ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।