ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খালেদার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মতামত আজকের মধ্যেই: আইনমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে পরিবারের আবেদন বিষয়ে আজকের মধ্যেই আইন মন্ত্রণালয় থেকে মতামত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার আবেদনের বিষয়ে মন্ত্রণালয় আজই আইনি মতামত জানাবে। কাল রবিবার সকালে সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে পরিবারের আবেদনে সরকার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়া হয়।

৭৬ বছর বয়সী এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সে সময় শর্তে দেওয়া হয়, মুক্ত থাকার সময়ে খালেদা জিয়াকে ঢাকায় নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সেদিন তার বাসভবন ফিরোজায় আরও আট জন ব্যক্তিগত স্টাফও করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরে ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে।

গত সোমবার সকালে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন।

বিএনপি প্রধানের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে সরকারের কাছে আবেদন করেন তার পরিবার। বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার বুধবার রাতে ওই আবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ধানমন্ডির বাসায় নিয়ে যান। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাতেই তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় মতামতের জন্য।

শনিবার এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এখানে আদালতের মতামতের প্রয়োজন নেই। আইনে তা বলে না। এর মানে তারা, অর্থাৎ সরকার যে মতামত দেবে, সেটিই চূড়ান্ত মতামত হবে। তবে কী অভিমত দেওয়া হচ্ছে, সেটি বলেননি তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খালেদার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মতামত আজকের মধ্যেই: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৪৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে পরিবারের আবেদন বিষয়ে আজকের মধ্যেই আইন মন্ত্রণালয় থেকে মতামত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার আবেদনের বিষয়ে মন্ত্রণালয় আজই আইনি মতামত জানাবে। কাল রবিবার সকালে সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে পরিবারের আবেদনে সরকার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়া হয়।

৭৬ বছর বয়সী এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সে সময় শর্তে দেওয়া হয়, মুক্ত থাকার সময়ে খালেদা জিয়াকে ঢাকায় নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সেদিন তার বাসভবন ফিরোজায় আরও আট জন ব্যক্তিগত স্টাফও করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরে ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে।

গত সোমবার সকালে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন।

বিএনপি প্রধানের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে সরকারের কাছে আবেদন করেন তার পরিবার। বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার বুধবার রাতে ওই আবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ধানমন্ডির বাসায় নিয়ে যান। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাতেই তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় মতামতের জন্য।

শনিবার এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এখানে আদালতের মতামতের প্রয়োজন নেই। আইনে তা বলে না। এর মানে তারা, অর্থাৎ সরকার যে মতামত দেবে, সেটিই চূড়ান্ত মতামত হবে। তবে কী অভিমত দেওয়া হচ্ছে, সেটি বলেননি তিনি।