ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে ভয়ঙ্কর আরও ৩৮টি সুপারসনিক মিসাইল

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সীমান্তে চোখ রাঙাচ্ছে দুই প্রতিবেশী। হামলা হতে পারে সমুদ্রপথেও। তাই যুদ্ধ জাহাজগুলোকে আরও শক্তিশালি করতে পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রের খবর, ৩৮টি সুপারসনিক ব্রাহ্মস মিসাইল পেতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। যা বিশাখাপত্তনমে নির্মীয়মান যুদ্ধ জাহাজে মোতায়েন থাকবে। দ্রুত এই জাহাজগুলো ভারতীয় নৌবাহিনীতে নিযুক্ত করার চেষ্টা চলছে।

সরকারি সূত্রে খবর, এই ৩৮টি সুপারসনিক ক্রজ মিসাইল নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে ১ হাজার ৮০০ কোটি রুপির প্রয়োজন। সেই অর্থ চেয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে বাহিনী। প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় দ্রুত এই প্রস্তাবে অনুমোদন দেবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এই সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলগুলো ৪৫০ কিলোমিটার দূরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনীর একাধিক যুদ্ধজাহাজে ইতোমধ্যে ব্রাহ্মস মিসাইল ইনস্টল করা হয়েছে। যুদ্ধাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলেন, শত্রুদের ওপর হামলা চালাতে ভারতীয় নৌবাহিনীর সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র ব্রাহ্মস মিসাইল। তাই আরও সুপারসনিক মিসাইল অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগী হল ভারতীয় নৌবাহিনী।

সম্প্রতি একাধিকবার এই সুপারসনিক মিসাইল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে ডিআরডিও। আর প্রতিবারই তারা সফল হয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অত্যাধুনিক ব্রাহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায় ভারত। এটি লক্ষ্যভেদ করতে সফল হয়। এর আগে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের একদফা পরীক্ষা হয়ে গিয়েছিল অক্টোবরে। তবে চূড়ান্তভাবে তা পরখ করে নিতেই ছিল এদিনের পরীক্ষা।

প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মস ঘণ্টায় ৩৭০০ কিলোমিটার বেগে ছুটে গিয়ে আঘাত হানে লক্ষ্যবস্তুতে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা নিখুঁত। ২০০৬ সালে স্থলসেনা ও নৌসেনার অস্ত্র ভাণ্ডারে যুক্ত হয় এটি। প্রাথমিকভাবে এর মারণ ক্ষমতা ২৯০ কিলোমিটার থাকলেও এখন তা ৪৫০ কিমি দূরেও গিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম বলে জানা গেছে। ভারত ও রাশিয়া যৌথভাবে ব্রাহ্মস তৈরি করে ফেলার পর গোটা বিশ্বের সমর বিশারদদের নজর কেড়ে নিয়েছে এই ক্রুজ মিসাইল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে ভয়ঙ্কর আরও ৩৮টি সুপারসনিক মিসাইল

আপডেট সময় ০১:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সীমান্তে চোখ রাঙাচ্ছে দুই প্রতিবেশী। হামলা হতে পারে সমুদ্রপথেও। তাই যুদ্ধ জাহাজগুলোকে আরও শক্তিশালি করতে পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রের খবর, ৩৮টি সুপারসনিক ব্রাহ্মস মিসাইল পেতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। যা বিশাখাপত্তনমে নির্মীয়মান যুদ্ধ জাহাজে মোতায়েন থাকবে। দ্রুত এই জাহাজগুলো ভারতীয় নৌবাহিনীতে নিযুক্ত করার চেষ্টা চলছে।

সরকারি সূত্রে খবর, এই ৩৮টি সুপারসনিক ক্রজ মিসাইল নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে ১ হাজার ৮০০ কোটি রুপির প্রয়োজন। সেই অর্থ চেয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে বাহিনী। প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় দ্রুত এই প্রস্তাবে অনুমোদন দেবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এই সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলগুলো ৪৫০ কিলোমিটার দূরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনীর একাধিক যুদ্ধজাহাজে ইতোমধ্যে ব্রাহ্মস মিসাইল ইনস্টল করা হয়েছে। যুদ্ধাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলেন, শত্রুদের ওপর হামলা চালাতে ভারতীয় নৌবাহিনীর সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র ব্রাহ্মস মিসাইল। তাই আরও সুপারসনিক মিসাইল অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগী হল ভারতীয় নৌবাহিনী।

সম্প্রতি একাধিকবার এই সুপারসনিক মিসাইল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে ডিআরডিও। আর প্রতিবারই তারা সফল হয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অত্যাধুনিক ব্রাহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায় ভারত। এটি লক্ষ্যভেদ করতে সফল হয়। এর আগে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের একদফা পরীক্ষা হয়ে গিয়েছিল অক্টোবরে। তবে চূড়ান্তভাবে তা পরখ করে নিতেই ছিল এদিনের পরীক্ষা।

প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মস ঘণ্টায় ৩৭০০ কিলোমিটার বেগে ছুটে গিয়ে আঘাত হানে লক্ষ্যবস্তুতে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা নিখুঁত। ২০০৬ সালে স্থলসেনা ও নৌসেনার অস্ত্র ভাণ্ডারে যুক্ত হয় এটি। প্রাথমিকভাবে এর মারণ ক্ষমতা ২৯০ কিলোমিটার থাকলেও এখন তা ৪৫০ কিমি দূরেও গিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম বলে জানা গেছে। ভারত ও রাশিয়া যৌথভাবে ব্রাহ্মস তৈরি করে ফেলার পর গোটা বিশ্বের সমর বিশারদদের নজর কেড়ে নিয়েছে এই ক্রুজ মিসাইল।