ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দ্বিপাক্ষিক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে হাসিনা-মোদী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দ্বিপাক্ষিক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নয়াদিল্লি থেকে নরেন্দ্র মোদী এ বৈঠকে অংশ নেন।

ঘণ্টা দেড়েকের মতো এ বৈঠক চলতে পারে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে এবং চারটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বৈঠকের আগেই দুই দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব চুক্তি ঘোষণা করা হবে। যে চারটি চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো- দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা, দুই দেশে মধ্যে হাতি সংরক্ষণ সহযোগিতা, বরিশালে একটি পয়ঃনিষ্কাশন প্ল্যান্ট তৈরি ও কমিউনিটি উন্নয়ন প্রকল্প।

সূত্র জানায়, সীমান্ত যেন শান্তিপূর্ণ থাকে, একইসঙ্গে ভারতের ক্রেডিট লাইনের আওতায় দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও কীভাবে বাড়ানো যেতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।

বৈঠক বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে আমাদের বড় বড় ইস্যুগুলো তুলে ধরা হবে। সাধারণত যেসব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়, সেসবই প্রাধান্য পাবে। পানি সমস্যা, সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে বলে আমরা আশা করছি। সে সময় চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করা হবে। এ রুটটি ৫৫ বছর আগে চালু ছিল। সেটি নতুন করে আবার চালু করা হবে।

বৈঠকের বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই শীর্ষ নেতা কোভিড পরবর্তী সহযোগিতা আরও জোরদার করাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। ভারত ও বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্তরে নিয়মিত আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের অক্টোবরে ভারত সফর করেছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২০ সালের মার্চ মাসে মুজিববর্ষের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন। করোনা মহামারির মধ্যেও উভয় নেতা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

আগামী ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ঢাকায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নয়ন হলে তিনি ঢাকায় আসবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দ্বিপাক্ষিক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে হাসিনা-মোদী

আপডেট সময় ১১:৫১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দ্বিপাক্ষিক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নয়াদিল্লি থেকে নরেন্দ্র মোদী এ বৈঠকে অংশ নেন।

ঘণ্টা দেড়েকের মতো এ বৈঠক চলতে পারে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে এবং চারটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বৈঠকের আগেই দুই দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব চুক্তি ঘোষণা করা হবে। যে চারটি চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো- দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা, দুই দেশে মধ্যে হাতি সংরক্ষণ সহযোগিতা, বরিশালে একটি পয়ঃনিষ্কাশন প্ল্যান্ট তৈরি ও কমিউনিটি উন্নয়ন প্রকল্প।

সূত্র জানায়, সীমান্ত যেন শান্তিপূর্ণ থাকে, একইসঙ্গে ভারতের ক্রেডিট লাইনের আওতায় দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও কীভাবে বাড়ানো যেতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।

বৈঠক বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে আমাদের বড় বড় ইস্যুগুলো তুলে ধরা হবে। সাধারণত যেসব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়, সেসবই প্রাধান্য পাবে। পানি সমস্যা, সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে বলে আমরা আশা করছি। সে সময় চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করা হবে। এ রুটটি ৫৫ বছর আগে চালু ছিল। সেটি নতুন করে আবার চালু করা হবে।

বৈঠকের বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই শীর্ষ নেতা কোভিড পরবর্তী সহযোগিতা আরও জোরদার করাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। ভারত ও বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্তরে নিয়মিত আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের অক্টোবরে ভারত সফর করেছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২০ সালের মার্চ মাসে মুজিববর্ষের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন। করোনা মহামারির মধ্যেও উভয় নেতা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

আগামী ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ঢাকায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নয়ন হলে তিনি ঢাকায় আসবেন।