ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চীনের বিরুদ্ধে উইঘুর গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান আইসিসির

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত করতে নির্বাসিত উইঘুরদের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। জিনজিয়াংয়ে বসবাসরত মুসলমানদের ওপর এটিকে একটি আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দোহাভিত্তিক আলজাজিরার খবরে এসব তথ্য মিলেছে। এর আগে চীনা অপরাধের প্রমাণস্বরূপ গত জুলাইয়ে আদালতে বিপুল কাগজপত্র সোপর্দ করেছিলেন তারা।

তাদের অভিযোগ, ১০ লাখের বেশি উইঘুর ও অন্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের বৃত্তিমূলক শিক্ষা নামে ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে এবং নারীদের জোরপূর্বক বন্ধ্যা করে দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু ফাতু বেনসুদার অফিস সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, এই তদন্ত করতে তারা সক্ষম না। কারণ এসব অপরাধ চীনা ভূখণ্ডে ঘটেছে, যারা হেগশহরভিত্তিক আইসিসিতে সই করেনি।

বার্ষিক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আদালতের কার্যক্রম পরিচালনায় ভূখণ্ডগত সীমার পূর্বশর্ত কথিত অপরাধের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে যায় না।

আইসিসি জানায়, তাজিকিস্তান ও কম্বোডিয়া থেকে চীনে উইঘুরদের জোর করে ফেরত পাঠানোর ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগের ওপর এই মুহূর্তে আইনি প্রক্রিয়া চালানোর কোনো সুযোগ নেই।

উইঘুরদের যুক্তি হলো– যদিও কথিত ওই নির্বাসন চীনা মাটিতে হয়নি, তাজিক ও কম্বোডিয়ায় ঘটেছে, আর এই দু-দেশই আইসিসির সদস্য। কাজেই এ ক্ষেত্রে আইসিসি আইনি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

চীনের বিরুদ্ধে উইঘুর গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান আইসিসির

আপডেট সময় ০৪:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত করতে নির্বাসিত উইঘুরদের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। জিনজিয়াংয়ে বসবাসরত মুসলমানদের ওপর এটিকে একটি আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দোহাভিত্তিক আলজাজিরার খবরে এসব তথ্য মিলেছে। এর আগে চীনা অপরাধের প্রমাণস্বরূপ গত জুলাইয়ে আদালতে বিপুল কাগজপত্র সোপর্দ করেছিলেন তারা।

তাদের অভিযোগ, ১০ লাখের বেশি উইঘুর ও অন্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের বৃত্তিমূলক শিক্ষা নামে ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে এবং নারীদের জোরপূর্বক বন্ধ্যা করে দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু ফাতু বেনসুদার অফিস সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, এই তদন্ত করতে তারা সক্ষম না। কারণ এসব অপরাধ চীনা ভূখণ্ডে ঘটেছে, যারা হেগশহরভিত্তিক আইসিসিতে সই করেনি।

বার্ষিক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আদালতের কার্যক্রম পরিচালনায় ভূখণ্ডগত সীমার পূর্বশর্ত কথিত অপরাধের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে যায় না।

আইসিসি জানায়, তাজিকিস্তান ও কম্বোডিয়া থেকে চীনে উইঘুরদের জোর করে ফেরত পাঠানোর ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগের ওপর এই মুহূর্তে আইনি প্রক্রিয়া চালানোর কোনো সুযোগ নেই।

উইঘুরদের যুক্তি হলো– যদিও কথিত ওই নির্বাসন চীনা মাটিতে হয়নি, তাজিক ও কম্বোডিয়ায় ঘটেছে, আর এই দু-দেশই আইসিসির সদস্য। কাজেই এ ক্ষেত্রে আইসিসি আইনি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।