ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তিন বিয়ের কথা স্বীকার মামুনুলের, দুই বিয়েতে ছিল না কাবিননামা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক পুলিশের কাছে তিনটি বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিয়েতে কোনো কাবিননামা ও দেনমোহর ছিল না।

মামুনুলের দাবি করা এক স্ত্রীর ধর্ষণ মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই তিন দিন এ মামলায় রিমান্ডে ছিলেন মামুনুল হক।

নারায়ণগঞ্জ জেল পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক তিনটি বিয়ে করার কথা স্বীকার করেছেন। কিন্তু ধর্ষণ মামলার বাদী ও অপর এক নারীকে বিয়ের সময় কোনো কাজী ছিল না। কাবিননামা বা দেনমোহরও ছিল না বলে জানিয়েছেন মামুনুল। এই দুই স্ত্রীর একজনের বাড়ি ফরিদপুর, যিনি মামলার বাদী আর আরেক স্ত্রীর বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়।

তিনি আরো জানান, ধর্ষণ মামলার বাদীর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক জানিয়েছেন, বাদীর স্বামীর সঙ্গে আগে থেকেই তার পরিচয় ছিল। সেভাবে ২০০৭-০৮ সাল থেকে তার সর্ম্পক। স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে বাদীর সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়। বাদীকে বিয়ের সময় কোনো কাজী ছিল না, কাবিননামা-দেনমোহরও নেই।

পুলিশ সুপার বলেন, মামুনুল স্বীকার করেছেন, ‘কাবিন’ ও ‘দেনমোহর’ ছাড়া মেলামেশা করা ঠিক হয়নি, ভুল হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে বলে মামলার তদন্তকারী সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টের একটি রুমে নারীসহ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় লোকজন। মামুনুল হক ওই নারীকে স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরে ওই নারী মামুনুলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মামলা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তিন বিয়ের কথা স্বীকার মামুনুলের, দুই বিয়েতে ছিল না কাবিননামা

আপডেট সময় ১১:৪০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক পুলিশের কাছে তিনটি বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিয়েতে কোনো কাবিননামা ও দেনমোহর ছিল না।

মামুনুলের দাবি করা এক স্ত্রীর ধর্ষণ মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই তিন দিন এ মামলায় রিমান্ডে ছিলেন মামুনুল হক।

নারায়ণগঞ্জ জেল পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক তিনটি বিয়ে করার কথা স্বীকার করেছেন। কিন্তু ধর্ষণ মামলার বাদী ও অপর এক নারীকে বিয়ের সময় কোনো কাজী ছিল না। কাবিননামা বা দেনমোহরও ছিল না বলে জানিয়েছেন মামুনুল। এই দুই স্ত্রীর একজনের বাড়ি ফরিদপুর, যিনি মামলার বাদী আর আরেক স্ত্রীর বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়।

তিনি আরো জানান, ধর্ষণ মামলার বাদীর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক জানিয়েছেন, বাদীর স্বামীর সঙ্গে আগে থেকেই তার পরিচয় ছিল। সেভাবে ২০০৭-০৮ সাল থেকে তার সর্ম্পক। স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে বাদীর সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়। বাদীকে বিয়ের সময় কোনো কাজী ছিল না, কাবিননামা-দেনমোহরও নেই।

পুলিশ সুপার বলেন, মামুনুল স্বীকার করেছেন, ‘কাবিন’ ও ‘দেনমোহর’ ছাড়া মেলামেশা করা ঠিক হয়নি, ভুল হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে বলে মামলার তদন্তকারী সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টের একটি রুমে নারীসহ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় লোকজন। মামুনুল হক ওই নারীকে স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরে ওই নারী মামুনুলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মামলা করেন।