ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপ বাইডেনের, চীনকে যে বার্তা দিল আমেরিকা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আমেরিকার মসনদে বসার পর এই প্রথম সরাসরি চীনা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলাপ হল তার। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক, মানবাধিকার লঙ্ঘন-সহ একাধিক বিষয়ে কথা হয় দু’জনের মধ্যে।

ট্রাম্প জামানায় সরাসরি চীনের সঙ্গে সংঘাতে নেমেছিল আমেরিকা। শুল্ক লড়াই থেকে শুরু করে তাইওয়ানকে অত্যাধুনিক মিসাইল দিতে সম্মত হয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু প্রেসিডেন্সিয়াল পদে ট্রাম্পের ভরাডুবি ও বাইডেনের উত্থানে চীনের প্রতি আমেরিকার অবস্থান কিছুটা নরম হবে বলেই মনে করেছিলেন অনেকে। তবে সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার ফোনে শি জিনপিংকে চীনা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাইডেন। অর্থনীতিকে হাতিয়ার করে বেইজিংয়ের অনভিপ্রেত পদক্ষেপ ও জিনজিয়াং প্রদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হযেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয়, শি-বাইডেন আলোচনায় ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে শুরু করে হংকং ও তাইওয়ান সংক্রান্ত প্রসঙ্গও উঠে আসে।

উল্লেখ্য, চীন ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এ প্রসঙ্গে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রলায়ের মুখপাত্র নেস প্রাইড আগেই জানিয়েছেন, প্রতিবেশীদের ভয় দেখাচ্ছে বেইজিং। পরিস্থিতির দিকে আমেরিকা কড়া নজর রাখছে বলেও জানান তিনি। দিন দুয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে কথা হয় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের। এরপরই ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে চীনকে বার্তা দেয় আমেরিকা। তবে পূর্বসূরি ট্রাম্পের মতো ভারত-চীনের মধ্যে মধ্যস্থতার পথে হাঁটেনি বাইডেন প্রশাসন। বরং দুই দেশকে নিজেদের মধ্যে কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপ বাইডেনের, চীনকে যে বার্তা দিল আমেরিকা

আপডেট সময় ০২:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আমেরিকার মসনদে বসার পর এই প্রথম সরাসরি চীনা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলাপ হল তার। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক, মানবাধিকার লঙ্ঘন-সহ একাধিক বিষয়ে কথা হয় দু’জনের মধ্যে।

ট্রাম্প জামানায় সরাসরি চীনের সঙ্গে সংঘাতে নেমেছিল আমেরিকা। শুল্ক লড়াই থেকে শুরু করে তাইওয়ানকে অত্যাধুনিক মিসাইল দিতে সম্মত হয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু প্রেসিডেন্সিয়াল পদে ট্রাম্পের ভরাডুবি ও বাইডেনের উত্থানে চীনের প্রতি আমেরিকার অবস্থান কিছুটা নরম হবে বলেই মনে করেছিলেন অনেকে। তবে সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার ফোনে শি জিনপিংকে চীনা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাইডেন। অর্থনীতিকে হাতিয়ার করে বেইজিংয়ের অনভিপ্রেত পদক্ষেপ ও জিনজিয়াং প্রদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হযেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয়, শি-বাইডেন আলোচনায় ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে শুরু করে হংকং ও তাইওয়ান সংক্রান্ত প্রসঙ্গও উঠে আসে।

উল্লেখ্য, চীন ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এ প্রসঙ্গে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রলায়ের মুখপাত্র নেস প্রাইড আগেই জানিয়েছেন, প্রতিবেশীদের ভয় দেখাচ্ছে বেইজিং। পরিস্থিতির দিকে আমেরিকা কড়া নজর রাখছে বলেও জানান তিনি। দিন দুয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে কথা হয় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের। এরপরই ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে চীনকে বার্তা দেয় আমেরিকা। তবে পূর্বসূরি ট্রাম্পের মতো ভারত-চীনের মধ্যে মধ্যস্থতার পথে হাঁটেনি বাইডেন প্রশাসন। বরং দুই দেশকে নিজেদের মধ্যে কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।