ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সীমান্তে অভিনব অস্ত্র ব্যবহার করেছে চীন, অভিযোগ ভারতের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি সীমান্তে চীন এমন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যা প্রথাগত নয়। এমনটাই দাবি করল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টের দাবি, এর ফলেই সীমান্ত সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করে। ভারত বাধ্য হয় সীমান্তে ট্যাঙ্ক, বন্দুকধারী সেনা মোতায়েন করতে। ২০২০ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পর্যালোচনায় প্রকাশ পেয়েছে এই নতুন তথ্য।

ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে স্থিতাবস্থা জোর করে বদল করেছে চীন। তাদের উস্কানিমূলক আচরণ পরিস্থিতিকে আরও সমস্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত গোলমাল নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়ে ও পূর্ব লাদাখের শান্তি রক্ষায় কঠোর হয়েছে।

চীনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ভারত জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা দুই দেশের মধ্যে সমস্ত নীতি ও চুক্তি মেনে চলেছে। কিন্তু চীনের সেনা পরিস্থিতিকে জটিলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে অস্ত্র ব্যবহার করে ও বিপুল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‘২০ জন ভারতীয় সেনা সেই সময়ে চীনের অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে সীমান্তে প্রাণ হারিয়েছেন। চীনেরও ক্ষতি হয়েছে।”

তবে এই ঘটনার দায় পুরোটাই চীনা প্রশাসনের উপর চাপিয়েছে ভারত।

বর্ষশেষের পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, কীভাবে বছর শেষে চীন-ভারত সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আগস্ট মাসের শেষের দিকে। চীনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে কীভাবে প্রবেশের চেষ্টা করেছে একাধিকবার, সেটিও রিপোর্টে বলা হয়েছে।

তবে পাশাপাশি রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে, শীতকালে যাতে সীমান্তে সমস্যা না হয়, শীতের সঞ্চয় সেই কারণে আগে থেকেই করা হয়েছে ওই সীমান্তে। চীনের সেনারা আবার কোনও সমস্যা করলে যাতে সীমান্তে ভারত মোকাবিলা করতে পারে, সেই বিষয়টিও নজরে রেখেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। যেকোনও পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী তৈরি, তবে দু-দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তে অভিনব অস্ত্র ব্যবহার করেছে চীন, অভিযোগ ভারতের

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি সীমান্তে চীন এমন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যা প্রথাগত নয়। এমনটাই দাবি করল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টের দাবি, এর ফলেই সীমান্ত সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করে। ভারত বাধ্য হয় সীমান্তে ট্যাঙ্ক, বন্দুকধারী সেনা মোতায়েন করতে। ২০২০ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পর্যালোচনায় প্রকাশ পেয়েছে এই নতুন তথ্য।

ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে স্থিতাবস্থা জোর করে বদল করেছে চীন। তাদের উস্কানিমূলক আচরণ পরিস্থিতিকে আরও সমস্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত গোলমাল নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়ে ও পূর্ব লাদাখের শান্তি রক্ষায় কঠোর হয়েছে।

চীনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ভারত জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা দুই দেশের মধ্যে সমস্ত নীতি ও চুক্তি মেনে চলেছে। কিন্তু চীনের সেনা পরিস্থিতিকে জটিলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে অস্ত্র ব্যবহার করে ও বিপুল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‘২০ জন ভারতীয় সেনা সেই সময়ে চীনের অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে সীমান্তে প্রাণ হারিয়েছেন। চীনেরও ক্ষতি হয়েছে।”

তবে এই ঘটনার দায় পুরোটাই চীনা প্রশাসনের উপর চাপিয়েছে ভারত।

বর্ষশেষের পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, কীভাবে বছর শেষে চীন-ভারত সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আগস্ট মাসের শেষের দিকে। চীনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে কীভাবে প্রবেশের চেষ্টা করেছে একাধিকবার, সেটিও রিপোর্টে বলা হয়েছে।

তবে পাশাপাশি রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে, শীতকালে যাতে সীমান্তে সমস্যা না হয়, শীতের সঞ্চয় সেই কারণে আগে থেকেই করা হয়েছে ওই সীমান্তে। চীনের সেনারা আবার কোনও সমস্যা করলে যাতে সীমান্তে ভারত মোকাবিলা করতে পারে, সেই বিষয়টিও নজরে রেখেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। যেকোনও পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী তৈরি, তবে দু-দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার জন্য।