ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত পাকিস্তান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বৈদেশিক ঋণের ভারে ডুবছে পাকিস্তান। দেশটির আর্থিক ঋণ বেড়েই চলছে। এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান। গত অর্থবছরের একই সময়ে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ শতাংশ বা ৩৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দেশটির ইংরেজি গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে চীন থেকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন বাণিজ্যিক ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে সরকার একাধিক আর্থিক উৎস থেকে ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ লাভ করেছে। শুধু জানুয়ারি মাসে সরকার ৯৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ পায়, যার মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৬৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ছিল সবচেয়ে ব্যয়বহুল ঋণ। মন্ত্রণালয় বলেছে, ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে ২.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা মোট ঋণের ৪১ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যিক ঋণের কারণে নেওয়া হয়েছে।
প্রায় ৮৭ শতাংশ বৈদেশিক ঋণ বা ৫.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট অর্থায়ন, বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ এবং পণ্য অর্থায়নের জন্য নেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), সৌদি আরব এবং অন্যান্য ঋণদাতা সংস্থা পাকিস্তানকে ঋণ দেওযা বন্ধ রাখলেও চীনের অব্যাহত আর্থিক সহায়তা দেশটিকে প্রায় ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ রাখতে সাহায্য করেছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, যেমন পিআইএ এবং পাকিস্তান স্টিল মিলস দেউলিয়া হয়ে গেছে; ইউটিলিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো অজানা কারণে লোকসানের মুখে পড়ছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার ছয় মাসে পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ ও দায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২.৬ শতাংশ বেড়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত পাকিস্তান

আপডেট সময় ১১:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বৈদেশিক ঋণের ভারে ডুবছে পাকিস্তান। দেশটির আর্থিক ঋণ বেড়েই চলছে। এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান। গত অর্থবছরের একই সময়ে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ শতাংশ বা ৩৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দেশটির ইংরেজি গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে চীন থেকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন বাণিজ্যিক ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে সরকার একাধিক আর্থিক উৎস থেকে ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ লাভ করেছে। শুধু জানুয়ারি মাসে সরকার ৯৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ পায়, যার মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৬৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ছিল সবচেয়ে ব্যয়বহুল ঋণ। মন্ত্রণালয় বলেছে, ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে ২.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা মোট ঋণের ৪১ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যিক ঋণের কারণে নেওয়া হয়েছে।
প্রায় ৮৭ শতাংশ বৈদেশিক ঋণ বা ৫.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট অর্থায়ন, বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ এবং পণ্য অর্থায়নের জন্য নেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), সৌদি আরব এবং অন্যান্য ঋণদাতা সংস্থা পাকিস্তানকে ঋণ দেওযা বন্ধ রাখলেও চীনের অব্যাহত আর্থিক সহায়তা দেশটিকে প্রায় ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ রাখতে সাহায্য করেছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, যেমন পিআইএ এবং পাকিস্তান স্টিল মিলস দেউলিয়া হয়ে গেছে; ইউটিলিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো অজানা কারণে লোকসানের মুখে পড়ছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার ছয় মাসে পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ ও দায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২.৬ শতাংশ বেড়েছে।