ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে দিল্লিতে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে রাজধানী দিল্লিতে ট্রাক্টর মিছিল করেছেন প্রতিবাদী কৃষকরা।

দেশটির প্রজাতন্ত্র দিবসে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর শুরু হওয়ার কথা ছিল ট্রাক্টর মিছিল। কিন্তু সকাল সাড়ে ৮টার দিকেই সিংঘু সীমান্তে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন কৃষকরা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ট্রাক্টর নিয়ে রাজধানীতে ঢুকতে শুরু করেন কৃষকরা। টিকরি সীমানার চিত্রও একই রকম। হাজার হাজার কৃষক ট্রাক্টর নিয়ে সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই মিছিল শুরু করেন দেন।

এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কয়েকটি স্থানে প্রতিবাদী কৃষকদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন তিনটি নির্দিষ্ট পথে ট্রাক্টর মিছিল করার অনুমতি দেয়। কিন্তু মঙ্গলবার সেসব সরকারি নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে সকাল-সকাল মিছিল শুরু করে দেন আন্দোলনরত কৃষকরা।

সিংঘু সীমান্তে পাঁচ হাজার কৃষকের জমায়েতের সামনে উপস্থিত সামান্য সংখ্যায় পুলিশ সদস্যরা রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন।

এ ছাড়া পশ্চিম দিল্লির টিকরি সীমান্তের চিত্রটা কিছুটা একই রকম ছিল সকাল থেকে। এ সময় কৃষক নেতারা ঘোষণা করেন, প্রতিবাদীরা যেন শান্তি বজায় রাখেন।

একাধিক সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানায়, সকাল থেকেই হাজার হাজার কৃষক জড়ো হয়েছেন বিভিন্ন সীমান্তে। দিল্লি পুলিশ রাজপথে সরকারি প্যারেডের পর কৃষকদের মিছিল শুরু করার কথা বলছিল।

শেষ পর্যন্ত কৃষকরা সকাল থেকেই শুরু করে দিয়েছেন প্রতিবাদ। এই প্রতিবাদ বিক্ষোভ পরে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত দফায় দফায় কৃষক ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের মধ্যে বৈঠকের পরও ভারতের নয়া কৃষি আইন নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে কোনো সমাধান আসেনি। সম্প্রতি সরকার দেড় বছরের জন্য এ আইন কার্যকর না করার প্রস্তাব দিলেও তাতে রাজি হয়নি কৃষকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে দিল্লিতে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল

আপডেট সময় ০৪:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে রাজধানী দিল্লিতে ট্রাক্টর মিছিল করেছেন প্রতিবাদী কৃষকরা।

দেশটির প্রজাতন্ত্র দিবসে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর শুরু হওয়ার কথা ছিল ট্রাক্টর মিছিল। কিন্তু সকাল সাড়ে ৮টার দিকেই সিংঘু সীমান্তে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন কৃষকরা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ট্রাক্টর নিয়ে রাজধানীতে ঢুকতে শুরু করেন কৃষকরা। টিকরি সীমানার চিত্রও একই রকম। হাজার হাজার কৃষক ট্রাক্টর নিয়ে সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই মিছিল শুরু করেন দেন।

এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কয়েকটি স্থানে প্রতিবাদী কৃষকদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন তিনটি নির্দিষ্ট পথে ট্রাক্টর মিছিল করার অনুমতি দেয়। কিন্তু মঙ্গলবার সেসব সরকারি নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে সকাল-সকাল মিছিল শুরু করে দেন আন্দোলনরত কৃষকরা।

সিংঘু সীমান্তে পাঁচ হাজার কৃষকের জমায়েতের সামনে উপস্থিত সামান্য সংখ্যায় পুলিশ সদস্যরা রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন।

এ ছাড়া পশ্চিম দিল্লির টিকরি সীমান্তের চিত্রটা কিছুটা একই রকম ছিল সকাল থেকে। এ সময় কৃষক নেতারা ঘোষণা করেন, প্রতিবাদীরা যেন শান্তি বজায় রাখেন।

একাধিক সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানায়, সকাল থেকেই হাজার হাজার কৃষক জড়ো হয়েছেন বিভিন্ন সীমান্তে। দিল্লি পুলিশ রাজপথে সরকারি প্যারেডের পর কৃষকদের মিছিল শুরু করার কথা বলছিল।

শেষ পর্যন্ত কৃষকরা সকাল থেকেই শুরু করে দিয়েছেন প্রতিবাদ। এই প্রতিবাদ বিক্ষোভ পরে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত দফায় দফায় কৃষক ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের মধ্যে বৈঠকের পরও ভারতের নয়া কৃষি আইন নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে কোনো সমাধান আসেনি। সম্প্রতি সরকার দেড় বছরের জন্য এ আইন কার্যকর না করার প্রস্তাব দিলেও তাতে রাজি হয়নি কৃষকরা।