ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যেখানে গরুকে খাওয়ানো হয় চকলেট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্বের অনেক দেশেই গুরু উৎপাদন করা হয়। ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া গরু উৎপাদন, লালন-পালন ও বাজারজাতকরণে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আর এসব গরু মোটতাজাকরণে ঘাস, খড়, ভুট্রা, খৈল, নালি, গমসহ বিভিন্ন পদের খাবার খাওয়ানোর প্রচলন রয়েছে।

এর বাইরে যদি গরুকে চকলেট খাওয়ানো হয়, তবে সেটা ভিন্ন স্বাদের খবরই বটে। আর সেই খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

মঙ্গলবার এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের মাউন্ট গাম্বিয়া অঞ্চলে গরুকে খাওয়ানো হয় চকলেট। সাধারণত গরুর খামারগুলোতে লালন-পালন করা গরুকে চকলেট খাওয়ানো হয়।

জাপানি বংশোদ্ভূত ওয়াগু প্রজাতির এসব গরুর মাংস আরো বেশি সুস্বাদু করা জন্য ঘাস, খড়, ভুট্রা, মটরশুটি ও গমের পাশাপাশি চকলেট, ক্যান্ডি ও বিস্কুট খাওয়ানো হয়ে থাকে।

মায়ুরা স্টেশন বা মায়ুরা গরুর খামার ওই অঞ্চলে বেশ পরিচিত নাম। সেখানে বাণিজ্যিকভাবে গরু উৎপাদন করা হয়। ১৮৪৫ সাল থেকে মায়ুরা গরুর খামার পরিচালিত হয়ে আসছে। এর আয়তন প্রায় ৩ হেক্টর। বর্তমানে এ খামারে ২০ জন শ্রমিক কাজ করেন। মায়ুরার মতো অ্যাননা ক্রেক স্টেশন রয়েছে। যার আয়তান প্রায় ৬ লাখ হেক্টর জমি।

এসব খামারে লাল ও কালো এই দুই রংয়ের ওয়াগু প্রজাতির গরু পাওয়া। যার মধ্যে কালো রংয়ের গরু উচ্চ গুণাগুণ সম্পন্ন এবং এর চাহিদা বেশি। এসব গরু বিক্রি বা জবাইয়ের দুই মাস আগে থেকে প্রতিদিন দুই কেজি পরিমাণ চকলেট, ক্যান্ডি ও বিস্কুট খাওয়ানো হয়।

সেইসঙ্গে স্বাভাবিক খাবারের চেয়ে গম, ভুট্রা, খড়, ঘাস ও মটরশুটির মিক্সার খাইয়ে গরুকে ৭০ শতাংশ বেশি মোটাতাজা করা যায়। যা গরুর খামারিদের প্রত্যাশিত মুনাফা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যেখানে গরুকে খাওয়ানো হয় চকলেট

আপডেট সময় ০৩:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্বের অনেক দেশেই গুরু উৎপাদন করা হয়। ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া গরু উৎপাদন, লালন-পালন ও বাজারজাতকরণে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আর এসব গরু মোটতাজাকরণে ঘাস, খড়, ভুট্রা, খৈল, নালি, গমসহ বিভিন্ন পদের খাবার খাওয়ানোর প্রচলন রয়েছে।

এর বাইরে যদি গরুকে চকলেট খাওয়ানো হয়, তবে সেটা ভিন্ন স্বাদের খবরই বটে। আর সেই খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

মঙ্গলবার এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের মাউন্ট গাম্বিয়া অঞ্চলে গরুকে খাওয়ানো হয় চকলেট। সাধারণত গরুর খামারগুলোতে লালন-পালন করা গরুকে চকলেট খাওয়ানো হয়।

জাপানি বংশোদ্ভূত ওয়াগু প্রজাতির এসব গরুর মাংস আরো বেশি সুস্বাদু করা জন্য ঘাস, খড়, ভুট্রা, মটরশুটি ও গমের পাশাপাশি চকলেট, ক্যান্ডি ও বিস্কুট খাওয়ানো হয়ে থাকে।

মায়ুরা স্টেশন বা মায়ুরা গরুর খামার ওই অঞ্চলে বেশ পরিচিত নাম। সেখানে বাণিজ্যিকভাবে গরু উৎপাদন করা হয়। ১৮৪৫ সাল থেকে মায়ুরা গরুর খামার পরিচালিত হয়ে আসছে। এর আয়তন প্রায় ৩ হেক্টর। বর্তমানে এ খামারে ২০ জন শ্রমিক কাজ করেন। মায়ুরার মতো অ্যাননা ক্রেক স্টেশন রয়েছে। যার আয়তান প্রায় ৬ লাখ হেক্টর জমি।

এসব খামারে লাল ও কালো এই দুই রংয়ের ওয়াগু প্রজাতির গরু পাওয়া। যার মধ্যে কালো রংয়ের গরু উচ্চ গুণাগুণ সম্পন্ন এবং এর চাহিদা বেশি। এসব গরু বিক্রি বা জবাইয়ের দুই মাস আগে থেকে প্রতিদিন দুই কেজি পরিমাণ চকলেট, ক্যান্ডি ও বিস্কুট খাওয়ানো হয়।

সেইসঙ্গে স্বাভাবিক খাবারের চেয়ে গম, ভুট্রা, খড়, ঘাস ও মটরশুটির মিক্সার খাইয়ে গরুকে ৭০ শতাংশ বেশি মোটাতাজা করা যায়। যা গরুর খামারিদের প্রত্যাশিত মুনাফা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।