ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।