ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল: খন্দকার মোশাররফ ৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে নতুন বার্তা পিসিবির ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী

পিকে হালদারের আইনজীবী ও তার মেয়ে গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকে হালদারের ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের’ মামলায় তার ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধাকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা কমিশনের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন তাদের গ্রেফতার দেখান।

কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য জানিয়ে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ায় পিকে হালদারের এ দুই সহযোগীকে দুপুরে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের পর দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাদের নিয়ে আদালতের উদ্দেশে রওনা হন অনুসন্ধান কর্মকর্তা সালাউদ্দিন।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি পিকে হালদারের আরেক সহযোগী অবন্তিকা বড়ালকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় দুদক।

মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গত ৪ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয় পিকে হালদারের আরেক সহযোগী শংখ বেপারিকে।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নানা কৌশলে নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনেন এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু ও সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন।

এই চার কোম্পানি হলো- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (আইএলএফএসএল), পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, পিকে হালদার তার নিজের, আত্মীয়দের, বন্ধু ও কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে আটটি কোম্পানিতে ৬৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ১৯৯ টাকা বিনিয়োগ করেছেন, যার ‘বৈধ কোনো উৎস’ অনুসন্ধানে মেলেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল: খন্দকার মোশাররফ

পিকে হালদারের আইনজীবী ও তার মেয়ে গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:০৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকে হালদারের ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের’ মামলায় তার ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধাকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা কমিশনের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন তাদের গ্রেফতার দেখান।

কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য জানিয়ে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ায় পিকে হালদারের এ দুই সহযোগীকে দুপুরে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের পর দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাদের নিয়ে আদালতের উদ্দেশে রওনা হন অনুসন্ধান কর্মকর্তা সালাউদ্দিন।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি পিকে হালদারের আরেক সহযোগী অবন্তিকা বড়ালকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় দুদক।

মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গত ৪ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয় পিকে হালদারের আরেক সহযোগী শংখ বেপারিকে।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নানা কৌশলে নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনেন এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু ও সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন।

এই চার কোম্পানি হলো- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (আইএলএফএসএল), পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, পিকে হালদার তার নিজের, আত্মীয়দের, বন্ধু ও কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে আটটি কোম্পানিতে ৬৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ১৯৯ টাকা বিনিয়োগ করেছেন, যার ‘বৈধ কোনো উৎস’ অনুসন্ধানে মেলেনি।