ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গাদের পাশে চলচ্চিত্র পরিবার

 

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবার। আজ সোমবার সকালে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘চলচ্চিত্র পরিবার’-এর ডাকে সাড়া দিয়ে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একত্রিত হন চলচ্চিত্রশিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক ও কলাকুশলীরা।

চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কীভাবে মানুষকে হত্যা করেছে তা আপনারা অবগত। রোহিঙ্গাদের পৈতৃক ভিটে থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এটা আমরা মানব না। তারা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে আমাদের দেশে আসছে। আমরা ভালোবাসা দিয়ে তাদের বরণ করছি। এ দেশের মানুষ ভালোবাসতে জানে এটা আমি বিশ্বাস করি।’

ফারুক আরও বলেন, ‘সু চি হচ্ছে মাটির পুতুল। যাঁরা তাঁকে নোবেল পুরস্কার দিয়েছেন, তাঁরা জানেন না কোন হাতে নোবেল পুরস্কার শোভা পায়? নোবেল পুরস্কার আমাদের হাতে শোভা পায়, সু চির হাতে নয়। ধিক্কার জানাই এমন নিষ্ঠুর সরকারপ্রধানকে। আমরা মানুষকে ভালোবাসতে জানি, আমাদের হাতে নোবেল পুরস্কার দিন।’

চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখে মন ভেঙে যায়। মানুষ হয়ে এটা সহ্য করা খুব কষ্টের। তবে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করি, কারণ আমার ছোট্ট দেশটি লাখ লাখ বাস্তুহারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। নির্যাতিত, অসহায় রোহিঙ্গাদের প্রতি সমবেদনা জানাই। বিশ্বের মানবতাবাদী সংগঠনগুলোকে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের চিত্র মেনে নেওয়াটা খুবই কষ্টের। আমরা দ্রুত এই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান চাই। মিয়ানমারের পাষণ্ড সরকারের প্রতি ঘৃণা রইল।’

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা আমজাদ হোসেন, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, চিত্রনায়ক হেলাল খান, ফেরদৌস, আমিন খান, রুবেল, সাইমন, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা, নূতন, নিপুণ, সিমলা, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডসহ অনেকেই। তাঁরা সবাই রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের অবসান ও গণহত্যা বন্ধে অবিলম্বে জাতিসংঘের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে চলচ্চিত্রের শিল্পী-নির্মাতারা রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে করে দ্রুত মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রোহিঙ্গাদের পাশে চলচ্চিত্র পরিবার

আপডেট সময় ০১:২৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

 

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবার। আজ সোমবার সকালে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘চলচ্চিত্র পরিবার’-এর ডাকে সাড়া দিয়ে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একত্রিত হন চলচ্চিত্রশিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক ও কলাকুশলীরা।

চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কীভাবে মানুষকে হত্যা করেছে তা আপনারা অবগত। রোহিঙ্গাদের পৈতৃক ভিটে থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এটা আমরা মানব না। তারা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে আমাদের দেশে আসছে। আমরা ভালোবাসা দিয়ে তাদের বরণ করছি। এ দেশের মানুষ ভালোবাসতে জানে এটা আমি বিশ্বাস করি।’

ফারুক আরও বলেন, ‘সু চি হচ্ছে মাটির পুতুল। যাঁরা তাঁকে নোবেল পুরস্কার দিয়েছেন, তাঁরা জানেন না কোন হাতে নোবেল পুরস্কার শোভা পায়? নোবেল পুরস্কার আমাদের হাতে শোভা পায়, সু চির হাতে নয়। ধিক্কার জানাই এমন নিষ্ঠুর সরকারপ্রধানকে। আমরা মানুষকে ভালোবাসতে জানি, আমাদের হাতে নোবেল পুরস্কার দিন।’

চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখে মন ভেঙে যায়। মানুষ হয়ে এটা সহ্য করা খুব কষ্টের। তবে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করি, কারণ আমার ছোট্ট দেশটি লাখ লাখ বাস্তুহারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। নির্যাতিত, অসহায় রোহিঙ্গাদের প্রতি সমবেদনা জানাই। বিশ্বের মানবতাবাদী সংগঠনগুলোকে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের চিত্র মেনে নেওয়াটা খুবই কষ্টের। আমরা দ্রুত এই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান চাই। মিয়ানমারের পাষণ্ড সরকারের প্রতি ঘৃণা রইল।’

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা আমজাদ হোসেন, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, চিত্রনায়ক হেলাল খান, ফেরদৌস, আমিন খান, রুবেল, সাইমন, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা, নূতন, নিপুণ, সিমলা, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডসহ অনেকেই। তাঁরা সবাই রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের অবসান ও গণহত্যা বন্ধে অবিলম্বে জাতিসংঘের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে চলচ্চিত্রের শিল্পী-নির্মাতারা রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে করে দ্রুত মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।