ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউ’র কার্যকর সহায়তার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইইউ’র পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশন (এইচআরভিপি)’র ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জন্য প্রচুর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে।
বোরেল রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান এবং আশ্বাস দেন যে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে ইইউ বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপিকে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিলের বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং ইইউকে প্রতিশ্রুতি পূরণের অনুরোধ জানান।

ড. মোমেন অভিযোজন ব্যবস্থার জন্য জলবায়ু অর্থায়নের ৫০ শতাংশ বরাদ্দের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

তিনি নদী ভাঙন, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা এবং খরার কারণে লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়া এবং প্রচলিত চাকরি হারানো জলবায়ু অভিবাসী মানুষের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

ড. মোমেন উপকূলীয় অঞ্চলে এবং নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় উঁচু ও প্রশস্ত বেড়িবাঁধ তৈরির প্রয়োজনীয়তাও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি রাস্তাঘাট, সৌর প্যানেল ও বায়ুকলসহ বাঁধ তৈরিতে ইইউ থেকে পাবলিক ফান্ডিং এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বোরেল বলেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপির সাথে একমত পোষণ করে প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে প্রযুক্তি হস্তান্তর কামনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

১৬ নভেম্বর উদ্বোধন: নতুন রূপ পাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউ’র কার্যকর সহায়তার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০১:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইইউ’র পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশন (এইচআরভিপি)’র ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জন্য প্রচুর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে।
বোরেল রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান এবং আশ্বাস দেন যে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে ইইউ বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপিকে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিলের বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং ইইউকে প্রতিশ্রুতি পূরণের অনুরোধ জানান।

ড. মোমেন অভিযোজন ব্যবস্থার জন্য জলবায়ু অর্থায়নের ৫০ শতাংশ বরাদ্দের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

তিনি নদী ভাঙন, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা এবং খরার কারণে লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়া এবং প্রচলিত চাকরি হারানো জলবায়ু অভিবাসী মানুষের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

ড. মোমেন উপকূলীয় অঞ্চলে এবং নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় উঁচু ও প্রশস্ত বেড়িবাঁধ তৈরির প্রয়োজনীয়তাও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি রাস্তাঘাট, সৌর প্যানেল ও বায়ুকলসহ বাঁধ তৈরিতে ইইউ থেকে পাবলিক ফান্ডিং এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বোরেল বলেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচআরভিপির সাথে একমত পোষণ করে প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে প্রযুক্তি হস্তান্তর কামনা করেন।