ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।