ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জাতিসংঘে ইমরান খানকে তুলোধুনো করে ভারতে প্রশংসায় ভাসছেন স্নেহা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘে কাশ্মীর বিরোধের অবসান চেয়ে জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে গতকাল শুক্রবার ভাষণ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তবে ইমরানের এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করেছে ভারত। তার বক্তব্যের বিভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে খোঁচার জবাব দিয়ে ভারতে তোলপাড় ফেলেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি স্নেহা দুবে।

তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তান হলো এমন একটি দেশ যারা নিজেরা আগুন লাগায় এবং তারপর আবার নিজেরাই দমকলকর্মী হয়ে সেই আগুন নেভাতে আসে। এই দেশটি বরাবরই জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় এবং লালন-পালন করে আসছে শুধুমাত্র একটি আশায়- জঙ্গি ও উগ্রপন্থিরা যেন প্রতিবেশী দেশসমূহে নাশকতা চালানোর মাধ্যমে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

শুক্রবার ইমরান খানের কাশ্মির নিয়ে খোঁচার জবাবে এভাবেই তোপ দাগেন স্নেহা দুবে। ইমরান খানের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যের পর তিনি দেশটির গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা ভাসছেন। স্নেহা দুবে বলেন, ‘ভারত একটি বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক দেশ এবং ভারত সরকারের অনেক উচ্চপদে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা কাজ করছেন, যা পাকিস্তানে কল্পনাও করা যায় না।’
কাশ্মীর প্রসঙ্গে বক্তব্যের পর ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি স্নেহা দুবে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তুলোধনা করেন। স্নেহা বলেন, পাকিস্তান জাতিসংঘে ভারতের সম্পর্কে ভুল তথ্য বলে এর অপব্যবহার করছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরির জন্য ভারত নয়, পাকিস্তানকে সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

এর আগে, ইমরান খান তার বক্তব্যে দাবি করেন, ‘ভারতে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিজেপি-আরএসএস যেভাবে বিদ্বেষপূর্ণ হিন্দুত্ববাদ ছড়াচ্ছে, তা দেশটিতে বসবাসরত ২০ কোটি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে এবং দেশটির অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জনগণের মধ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

জাতিসংঘে ইমরান খানকে তুলোধুনো করে ভারতে প্রশংসায় ভাসছেন স্নেহা

আপডেট সময় ১০:৪০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘে কাশ্মীর বিরোধের অবসান চেয়ে জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে গতকাল শুক্রবার ভাষণ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তবে ইমরানের এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করেছে ভারত। তার বক্তব্যের বিভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে খোঁচার জবাব দিয়ে ভারতে তোলপাড় ফেলেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি স্নেহা দুবে।

তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তান হলো এমন একটি দেশ যারা নিজেরা আগুন লাগায় এবং তারপর আবার নিজেরাই দমকলকর্মী হয়ে সেই আগুন নেভাতে আসে। এই দেশটি বরাবরই জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় এবং লালন-পালন করে আসছে শুধুমাত্র একটি আশায়- জঙ্গি ও উগ্রপন্থিরা যেন প্রতিবেশী দেশসমূহে নাশকতা চালানোর মাধ্যমে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

শুক্রবার ইমরান খানের কাশ্মির নিয়ে খোঁচার জবাবে এভাবেই তোপ দাগেন স্নেহা দুবে। ইমরান খানের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যের পর তিনি দেশটির গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা ভাসছেন। স্নেহা দুবে বলেন, ‘ভারত একটি বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক দেশ এবং ভারত সরকারের অনেক উচ্চপদে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা কাজ করছেন, যা পাকিস্তানে কল্পনাও করা যায় না।’
কাশ্মীর প্রসঙ্গে বক্তব্যের পর ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি স্নেহা দুবে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তুলোধনা করেন। স্নেহা বলেন, পাকিস্তান জাতিসংঘে ভারতের সম্পর্কে ভুল তথ্য বলে এর অপব্যবহার করছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরির জন্য ভারত নয়, পাকিস্তানকে সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

এর আগে, ইমরান খান তার বক্তব্যে দাবি করেন, ‘ভারতে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিজেপি-আরএসএস যেভাবে বিদ্বেষপূর্ণ হিন্দুত্ববাদ ছড়াচ্ছে, তা দেশটিতে বসবাসরত ২০ কোটি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে এবং দেশটির অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জনগণের মধ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে।’