ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সীমান্তে অভিনব অস্ত্র ব্যবহার করেছে চীন, অভিযোগ ভারতের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি সীমান্তে চীন এমন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যা প্রথাগত নয়। এমনটাই দাবি করল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টের দাবি, এর ফলেই সীমান্ত সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করে। ভারত বাধ্য হয় সীমান্তে ট্যাঙ্ক, বন্দুকধারী সেনা মোতায়েন করতে। ২০২০ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পর্যালোচনায় প্রকাশ পেয়েছে এই নতুন তথ্য।

ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে স্থিতাবস্থা জোর করে বদল করেছে চীন। তাদের উস্কানিমূলক আচরণ পরিস্থিতিকে আরও সমস্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত গোলমাল নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়ে ও পূর্ব লাদাখের শান্তি রক্ষায় কঠোর হয়েছে।

চীনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ভারত জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা দুই দেশের মধ্যে সমস্ত নীতি ও চুক্তি মেনে চলেছে। কিন্তু চীনের সেনা পরিস্থিতিকে জটিলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে অস্ত্র ব্যবহার করে ও বিপুল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‘২০ জন ভারতীয় সেনা সেই সময়ে চীনের অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে সীমান্তে প্রাণ হারিয়েছেন। চীনেরও ক্ষতি হয়েছে।”

তবে এই ঘটনার দায় পুরোটাই চীনা প্রশাসনের উপর চাপিয়েছে ভারত।

বর্ষশেষের পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, কীভাবে বছর শেষে চীন-ভারত সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আগস্ট মাসের শেষের দিকে। চীনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে কীভাবে প্রবেশের চেষ্টা করেছে একাধিকবার, সেটিও রিপোর্টে বলা হয়েছে।

তবে পাশাপাশি রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে, শীতকালে যাতে সীমান্তে সমস্যা না হয়, শীতের সঞ্চয় সেই কারণে আগে থেকেই করা হয়েছে ওই সীমান্তে। চীনের সেনারা আবার কোনও সমস্যা করলে যাতে সীমান্তে ভারত মোকাবিলা করতে পারে, সেই বিষয়টিও নজরে রেখেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। যেকোনও পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী তৈরি, তবে দু-দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সীমান্তে অভিনব অস্ত্র ব্যবহার করেছে চীন, অভিযোগ ভারতের

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি সীমান্তে চীন এমন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যা প্রথাগত নয়। এমনটাই দাবি করল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টের দাবি, এর ফলেই সীমান্ত সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করে। ভারত বাধ্য হয় সীমান্তে ট্যাঙ্ক, বন্দুকধারী সেনা মোতায়েন করতে। ২০২০ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পর্যালোচনায় প্রকাশ পেয়েছে এই নতুন তথ্য।

ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে স্থিতাবস্থা জোর করে বদল করেছে চীন। তাদের উস্কানিমূলক আচরণ পরিস্থিতিকে আরও সমস্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত গোলমাল নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়ে ও পূর্ব লাদাখের শান্তি রক্ষায় কঠোর হয়েছে।

চীনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ভারত জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা দুই দেশের মধ্যে সমস্ত নীতি ও চুক্তি মেনে চলেছে। কিন্তু চীনের সেনা পরিস্থিতিকে জটিলতার দিকে ঠেলে দিয়েছে অস্ত্র ব্যবহার করে ও বিপুল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‘২০ জন ভারতীয় সেনা সেই সময়ে চীনের অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে সীমান্তে প্রাণ হারিয়েছেন। চীনেরও ক্ষতি হয়েছে।”

তবে এই ঘটনার দায় পুরোটাই চীনা প্রশাসনের উপর চাপিয়েছে ভারত।

বর্ষশেষের পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, কীভাবে বছর শেষে চীন-ভারত সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আগস্ট মাসের শেষের দিকে। চীনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে কীভাবে প্রবেশের চেষ্টা করেছে একাধিকবার, সেটিও রিপোর্টে বলা হয়েছে।

তবে পাশাপাশি রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে, শীতকালে যাতে সীমান্তে সমস্যা না হয়, শীতের সঞ্চয় সেই কারণে আগে থেকেই করা হয়েছে ওই সীমান্তে। চীনের সেনারা আবার কোনও সমস্যা করলে যাতে সীমান্তে ভারত মোকাবিলা করতে পারে, সেই বিষয়টিও নজরে রেখেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। যেকোনও পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী তৈরি, তবে দু-দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার জন্য।