ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টি-টোয়েন্টিতে নিজের স্ট্রাইক রেট নিয়ে চিন্তিত নন তামিম

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

তামিম ইকবাল তার স্ট্রাইক রেটের সমালোচনা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। তার মতে শুধুমাত্র জয় পাওয়াটাই তার কাছে মুখ্য বিষয়। ফলাফলেই একটি ম্যাচে তিনি কতটা সাবলিল বা স্লথ সেটি প্রমাণিত হয়।

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে এ পর্যন্ত ২১১ রান নিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহকারী তামিম ইকবাল। তবে তার স্ট্রাইক রেট ১১৬.৮৭। যেটি সংক্ষিপ্ত ভার্সনের এই ক্রিকেটে কোনভাবেই ভাল বলা যাবে না।

টি-২০ ক্রিকেটে তামিমের ব্যাটিং গতানুগতিক হলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে তিনি সব সময় ছিলেন ক্রিকেটবোদ্ধাদের আলচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাদের মতে আধুনিক ক্রিকেটে সেরা স্ট্রাইক রেটে পৌঁছানোর সামর্থ্য তামিমের আছে। তাকে আরো আগ্রাসী হতে হবে।

তবে তামিম ইকবাল বলেন, ম্যাচ জিততে না পারলে সেরা স্ট্রাইক রেট কোন কাজেই লাগে না। তামিম বলেন, ‘পরিস্থিতি যদি তেমনই হয়, তাহলে ৩০ বলে ৩০ রান করার মধ্যে আমি খারাপ কিছু দেখছি না। আমরা যখন ১৫০ রানকে টার্গেট করব এবং তিনটি উইকেট যদি পড়ে যায়, তাহলে ২০ বলে ৩০-৪০ রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে। গত ম্যাচের কথাই ধরুন। আমি ১৫০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করছিলাম। কিন্তু ফের ৩২ রানে আউট হয়ে যাই। আর আমি যদি কিছুটা রক্ষনশীল হতাম তাহলে ইনিংস বড় করা সম্ভব ছিল। এমন অবস্থায় ম্যাচও জয় করা সম্ভব হতো।’

তিনি বলেন, ‘স্ট্রাইক রেট যাই হোক না কেন মানুষের সমালোচনা থাকবে। তাই সেটি নিয়ে কোন সমস্যা দেখি না। দিন শেষে আমি যদি ৪০ বলে ৪০ রান তুলেই ম্যাচ জয় করতে পারি তাহলেই ভাল। আর ১৫ বলে ৪০ তুলে যদি হেরে যাই, তাহলে সেটি ভাল ইনিংস নয়।’

তামিমের মতে বেশী স্ট্রাইক রেটের চেয়ে বোলারদের কাছ থেকে বেশী স্কোর বের করে নেয়াটাই বেশী জরুরী। তিনি বলেন,‘ দিন শেষে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দলে আমি কেমন খেলছি। স্ট্রাইক রেটের চেয়ে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কতটা দীর্ঘ সময় ক্রিজে টিকে থাকলাম। আমি যদি দীর্ঘক্ষণ খেলতে পারি, তাহলে স্কোর বড় করার অনেক সুযোগ পেয়ে যাব। এই দলে মাত্র ৩০ রান সংগ্রহ করাটা আমার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং ৪০-৪২ বল খেলে যদি ৫০ রান সংগ্রহ করতে পারি তাহলে ১০৯ রানের জায়গায় দলীয় স্কোর পৌঁছে যাবে ১৩০-১৩৫ রানে। সেক্ষেত্রে বোলাররা লড়াই করার কিছুটা সুযোগ পাবে। আপনারা যদি ১০০ থেকে ১২০ রানেই অল আউট হয়ে যান তাহলে সেখানে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই থাকে না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

টি-টোয়েন্টিতে নিজের স্ট্রাইক রেট নিয়ে চিন্তিত নন তামিম

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

তামিম ইকবাল তার স্ট্রাইক রেটের সমালোচনা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। তার মতে শুধুমাত্র জয় পাওয়াটাই তার কাছে মুখ্য বিষয়। ফলাফলেই একটি ম্যাচে তিনি কতটা সাবলিল বা স্লথ সেটি প্রমাণিত হয়।

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে এ পর্যন্ত ২১১ রান নিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহকারী তামিম ইকবাল। তবে তার স্ট্রাইক রেট ১১৬.৮৭। যেটি সংক্ষিপ্ত ভার্সনের এই ক্রিকেটে কোনভাবেই ভাল বলা যাবে না।

টি-২০ ক্রিকেটে তামিমের ব্যাটিং গতানুগতিক হলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে তিনি সব সময় ছিলেন ক্রিকেটবোদ্ধাদের আলচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাদের মতে আধুনিক ক্রিকেটে সেরা স্ট্রাইক রেটে পৌঁছানোর সামর্থ্য তামিমের আছে। তাকে আরো আগ্রাসী হতে হবে।

তবে তামিম ইকবাল বলেন, ম্যাচ জিততে না পারলে সেরা স্ট্রাইক রেট কোন কাজেই লাগে না। তামিম বলেন, ‘পরিস্থিতি যদি তেমনই হয়, তাহলে ৩০ বলে ৩০ রান করার মধ্যে আমি খারাপ কিছু দেখছি না। আমরা যখন ১৫০ রানকে টার্গেট করব এবং তিনটি উইকেট যদি পড়ে যায়, তাহলে ২০ বলে ৩০-৪০ রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে। গত ম্যাচের কথাই ধরুন। আমি ১৫০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করছিলাম। কিন্তু ফের ৩২ রানে আউট হয়ে যাই। আর আমি যদি কিছুটা রক্ষনশীল হতাম তাহলে ইনিংস বড় করা সম্ভব ছিল। এমন অবস্থায় ম্যাচও জয় করা সম্ভব হতো।’

তিনি বলেন, ‘স্ট্রাইক রেট যাই হোক না কেন মানুষের সমালোচনা থাকবে। তাই সেটি নিয়ে কোন সমস্যা দেখি না। দিন শেষে আমি যদি ৪০ বলে ৪০ রান তুলেই ম্যাচ জয় করতে পারি তাহলেই ভাল। আর ১৫ বলে ৪০ তুলে যদি হেরে যাই, তাহলে সেটি ভাল ইনিংস নয়।’

তামিমের মতে বেশী স্ট্রাইক রেটের চেয়ে বোলারদের কাছ থেকে বেশী স্কোর বের করে নেয়াটাই বেশী জরুরী। তিনি বলেন,‘ দিন শেষে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দলে আমি কেমন খেলছি। স্ট্রাইক রেটের চেয়ে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কতটা দীর্ঘ সময় ক্রিজে টিকে থাকলাম। আমি যদি দীর্ঘক্ষণ খেলতে পারি, তাহলে স্কোর বড় করার অনেক সুযোগ পেয়ে যাব। এই দলে মাত্র ৩০ রান সংগ্রহ করাটা আমার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং ৪০-৪২ বল খেলে যদি ৫০ রান সংগ্রহ করতে পারি তাহলে ১০৯ রানের জায়গায় দলীয় স্কোর পৌঁছে যাবে ১৩০-১৩৫ রানে। সেক্ষেত্রে বোলাররা লড়াই করার কিছুটা সুযোগ পাবে। আপনারা যদি ১০০ থেকে ১২০ রানেই অল আউট হয়ে যান তাহলে সেখানে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই থাকে না।’