রতিশ্রুতি পূরণের অনুরোধ জানান।

ড. মোমেন অভিযোজন ব্যবস্থার জন্য জলবায়ু অর্থায়নের ৫০ শতাংশ বরাদ্দের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

তিনি নদী ভাঙন, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা এবং খরার কারণে লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়া এবং প্রচলিত চাকরি হারানো জলবায়ু অভিবাসী মানুষের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

ড. মোমেন উপকূলীয় অঞ্চলে এবং নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় উঁচু ও প্রশস্ত বেড়িবাঁধ তৈরির প্রয়োজনীয়তাও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি রাস্তাঘাট, সৌর প্যানেল ও বায়ুকলসহ বাঁধ তৈরিতে ইইউ থেকে পাবলিক ফান্ডিং এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বোরেল বলেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপির সাথে একমত পোষণ করে প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে প্রযুক্তি হস্তান্তর কামনা করেন।