ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভূমিকম্পের সময় পৃথিবীর কম্পনের শব্দ শুনল নাসার বেলুন!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভূকম্পের সময় পৃথিবীর কম্পনের শব্দ শুনতে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা নতুন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে।ওই পদ্ধতিতে পৃথিবীতে ভূকম্পনের ফলে আফটার শকের শব্দ ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪ কিলোমিটার ওপর থেকে শুনতে পেয়েছে নাসার একটি বিশেষ বেলুন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভবিষ্যতে এই শব্দ শুনে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে ভূমিকম্পের কয়েক মুহূর্ত আগে তা আঁচ করা যায় কিনা, তারও চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।

২০১৯-এর ২২ জুলাই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’-এ।

নাসা জানিয়েছে, ২০১৯ সালের ৪ এবং ৬ জুলাই দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার রিজক্রেস্টে। সেই ভূকম্পের পর প্রায় ৬ সপ্তাহ ধরে লাগোয়া এলাকায় আফটার শকের ঘটনা ঘটেছিল কম করে ১০ হাজার। সেই কম্পনের শব্দ শোনা সম্ভব কিনা জানতে নাসা এবং ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (‘ক্যালটেক’) যৌথভাবে বিশেষ কয়েকটি যন্ত্রপাতিসহ বেশ কয়েকটি বেলুন উড়িয়েছিল ভৃপৃষ্ঠের ১৮ থেকে ২৪ কিলোমিটার ওপরে। তাতেই প্রথম ধরা পড়ে পৃথিবীর এই শব্দ। ২০১৯-এর ২২ জুলাই।

বেলুনগুলোকে ওড়ানো হয়েছিল সৌরশক্তির সাহায্যে। ওই বেলুনগুলোর মধ্যে রাখা ছিল খুব শক্তিশালী বেশ কয়েকটি ব্যারোমিটার। ভূকম্পনের আফটার শকের ফলে তৈরি হওয়া শব্দতরঙ্গের জন্য লাগোয়া বায়ুমণ্ডলের চাপের রদবদল মেপেই পৃথিবীর সেই শব্দ শোনা গেছে।

নাসা জানিয়েছে, সেই শব্দ অবশ্য মানুষের শ্রবণযোগ্য নয়। তা বিশেষ যন্ত্রেই শুধু ধরা পড়ে।

তবে নাসার পরিকল্পনা, আপাতত এই অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করে অন্যান্য গ্রহের ভেতরে ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনগুলো বোঝা, তাদের চেনা ও জানা। বিশেষ করে, প্রচণ্ড তাপমাত্রার জন্য সূর্যের কাছে থাকা যে সব গ্রহে কোনো মহাকাশযান নামানো সম্ভব নয়। তার মধ্যে অন্যতম পৃথিবীর ‘যমজ বোন’ শুক্রগ্রহ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ভূমিকম্পের সময় পৃথিবীর কম্পনের শব্দ শুনল নাসার বেলুন!

আপডেট সময় ০৫:০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভূকম্পের সময় পৃথিবীর কম্পনের শব্দ শুনতে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা নতুন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে।ওই পদ্ধতিতে পৃথিবীতে ভূকম্পনের ফলে আফটার শকের শব্দ ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪ কিলোমিটার ওপর থেকে শুনতে পেয়েছে নাসার একটি বিশেষ বেলুন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভবিষ্যতে এই শব্দ শুনে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে ভূমিকম্পের কয়েক মুহূর্ত আগে তা আঁচ করা যায় কিনা, তারও চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।

২০১৯-এর ২২ জুলাই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’-এ।

নাসা জানিয়েছে, ২০১৯ সালের ৪ এবং ৬ জুলাই দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার রিজক্রেস্টে। সেই ভূকম্পের পর প্রায় ৬ সপ্তাহ ধরে লাগোয়া এলাকায় আফটার শকের ঘটনা ঘটেছিল কম করে ১০ হাজার। সেই কম্পনের শব্দ শোনা সম্ভব কিনা জানতে নাসা এবং ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (‘ক্যালটেক’) যৌথভাবে বিশেষ কয়েকটি যন্ত্রপাতিসহ বেশ কয়েকটি বেলুন উড়িয়েছিল ভৃপৃষ্ঠের ১৮ থেকে ২৪ কিলোমিটার ওপরে। তাতেই প্রথম ধরা পড়ে পৃথিবীর এই শব্দ। ২০১৯-এর ২২ জুলাই।

বেলুনগুলোকে ওড়ানো হয়েছিল সৌরশক্তির সাহায্যে। ওই বেলুনগুলোর মধ্যে রাখা ছিল খুব শক্তিশালী বেশ কয়েকটি ব্যারোমিটার। ভূকম্পনের আফটার শকের ফলে তৈরি হওয়া শব্দতরঙ্গের জন্য লাগোয়া বায়ুমণ্ডলের চাপের রদবদল মেপেই পৃথিবীর সেই শব্দ শোনা গেছে।

নাসা জানিয়েছে, সেই শব্দ অবশ্য মানুষের শ্রবণযোগ্য নয়। তা বিশেষ যন্ত্রেই শুধু ধরা পড়ে।

তবে নাসার পরিকল্পনা, আপাতত এই অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করে অন্যান্য গ্রহের ভেতরে ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনগুলো বোঝা, তাদের চেনা ও জানা। বিশেষ করে, প্রচণ্ড তাপমাত্রার জন্য সূর্যের কাছে থাকা যে সব গ্রহে কোনো মহাকাশযান নামানো সম্ভব নয়। তার মধ্যে অন্যতম পৃথিবীর ‘যমজ বোন’ শুক্রগ্রহ।