ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তিউনিসিয়ায় রাতে কারফিউ জারি করলেন প্রেসিডেন্ট

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্নাহদা পার্টি তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থানের’ অভিযোগ এনেছিল। এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দেশটিতে রাতে কারফিউ জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ।

প্রেসিডেন্ট সাঈদ ইন্নাহদা পার্টির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নেন। খবর আরব নিউজ ও আনাদোলুর।

উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট সাঈদ বলেন, তিউনিসিয়া এবং তার নাগরিকদের রক্ষার জন্য যে পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল সেটিই নেওয়া হয়েছে।

এর পর মাসব্যাপী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ জারির ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ। এ সময়ের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ থাকবে। কারফিউ চলাকালে সড়কে বা উন্মুক্ত কোনো জায়গায় তিনজনের বেশি একসঙ্গে থাকা যাবে না।

এর আগে বিক্ষোভের মুখে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচাম মেচিচিকে বরখাস্ত করে সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ।

রোববার প্রেসিডেন্ট সাঈদ জানান, নতুন একজন প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় তিনি নির্বাহী ক্ষমতাগ্রহণ করবেন। এ ঘোষণার পর সোমবার পার্লামেন্ট ভবন ঘিরে রাখেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। তারা স্পিকারকে সংসদে প্রবেশ করতে দেয়নি।

তিউনিসিয়ার সংসদের স্পিকার রাশেদ ঘানুচি প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বিপ্লব ও সংবিধানের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান করেছেন। আমি আশা করি এখনও প্রতিষ্ঠান টিকে আছে।

সংসদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে ঘানুচি বলেন, প্রেসিডেন্টের এ পদক্ষেপ অসাংবিধানিক, অবৈধ ও ভিত্তিহীন। সংসদ এখনও বহাল রয়েছে এবং সংসদের যে কাজ তা চলবে।

এর আগে করোনায় অর্থনৈতিক সংকট ও বেকারত্বের কারণে তিউনিসিয়ার বেশ কয়েকটি শহরে বহু মানুষ সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করেন। তারা সংসদ বিলুপ্ত এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়ায় বিক্ষোভকারীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তিউনিসিয়ায় রাতে কারফিউ জারি করলেন প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ০১:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্নাহদা পার্টি তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থানের’ অভিযোগ এনেছিল। এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দেশটিতে রাতে কারফিউ জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ।

প্রেসিডেন্ট সাঈদ ইন্নাহদা পার্টির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নেন। খবর আরব নিউজ ও আনাদোলুর।

উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট সাঈদ বলেন, তিউনিসিয়া এবং তার নাগরিকদের রক্ষার জন্য যে পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল সেটিই নেওয়া হয়েছে।

এর পর মাসব্যাপী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ জারির ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ। এ সময়ের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ থাকবে। কারফিউ চলাকালে সড়কে বা উন্মুক্ত কোনো জায়গায় তিনজনের বেশি একসঙ্গে থাকা যাবে না।

এর আগে বিক্ষোভের মুখে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচাম মেচিচিকে বরখাস্ত করে সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ।

রোববার প্রেসিডেন্ট সাঈদ জানান, নতুন একজন প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় তিনি নির্বাহী ক্ষমতাগ্রহণ করবেন। এ ঘোষণার পর সোমবার পার্লামেন্ট ভবন ঘিরে রাখেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। তারা স্পিকারকে সংসদে প্রবেশ করতে দেয়নি।

তিউনিসিয়ার সংসদের স্পিকার রাশেদ ঘানুচি প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বিপ্লব ও সংবিধানের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান করেছেন। আমি আশা করি এখনও প্রতিষ্ঠান টিকে আছে।

সংসদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে ঘানুচি বলেন, প্রেসিডেন্টের এ পদক্ষেপ অসাংবিধানিক, অবৈধ ও ভিত্তিহীন। সংসদ এখনও বহাল রয়েছে এবং সংসদের যে কাজ তা চলবে।

এর আগে করোনায় অর্থনৈতিক সংকট ও বেকারত্বের কারণে তিউনিসিয়ার বেশ কয়েকটি শহরে বহু মানুষ সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করেন। তারা সংসদ বিলুপ্ত এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়ায় বিক্ষোভকারীরা।