ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম লেখালেন বাংলাদেশের রাসেল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দড়ি লাফে জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশের রাসেল ইসলাম। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তার নাম উঠেছে।

বৃহস্পতিবার গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদপত্র পৌঁছেছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতী সন্তান রাসেলের হাতে।

জানা গেছে, দড়ি লাফের ওপর দুটি বিষয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে ২০১৯ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আবেদন করেন রাসেল। একটি ৩০ সেকেন্ডে এক পায়ে কতবার লাফাতে পারেন তিনি। অন্যটি ১ মিনিটে এক পায়ের।

দুটিতেই নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন রাসেল। এর আগে এক পায়ে ৩০ সেকেন্ডে ১৪৪ বার লাফানোর রেকর্ড ভেঙে রাসেল করেন ১৪৫বার। আর ১ মিনিটে এক পায়ে ২৫৮ বার লাফিয়ে এর আগে ২৫৬ বার লাফানোর বিশ্বরেকর্ডটিও ভেঙে দেন রাসেল।

১৮ বছর বয়সি রাসেল ইসলামকে ঠাকুরগাঁওয়ের গর্ব বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। তার নাম গিনেস বুকে উঠেছে শুনে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই তাকে দেখতে ছুটে আসছেন।

রাসেলের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সিরজাপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম বজলুর রহমান। শিবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে পড়াশোনা করছেন রাসেল।

রাসেলের এই কীর্তির বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, তার কারণে দেশ-বিদেশে আমাদের গ্রামের নাম প্রচারিত হচ্ছে। অন্যান্য জেলা থেকেও লোকজন আমাদের গ্রামে আসছে। এটা আমাদের গ্রামের জন্য খুবই আনন্দের। রাসেল আমাদের গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছে বিশ্বদরবারে।

জোড়া বিশ্বরেকর্ড ভাঙাসহ গিনেস বুকে ঠাঁই পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় রাসেল ইসলাম বলেন, ‘ইন্টারনেটে দড়ি লাফের ওপর ভিডিও দেখতাম, বিশ্ব রেকর্ডে নজরে রাখতাম। সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ার স্বপ্ন দেখতাম। স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি প্রতিনিয়ত চর্চা করে যাই। নিজেকে প্রস্তুত করে এক সময় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে চ্যালেঞ্জিং আবেদন করি। এরপর সেখান থেকে আমাকে তিন মাস পরে কিছু গাইডলাইনসহ একটি রিপ্লাই দেওয়া হয়। সেখানে তারা তাদের নিয়ম মতো কিছু ভিডিও চায় আমার কাছে। সেই সঙ্গে কীভাবে সেগুলো করতে হবে তারও বিস্তারিত দেওয়া হয়। আমি কিছুদিন আরও মনোযোগ দিয়ে সেই কাজগুলো করে তাদের পঠিয়ে দেই। অবশেষে আমি বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করি। আমাকে দুটি সনদপত্র দিয়েছে তারা। আমি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। ’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম লেখালেন বাংলাদেশের রাসেল

আপডেট সময় ০১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দড়ি লাফে জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশের রাসেল ইসলাম। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তার নাম উঠেছে।

বৃহস্পতিবার গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদপত্র পৌঁছেছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতী সন্তান রাসেলের হাতে।

জানা গেছে, দড়ি লাফের ওপর দুটি বিষয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে ২০১৯ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আবেদন করেন রাসেল। একটি ৩০ সেকেন্ডে এক পায়ে কতবার লাফাতে পারেন তিনি। অন্যটি ১ মিনিটে এক পায়ের।

দুটিতেই নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন রাসেল। এর আগে এক পায়ে ৩০ সেকেন্ডে ১৪৪ বার লাফানোর রেকর্ড ভেঙে রাসেল করেন ১৪৫বার। আর ১ মিনিটে এক পায়ে ২৫৮ বার লাফিয়ে এর আগে ২৫৬ বার লাফানোর বিশ্বরেকর্ডটিও ভেঙে দেন রাসেল।

১৮ বছর বয়সি রাসেল ইসলামকে ঠাকুরগাঁওয়ের গর্ব বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। তার নাম গিনেস বুকে উঠেছে শুনে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই তাকে দেখতে ছুটে আসছেন।

রাসেলের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সিরজাপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম বজলুর রহমান। শিবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে পড়াশোনা করছেন রাসেল।

রাসেলের এই কীর্তির বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, তার কারণে দেশ-বিদেশে আমাদের গ্রামের নাম প্রচারিত হচ্ছে। অন্যান্য জেলা থেকেও লোকজন আমাদের গ্রামে আসছে। এটা আমাদের গ্রামের জন্য খুবই আনন্দের। রাসেল আমাদের গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছে বিশ্বদরবারে।

জোড়া বিশ্বরেকর্ড ভাঙাসহ গিনেস বুকে ঠাঁই পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় রাসেল ইসলাম বলেন, ‘ইন্টারনেটে দড়ি লাফের ওপর ভিডিও দেখতাম, বিশ্ব রেকর্ডে নজরে রাখতাম। সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ার স্বপ্ন দেখতাম। স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি প্রতিনিয়ত চর্চা করে যাই। নিজেকে প্রস্তুত করে এক সময় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে চ্যালেঞ্জিং আবেদন করি। এরপর সেখান থেকে আমাকে তিন মাস পরে কিছু গাইডলাইনসহ একটি রিপ্লাই দেওয়া হয়। সেখানে তারা তাদের নিয়ম মতো কিছু ভিডিও চায় আমার কাছে। সেই সঙ্গে কীভাবে সেগুলো করতে হবে তারও বিস্তারিত দেওয়া হয়। আমি কিছুদিন আরও মনোযোগ দিয়ে সেই কাজগুলো করে তাদের পঠিয়ে দেই। অবশেষে আমি বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করি। আমাকে দুটি সনদপত্র দিয়েছে তারা। আমি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। ’