ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হজের বিমান ভাড়া আরও কমবে: পর্যটনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল জুলাই সনদ নয়, সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত সরকার: মাহমুদা মিতু গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি: মঞ্জু মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

‘সাপের বিষ’ পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সাপের বিষ বাংলাদেশে ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতি নেই। তবুও একটি চক্রের হাত ধরে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এ বিষ।

তবে এ সাপের বিষ পাচারের রুট হিসেবে বাংলাদেশ ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) দিনগত রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় নয় কোটি টাকা সমমূল্যের সাপের বিষসহ পাচারকারী চক্রের মূলহোতা মো. মামুন তালুকদার (৫১) ও তার সহযোগী মো. মামুনকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

এ সময় তাদের কাছ থেকে দু’টি বড় লকার, ছয়টি কাঁচের কৌটায় সংরক্ষিত সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়েছে। যার প্রত্যেকটি বোতলের গায়ে COBRA Snake Poison of France, Red Dragon Company, COBRA CODE No-80975, Made in France লেখা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার।

তিনি বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডি ঢাকা মেট্রোর একটি টিম গাজীপুর জেলার বাসন থানা এলাকা থেকে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করে। ওই মামলার তদন্তের সূত্রে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সাপের বিষ পাচারকারী চক্রের মূলহোতা মামুন তালুকদার ও তার সহযোগী মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।

শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে এটি লেনদেন হয়। এটার অবশ্যই বৈশ্বিক মার্কেট রয়েছে। তবে বাংলাদেশে এটা বিক্রির কোনো বৈধতা নেই। আমরা এখনো নিশ্চিত না যে এগুলো কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। যেহেতু এটা এলসির মাধ্যমে আনা হয়নি। তবে জব্দ করা বিষের কনটেইনারগুলোতে মেড ইন ফ্রান্স লেখা রয়েছে। যথা সম্ভব এ অবৈধ সাপের বিষ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহৃত করা হচ্ছিল।

পুরো তদন্ত শেষ হলে কে বা কারা কোথা থেকে আমদানির পর এটা আবার পাচার করছিল বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে বলে মনে করেন তিনি।

এ চক্রের সঙ্গে সাত থেকে আটজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান সিআইডির এ কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি

‘সাপের বিষ’ পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সাপের বিষ বাংলাদেশে ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতি নেই। তবুও একটি চক্রের হাত ধরে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এ বিষ।

তবে এ সাপের বিষ পাচারের রুট হিসেবে বাংলাদেশ ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) দিনগত রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় নয় কোটি টাকা সমমূল্যের সাপের বিষসহ পাচারকারী চক্রের মূলহোতা মো. মামুন তালুকদার (৫১) ও তার সহযোগী মো. মামুনকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

এ সময় তাদের কাছ থেকে দু’টি বড় লকার, ছয়টি কাঁচের কৌটায় সংরক্ষিত সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়েছে। যার প্রত্যেকটি বোতলের গায়ে COBRA Snake Poison of France, Red Dragon Company, COBRA CODE No-80975, Made in France লেখা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার।

তিনি বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডি ঢাকা মেট্রোর একটি টিম গাজীপুর জেলার বাসন থানা এলাকা থেকে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করে। ওই মামলার তদন্তের সূত্রে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সাপের বিষ পাচারকারী চক্রের মূলহোতা মামুন তালুকদার ও তার সহযোগী মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।

শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে এটি লেনদেন হয়। এটার অবশ্যই বৈশ্বিক মার্কেট রয়েছে। তবে বাংলাদেশে এটা বিক্রির কোনো বৈধতা নেই। আমরা এখনো নিশ্চিত না যে এগুলো কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। যেহেতু এটা এলসির মাধ্যমে আনা হয়নি। তবে জব্দ করা বিষের কনটেইনারগুলোতে মেড ইন ফ্রান্স লেখা রয়েছে। যথা সম্ভব এ অবৈধ সাপের বিষ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহৃত করা হচ্ছিল।

পুরো তদন্ত শেষ হলে কে বা কারা কোথা থেকে আমদানির পর এটা আবার পাচার করছিল বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে বলে মনে করেন তিনি।

এ চক্রের সঙ্গে সাত থেকে আটজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান সিআইডির এ কর্মকর্তা।