ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নেতানিয়াহু বললেন, ‘শান্তি ফেরাতে যতদিন প্রয়োজন হামলা চলবে’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্ব নেতাদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে গাজায় হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ’ইসরাইলে শান্তি ফেরাতে’ যতদিন প্রয়োজন ততদিন হামলা চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।

গাজায় গত ৯ দিনের অব্যাহত বিমান হামলার কারণে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস কয়েক বছর পিছিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেন, ইসরাইলি হামলায় হামাসের অপ্রত্যাশিত ক্ষতি হয়েছে।

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ‘অপ্রত্যাশিত আঘাতের’ মুখোমুখি হয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি জনগণের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে যতদিন প্রয়োজন হামলা চলবে।

২০১৪ সালের যুদ্ধের পর গত নয় দিনে ইসরায়েলি হামলার সবচেয়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছে ফিলিস্তিন। দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়ানো এ সংঘাতে ১০০ নারী ও শিশুসহ অন্তত ২২০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার ইসরাইল জানিয়েছে, গাজায় নিহতদের মধ্যে ১৫০ জনই সশস্ত্র ‘জঙ্গি’। অবশ্য হামাসের পক্ষে তাদের যোদ্ধাদের হতাহতের বিষয়ে কোনো কিছু জানানো হয়নি।

অপরদিকে ফিলিস্তিনিদের রকেটে ইসরায়েলে দুই শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার ভোরেও ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। সকালে গাজার মধ্যাঞ্চলে একটি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে ইসরাইলি বিমানের গোলায় চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

সহিংসতা অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগের সফলতা খুবই সামান্য। অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিসর ও জর্ডানকে সঙ্গে নিয়ে নতুন একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেছে ফ্রান্স।

মঙ্গলবার খুব সামান্য সময়ের জন্য গাজার সীমান্ত ক্রসিং খুলে দিয়ে ত্রাণ বহনকারী গাড়িবহর প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরাইল। তবে নতুন করে গোলাবর্ষণ শুরু হওয়ার পর আবারও ওই ক্রসিং বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলের সব নাগরিকের জন্য শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত গাজায় সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। গাজায় ইসরাইলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ২২০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে ৬৩ জন। অন্যদিকে ইসরাইলে দুই শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ইসরাইল বলেছে, গাজায় নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৫০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা রয়েছে। তবে হামাসের তরফ থেকে কোনো হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। ইসরাইলের দাবি সংঘাতের শুরুতে ফিলিস্তিনের দুই স্বাধীনতাকামী গ্রুপের কাছে প্রায় ১২ হাজার রকেট কিংবা মর্টার ছিল। মঙ্গলবার পর্যন্ত ইসরাইল লক্ষ্য করে প্রায় তিন হাজার ৩০০ রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০ থেকে ৫০০টি গাজার অভ্যন্তরেই বিস্ফোরিত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নেতানিয়াহু বললেন, ‘শান্তি ফেরাতে যতদিন প্রয়োজন হামলা চলবে’

আপডেট সময় ০২:১৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্ব নেতাদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে গাজায় হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ’ইসরাইলে শান্তি ফেরাতে’ যতদিন প্রয়োজন ততদিন হামলা চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।

গাজায় গত ৯ দিনের অব্যাহত বিমান হামলার কারণে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস কয়েক বছর পিছিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেন, ইসরাইলি হামলায় হামাসের অপ্রত্যাশিত ক্ষতি হয়েছে।

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ‘অপ্রত্যাশিত আঘাতের’ মুখোমুখি হয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি জনগণের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে যতদিন প্রয়োজন হামলা চলবে।

২০১৪ সালের যুদ্ধের পর গত নয় দিনে ইসরায়েলি হামলার সবচেয়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছে ফিলিস্তিন। দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়ানো এ সংঘাতে ১০০ নারী ও শিশুসহ অন্তত ২২০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার ইসরাইল জানিয়েছে, গাজায় নিহতদের মধ্যে ১৫০ জনই সশস্ত্র ‘জঙ্গি’। অবশ্য হামাসের পক্ষে তাদের যোদ্ধাদের হতাহতের বিষয়ে কোনো কিছু জানানো হয়নি।

অপরদিকে ফিলিস্তিনিদের রকেটে ইসরায়েলে দুই শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার ভোরেও ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। সকালে গাজার মধ্যাঞ্চলে একটি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে ইসরাইলি বিমানের গোলায় চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

সহিংসতা অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগের সফলতা খুবই সামান্য। অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিসর ও জর্ডানকে সঙ্গে নিয়ে নতুন একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেছে ফ্রান্স।

মঙ্গলবার খুব সামান্য সময়ের জন্য গাজার সীমান্ত ক্রসিং খুলে দিয়ে ত্রাণ বহনকারী গাড়িবহর প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরাইল। তবে নতুন করে গোলাবর্ষণ শুরু হওয়ার পর আবারও ওই ক্রসিং বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলের সব নাগরিকের জন্য শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত গাজায় সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। গাজায় ইসরাইলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ২২০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে ৬৩ জন। অন্যদিকে ইসরাইলে দুই শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ইসরাইল বলেছে, গাজায় নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৫০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা রয়েছে। তবে হামাসের তরফ থেকে কোনো হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। ইসরাইলের দাবি সংঘাতের শুরুতে ফিলিস্তিনের দুই স্বাধীনতাকামী গ্রুপের কাছে প্রায় ১২ হাজার রকেট কিংবা মর্টার ছিল। মঙ্গলবার পর্যন্ত ইসরাইল লক্ষ্য করে প্রায় তিন হাজার ৩০০ রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০ থেকে ৫০০টি গাজার অভ্যন্তরেই বিস্ফোরিত হয়েছে।