ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

টিকা নিলে পুরুষ নারীকণ্ঠে কথা বলবে, নারীদের দাড়ি উঠবে: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। করোনাভাইরাসকে তিনি ‘সামান্য ফ্লু’ বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলেন। যদিও পরে তিনিও করোনায় আক্রান্ত হন। কিন্তু এরপর তার তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও অবহেলা কমেনি। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে এখন উল্টাপাল্টা কথা বলছেন তিনি।

ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি বলেন, করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন মানুষকে কুমির বানিয়ে দিতে পারে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি এক হাস্যকর কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‌’করোনা ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ছেলেরা মেয়েকণ্ঠে কথা বলবে। আর মেয়েদের মুখে দাড়ি উঠবে।’

এ কারণে তিনি নিজে কখনও এই টিকা নেবেন না বলে ঘোষণা দেন। ব্রাজিলে মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট ফাইজার ও জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের তৈরি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হয়েছে কয়েক মাস ধরে। ইতোমধ্যেই ভ্যাকসিনটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে। ব্রাজিলেও শুরু হয়েছে টিকা দেওয়া কর্মসূচি।

এর মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো বলেন, ‘ফাইজারের চুক্তিতে একটা বিষয় পরিষ্কার: আমরা কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী নই। আপনি যদি কুমিরে রূপান্তর হয়ে যান, তবে এটি আপনার সমস্যা। যদি অতিমানবে (সুপারহিউম্যান) পরিণত হন, যদি কোনো নারীর দাড়ি উঠতে শুরু করে অথবা কোনো পুরুষ নারীকণ্ঠে কথা বলতে শুরু করেন, তাদের কিছু করার থাকবে না?’

এর আগে গত বুধবার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন, এটা বিনামূল্যে হলেও বাধ্যতামূলক নয়।

তবে বৃহস্পতিবার দেশটির সুপ্রিম কোর্ট রুল জারি করেন যে, করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক, কিন্তু কারও ওপর বলপ্রয়োগ করা যাবে না। অর্থাৎ, কর্তৃপক্ষ চাইলে ভ্যাকসিন না নেওয়ায় মানুষজনকে জরিমানা অথবা নির্দিষ্ট জায়গায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারবে। তবে জোর করে ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

টিকা নিলে পুরুষ নারীকণ্ঠে কথা বলবে, নারীদের দাড়ি উঠবে: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। করোনাভাইরাসকে তিনি ‘সামান্য ফ্লু’ বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলেন। যদিও পরে তিনিও করোনায় আক্রান্ত হন। কিন্তু এরপর তার তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও অবহেলা কমেনি। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে এখন উল্টাপাল্টা কথা বলছেন তিনি।

ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি বলেন, করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন মানুষকে কুমির বানিয়ে দিতে পারে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি এক হাস্যকর কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‌’করোনা ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ছেলেরা মেয়েকণ্ঠে কথা বলবে। আর মেয়েদের মুখে দাড়ি উঠবে।’

এ কারণে তিনি নিজে কখনও এই টিকা নেবেন না বলে ঘোষণা দেন। ব্রাজিলে মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট ফাইজার ও জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের তৈরি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হয়েছে কয়েক মাস ধরে। ইতোমধ্যেই ভ্যাকসিনটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে। ব্রাজিলেও শুরু হয়েছে টিকা দেওয়া কর্মসূচি।

এর মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো বলেন, ‘ফাইজারের চুক্তিতে একটা বিষয় পরিষ্কার: আমরা কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী নই। আপনি যদি কুমিরে রূপান্তর হয়ে যান, তবে এটি আপনার সমস্যা। যদি অতিমানবে (সুপারহিউম্যান) পরিণত হন, যদি কোনো নারীর দাড়ি উঠতে শুরু করে অথবা কোনো পুরুষ নারীকণ্ঠে কথা বলতে শুরু করেন, তাদের কিছু করার থাকবে না?’

এর আগে গত বুধবার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন, এটা বিনামূল্যে হলেও বাধ্যতামূলক নয়।

তবে বৃহস্পতিবার দেশটির সুপ্রিম কোর্ট রুল জারি করেন যে, করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক, কিন্তু কারও ওপর বলপ্রয়োগ করা যাবে না। অর্থাৎ, কর্তৃপক্ষ চাইলে ভ্যাকসিন না নেওয়ায় মানুষজনকে জরিমানা অথবা নির্দিষ্ট জায়গায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারবে। তবে জোর করে ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না।