ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি, বশেমুরবিপ্রবির ছাত্র গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গোপালগঞ্জে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে ফয়সাল আহম্মেদ মীনা (২৫) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ফয়সাল আহম্মেদ মীনা গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজারের আলমগীর মীনার ছেলে।

ফেসবুকে ফয়সাল আহম্মেদ নিজেকে জেএমবি, আনসার আল ইসলাম, হিজবুত তাওহীদ ও হরকাতুল জিহাদের একজন সদস্য হিসেবে দাবি করেছেন। তার পরিবার বিএনপি-জামায়াত করে বলেও ফেসবুকে তিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

এ ঘটনায় বুধবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মো. মাসুদ রানা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ থানায় ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদী মাসুদ রানা বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিটু গোপালগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে ভোট চেয়ে আমি আমার ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেই। সেখানে ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে স্ট্যাটাস দেয়। পরে আমি তার ফেসবুক আইডি ঘেঁটে দেখি গত ১৬ জুন তিনি তার একটি স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার ইচ্ছা পোষণ করেছে। পরে গোপালগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করি। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গোপাগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনার সমস্ত আলামত জব্দ করেছি। বুধবার দুপুরে তাকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীর পিতা আলমগীর মীনা বলেন, আমার ছেলে গত ২০১৪ সাল থেকে মানসিক রোগে ভুগছে। তাকে আমি ঢাকায় মানসিক রোগের চিকিৎসা করিয়েছি। সে ফেসবুকে এ ধরনের স্ট্যাটাস দিয়ে আমাদের বিপদে ফেলেছে। এখন ছেলেকে নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় পড়েছি। নানা আশঙ্কার মধ্যে আমাদের দিন কাটছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি, বশেমুরবিপ্রবির ছাত্র গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৯:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গোপালগঞ্জে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে ফয়সাল আহম্মেদ মীনা (২৫) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ফয়সাল আহম্মেদ মীনা গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজারের আলমগীর মীনার ছেলে।

ফেসবুকে ফয়সাল আহম্মেদ নিজেকে জেএমবি, আনসার আল ইসলাম, হিজবুত তাওহীদ ও হরকাতুল জিহাদের একজন সদস্য হিসেবে দাবি করেছেন। তার পরিবার বিএনপি-জামায়াত করে বলেও ফেসবুকে তিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

এ ঘটনায় বুধবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মো. মাসুদ রানা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ থানায় ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদী মাসুদ রানা বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিটু গোপালগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সদস্য পদে নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে ভোট চেয়ে আমি আমার ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেই। সেখানে ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে স্ট্যাটাস দেয়। পরে আমি তার ফেসবুক আইডি ঘেঁটে দেখি গত ১৬ জুন তিনি তার একটি স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলি করে হত্যার ইচ্ছা পোষণ করেছে। পরে গোপালগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করি। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গোপাগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনার সমস্ত আলামত জব্দ করেছি। বুধবার দুপুরে তাকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীর পিতা আলমগীর মীনা বলেন, আমার ছেলে গত ২০১৪ সাল থেকে মানসিক রোগে ভুগছে। তাকে আমি ঢাকায় মানসিক রোগের চিকিৎসা করিয়েছি। সে ফেসবুকে এ ধরনের স্ট্যাটাস দিয়ে আমাদের বিপদে ফেলেছে। এখন ছেলেকে নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় পড়েছি। নানা আশঙ্কার মধ্যে আমাদের দিন কাটছে।